সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

স্থানীয়দের হামলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী আহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
স্থানীয়দের হামলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী আহত

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রেলক্রসিং এলাকায় স্থানীয়দের হামলায় সময় টিভির ক্যাম্পাস প্রতিবেদকসহ তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিক জাহিন সরকার আবিরের বাঁ হাত ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর রেলক্রসিং গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা গেছে, রাতে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৬-৭ জন শিক্ষার্থী রেলক্রসিং এলাকার ইসলামিয়া হোটেলে খাওয়া-দাওয়া শেষ করেন। এরপর তারা ক্যাম্পাসে ফেরার জন্য গাড়ির অপেক্ষায় ছিলেন। রাত ১০টার দিকে ৩ নম্বর রুটের একটি বাস এলে শিক্ষার্থীরা আনন্দ ও হৈ-হুল্লোড় করতে করতে বাসের দিকে এগিয়ে যান।

এ সময় ইমন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের দিকে তেড়ে আসেন এবং গালিগালাজ শুরু করেন। উল্লেখ্য, অভিযুক্ত এই ইমন এর আগেও (৩১ আগস্ট ২০২৫) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ইমন ও তার সহযোগীরা শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ করতে থাকেন। এই ঘটনার সময় সময় টিভির ক্যাম্পাস প্রতিবেদক জাহিন সরকার আবির পুরো বিষয়টি ভিডিও ধারণ করছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হামলাকারীরা তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং তাকে গালিগালাজ করেন। আবির নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলেও তাতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ জানালে হামলাকারীরা তাদের ওপর চড়াও হয়। এ সময় আবিরকে লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়, যার ফলে তার বাঁ হাত ভেঙে যায়। একই ঘটনায় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আলিমুল শামীম, তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আশিকুর ইসলামও আহত হন।

মারধরের শিকার আলিমুল শামীম বলেন,আমরা ইসলামিয়া হোটেলে খাবার খেয়ে ক্যাম্পাসে ফিরতে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। বাস এলে আমরা সেটি থামাই। পরে কিছুটা সামনে গিয়ে দাঁড়ালে আমরা আনন্দের সঙ্গে বাসে উঠতে যাচ্ছিলাম। তখন স্থানীয় কয়েকজন আমাদের গালিগালাজ শুরু করে। আমরা ছয়জন ছিলাম। আমাদের জুনিয়র আশিক প্রতিবাদ করলে তারা তার দিকে তেড়ে আসে। এ সময় সাংবাদিক আবির ভিডিও করা শুরু করলে তারা তার ফোন নিয়ে নেয়। আবির নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে মারধর শুরু করে। পরে আশিককেও মারধর করা হয়। আবিরকে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকলে তার হাত ভেঙে যায়।

এ ঘটনায় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা হামলাকারীকে এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার অথবা তার অভিভাবকদের ক্যাম্পাসে উপস্থিত করার দাবি জানান।

আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুরুতর অবস্থার কারণে জাহিন সরকার আবিরকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে চবি মেডিক্যাল সেন্টারের দায়িত্বরত চিকিৎসক মোহাম্মদ আবুল কাশেম বলেন, প্রথমে দুই জন আসে। তাদের মধ্যে আবির নামের একজনের বাঁ হাতের উপরের অংশে গুরুতর আঘাত রয়েছে। এক্স-রে প্রয়োজন হওয়ায় তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। আশিকুর নামের আরেকজনের ঘাড় ও বাম হাতে আঘাত রয়েছে। তাকে আপাতত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফুরকান বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানে নামে। হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা হবে। রাত ১২টার পর থেকেই অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাবের দুটি টিমও ঘটনাস্থলে অভিযান চালাচ্ছে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রতি ১০ জনে ৭ কিশোরী বাল্যবিবাহের শিকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রতি ১০ জনে ৭ কিশোরী বাল্যবিবাহের শিকার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় মা কাজের তাগিদে ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। সাতক্ষীরা শহরের বাড়িতে একা হয়ে পড়া মেয়েটির ওপর তখন পরিবারের কার্যকর কোনো নজরদারি ছিল না। সেই সুযোগে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় তাকে। কিন্তু বিয়ের কয়েক মাস পার হতেই সে জানতে পারে তার স্বামী একজন পেশাদার জুয়াড়ি। পাওনাদারদের চাপ, পারিবারিক কলহ আর স্বামীর শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের মুখে বাপের বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য হয় সে। পরবর্তীতে পুনরায় পড়াশোনা শুরু করে সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় ‘এ-মাইনাস’ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। জীবনে বাল্যবিবাহের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে পেছনে ফেলে এই তরুণী এখন বিবাহ বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ভুক্তভোগী ওই কিশোরী উল্লেখ করেন, অবুঝ বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর সংসারে অশান্তি শুরু হয় এবং জানতে পারেন স্বামী নিয়মিত জুয়া খেলত ও ঋণের মধ্যে ছিল। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পরিবারের কাছে ফিরে এসে আবার পড়াশোনা শুরু করেছেন এবং ভবিষ্যতে নিজের মতো করে জীবন গড়ে তুলতে চান।
সাতক্ষীরা শহরজুড়ে আইনি ফাঁকফোকর, সামাজিক অবক্ষয় ও প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে শতশত কিশোরীর জীবন এভাবে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালী গ্রামের কলবাড়ি নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রী ও পার্শ্ববর্তী ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন আগে এই কিশোর-কিশোরী এক সাথে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজনের মধ্যস্থতায় বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়া হয়েছিল যে, বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না। কিন্তু সেই অঙ্গীকারনামা অমান্য করে ছেলের বাবা রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা জজ কোর্টের একজন আইনজীবীর মাধ্যমে এফিডেভিট করিয়ে ১৫ ও ১৬ বছরের দুই নাবালক-নাবালিকাকে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করেন।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত থাকলেও আইনি ও দাপ্তরিক কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মহিলা বিষয়ক কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাহায্য না চাইলে পুলিশ সরাসরি গিয়ে অভিযান চালাতে পারে না।
শ্যামনগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক জানান, খবর পাওয়ার পর অভিযুক্ত ছেলের বাবাকে কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য অফিশিয়াল নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং তিনি উপস্থিত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে ছেলের বাবা রফিকুল ইসলামের দাবি, পরিস্থিতি বিবেচনা করে এফিডেভিটের মাধ্যমে সামাজিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, সাতক্ষীরায় বাল্যবিবাহের বর্তমান গড় হার দাঁড়িয়েছে ৭২ শতাংশে, যার মধ্যে শ্যামনগর উপজেলায় এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। উপকূলীয় এই অঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও অতিরিক্ত লবণাক্ততায় নিয়মিত কাজ করার ফলে কম বয়সে মেয়েদের শরীরের ত্বক নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে সামাজিক ভীতি থেকে অভিভাবকেরা দ্রুত বিয়ে দিয়ে দেন।
গাবুরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএইচসিপি হেলেনা বিলকিস জানান, ক্লিনিকে আসা গর্ভবতী নারীদের একটি বড় অংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক। এই বয়সে সন্তান ধারণের কারণে এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত পরিবেশের প্রভাবে তাদের উচ্চ রক্তচাপ, এপিলেপসি ও রক্তস্বল্পতার হার বেশি। নদী পার হয়ে জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে অনেক প্রসূতির মৃত্যু ঘটে।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন জানান, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে মেয়ে এবং ২১ বছরের নিচে ছেলের বিয়ে বেআইনি। অসাধু নোটারি পাবলিক ও জালিয়াতি চক্র টাকার বিনিময়ে এফিডেভিট করে দিচ্ছে, যার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
মানবাধিকার কর্মী মাধব দত্ত জানান, কার্যকর নজরদারির অভাবের কারণেই অঙ্গীকারনামা থাকার পরও বাল্যবিবাহ রোখা যাচ্ছে না। স্থানীয় সরকারের উদ্যোগ ও সঠিক সনদ যাচাই ছাড়া বিবাহ রেজিস্ট্রি বন্ধ করা প্রয়োজন।
সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার জানান, গোপনে ও এফিডেভিটের অপব্যবহার করে বিয়ে সম্পাদন করার কারণে সব ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয় না, তবে স্থানীয় নজরদারি জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা

সংবাদদাতা: আশাশুনির প্রতাপনগরে প্রাথমিক চিকিৎসা, নিরাপদ অপসারণ ও আগাম সতর্কবার্তা বিষয়ক পরিবারভিত্তিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আইডিয়াল’-এর বাস্তবায়নে, ‘সিডিডি’-এর কারিগরি সহায়তায় এবং ‘লিলিয়ান ফন্ডস’-এর অর্থায়নে ‘রেজিলেন্স বিগিনস এট হোম’ প্রকল্পের অধীনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় ২৫ জন প্রতিবন্ধী শিশুর কেয়ারগিভার অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিদর্শক মো. ইলিয়াস হোসেন। বক্তব্য দেন প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার মো. মামুন আলী ও প্রজেক্ট ফোকাল এস এম মিজানুর রহমান।

আজকের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
আজকের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের ৬টি হিন্দু পরিবারের ২৫ শতক জমি দখল করে বানানো খুপড়ি ঘর ও বেড়া আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে অপসারনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ থানার গোলঘরে অনুষ্ঠিত এক সালিশি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে গত ১৪ আগস্ট রাতে গ্রাম পুলিশ সাইফুল ও তার সহযোগীরা জয়দেব রজক ও বাসুদেব রজকসহ ছয়টি পরিবারের জমিতে খুপড়ি ঘর নির্মাণ করে জমি দখল করে নেয়। পরবর্তীতে বাসুদেব রজক ও রীনা রানী রজক থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করলে শালিসি সভা ডাকা হয়।
সাবেক ইউপি সদস্য আনারুল মীর জানান, সাইফুলের পক্ষ থেকে জমির সপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে অবৈধ ঘর ও বেড়া সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শালিসি সভায় দক্ষিণ শ্রীপুর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহম্মদ শাহজী, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জুলফিকার সাঁফুই ও সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান পাড় উপস্থিত থেকে সিদ্ধান্তনামায় স্বাক্ষর করেন। কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মল্লিক মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম হাওলাদারকে বদলী করে সাতক্ষীরা আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে মো. শাহীন যোগদান করেছেন।