শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ‘সাংবাদিকতার আড়ালে’ চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘সাংবাদিকতার আড়ালে’ চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে সাতক্ষীরায় সাংবাদিকতার আড়ালে চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইল ও মাদক ব্যবসার অভিযোগে এবং চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পাটকেলঘাটা এলাকায় তুবা পাইপ এন্ড ফিটিংস ইন্ডাস্ট্রিজ ও শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে আসছে এবং লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এ ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় অন্তত ৯টি মামলা থাকলেও রহস্যজনক কারণে এখনো সে গ্রেপ্তার এড়াচ্ছে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীরা জানান, তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তুবা পাইপ এন্ড ফিটিংস ইন্ডাস্ট্রিজের ম্যানেজার প্রভাস রায় ও হিসাবরক্ষক আরিফুজ্জামান সিংহ। এছাড়া সুব্রত সরকার, সামাদ, মলয়, মোখলেছুর রহমান ও শাহীনসহ স্থানীয় অনেকে সংহতি প্রকাশ করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, একটি ফেসবুক পেজ খুলে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সমাজে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

সমাবেশ শেষে বক্তারা অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Ads small one

এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

অরুণ সান্যাল
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা
এখানে সুখের চেয়ে
চোখের জলের মাত্রা বেশি দাগা।
মানুষের বুকে নেই মানুষের টান,
স্বার্থের বাজারে বিক্রি হয় পবিত্র সব মান।

স্নেহের আলো নিভে যায় স্বার্থের ঝড়ে
বিশ্বাস হারিয়ে যায় শূন্যতার ঘরে।
চোখের পলকে আপন মানুষ অচেনা হয়ে যায়,
ভালোবাসা শুধু আজ বেদনার খেলায় হারায়।

তবুও মানুষ বাঁচে মিথ্যে আশার টানে,
অশ্রু লুকিয়ে রাখে মলিন হাসির গানে।
ক্ষতের ওপর প্রলেপ মেখে পথ চলে একা,
ভাগ্যের সাথে যেন নেই কোনো সুখের লেখা।
তবুও তো এই ধরায় কোনো এক কোণে,
ভালোবাসা বেঁচে থাকে নিঃস্ব মানুষের মনে।

“কথার ভার”

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
“কথার ভার”

 

 

বাপী নাগ
রাগ-অভিমান ভুলে একবার এসো, জমে থাকা কথাগুলো একটু ভাগ করে নিই।
কী হলো, শুনতে পাচ্ছ? এখনও কিছু না-বলা কথা রয়ে গেছে— সময়ের ভাঁজে, নীরবতার আড়ালে।
না না, ভয় নেই! আমার শত দুঃখের ভার তোমায় নিতে হবে না, তোমার সুখের অংশও আমায় দিতে হবে না। শুধু কিছু কথার বিনিময়— হয়তো এতেই মনটা একটু হালকা হবে।
রাগ কোরো না, তোমার রোজনামচায় জমে থাকা কিছু কথা আজ নির্দ্বিধায় আমায় বলতে পারো। আমিও প্রতিদিনের বুকের ভেতর জমে থাকা কিছু অপ্রকাশিত কথা নিঃসংকোচে তোমার হাতে তুলে দিতে চাই।
বাকশক্তি থাকা কালীন কথা বিনিময় ছাড়া বেঁচে থাকা বোধহয় অসম্ভব। কারণ, কিছু নীরবতা শব্দের অপেক্ষায়ই বেঁচে থাকে।
আজ নিরবে, নিঃশব্দে, জমে থাকা অনেক কথা বলতে চাই। নেবে কি আমার কথার ভার? শুনবে কি আমার হৃদয়ের দীর্ঘদিনের নীরব স্বীকারোক্তি?
বিশ্বাস করো, সব কথা অভিযোগ নয়, কিছু কথা শুধু মানুষ হয়ে মানুষের পাশে বসার আকুতি। কিছু কথা ক্ষমা চায়, কিছু কথা ফিরে পেতে চায় হারিয়ে যাওয়া সেই সহজ সম্পর্ক।
হয়তো কথা বললেই দুঃখের যন্ত্রণা পুরোপুরি মুছে যাবে না, তবু বুকের ভারটা একটু হালকা হবে। কারণ, না-বলা কথার চেয়ে বলা কথার আফসোস অনেক কম।
তাই একবার এসো— শুধু কিছুক্ষণ সময় নিয়ে। আজ কথা হোক, কারণ একদিন হয়তো সময় থাকবে, কিন্তু বলার মতো মানুষটি আর থাকবে না।
কথারা কখনও দূরত্ব বাড়ায় না, দূরত্ব বাড়ায় শুধু নীরবতা। তাই এসো, অভিমানের দেয়াল ভেঙে একবার কথা বলি… হিসেব-নিকেশ নয়,আজ শুধু হৃদয়ের দরজাটা খুলে দিই। যদি কিছুই ফিরে না পাই,তবু এই তৃপ্তিটুকু থাকবে—চেষ্টা করেছিলাম,নীরবতাকে হারিয়েকথার আলোয় ফিরে আসতে।
শেষবারের মতো বলছি- এসো, একবার কথা হোক।
হয়তো সব অভিমান মুছে যাবে না, সব প্রশ্নের উত্তরও মিলবে না। তবু কিছু নীরবতার অবসান হবে, কিছু দীর্ঘশ্বাস ফিরে পাবে মুক্তির পথ।
জীবন তো অনিশ্চিত— কে কখন কোন মোড়ে হারিয়ে যায়, তা কেউ জানে না। তাই সময় থাকতে কথাগুলো বলে নিই, ক্ষমাগুলো চেয়ে নিই, ভালোবাসাগুলো জানিয়ে দিই।
কারণ, একদিন হয়তো মানুষ থাকবে না, শুধু থেকে যাবে— না-বলা কিছু কথা….. আর বুকভরা একরাশ আফসোস।

শ্রাবণের বর্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
শ্রাবণের বর্ষা

দুখু হুমায়ুন
শ্রাবণ মেঘে বরষা নামে
বাংলার পল্লী-গাঁয়,
টিনের চালে মজার তালে
নূপুর বেজে যায়।
তালের পাতা শালের পাতা
বৃক্ষ-লতা যত,
নাচছে হেলে রূপের ছন্দে
দক্ষ পটুয়ার মতো।
হঠাৎ ফাঁকে থামলো বৃষ্টি
সূর্য আঁখি খোলে,
উঠলো হেসে পল্লী বাংলা
অরূপ রূপের কোলে।

আকাশকোণে ফিনকি দিয়ে
রংধনুটা হাসে,
ছড়িয়ে পড়ে রূপের ছটা
সাতটি রঙের পাশে।

হঠাৎ আবার আসলো ধেয়ে
ঝমঝমিয়ে ঢল,
একটুখানি জিরিয়ে বুঝি
ফিরে পেল বল।
শ্রাবণ দিনে এমনি চলে
রূপের লুকোচুরি,
বাংলার বুকে বর্ষা সাজায়
হাজার রূপের ডালি।