মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন বিষয়ক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন বিষয়ক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সৌদি আরব ও বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত হজ ও ওমরাহ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নাঈম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস এন্ড টুরস (লাইসেন্স নং-৫১৮)-এর উদ্যোগে ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর এলাকায় একাডেমি মসজিদ রোডস্থ আল-আকসা মসজিদ সংলগ্ন নাঈম ইন্টারন্যাশনালের নিজস্ব হজ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন, সরকারি নীতিমালা, নিবন্ধন প্রক্রিয়া, হজের পূর্বপ্রস্তুতি, হজের গুরুত্ব এবং ওমরাহ সেবাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, হজ পালনে আগ্রহীদের সময়মতো প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা উচিত। একই সঙ্গে নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে হজ পালন নিশ্চিত করতে সরকার অনুমোদিত হজ এজেন্সির মাধ্যমে নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাঈম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস এন্ড টুরসের স্বত্বাধিকারী আলহাজ মাওলানা আব্দুল হাদী, ড. মুফতি আক্তারুজ্জামান, আলহাজ নজরুল ইসলাম, আলহাজ আব্দুল রাজ্জাক, আলহাজ গোলাম মোর্তজা, আলহাজ মাওলানা মহাসীনুর রহমান, আলহাজ কাজী শামসুর রহমানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকরা জানান, ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন ও বুকিং কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। আগ্রহী হজযাত্রীদের দ্রুত প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য নাঈম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস এন্ড টুরসের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

Ads small one

কলারোয়ায় তিন দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়ায় বিপাকে ক্রেতারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় তিন দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়ায় বিপাকে ক্রেতারা

কলারোয়া প্রতিনিধি: মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হাটবাজারগুলোতে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত আয়ের সাধারণ ক্রেতারা। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, দেশের বিভিন্ন পাইকারি আড়তে দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কলারোয়া বাজার ও সরসকাটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা তিন দিন আগেও ছিল ৩৫ টাকা। অন্যদিকে কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, যা আগে ছিল ৭০ টাকা।

নিত্যপণ্যের বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ভ্যানচালক রসুল আমিন ও ক্রেতা মনিরুজ্জামান জানান, আদা, আলুসহ সব পণ্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকায় সীমিত আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে তদারকি বাড়ানোর দাবি জানান তাঁরা।

মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে কলারোয়া বাজারের আড়তদার আলাউদ্দিন ও বিক্রেতা আবুল কাশেম জানান, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন আড়ত এবং বর্ষা মৌসুমের কারণে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মৌসুমের প্রভাব কেটে গেলে ও আমদানি স্বাভাবিক হলে বাজার দর পুনারায় কমে আসবে।

 

 

ময়নাতদন্ত শেষে ফারজানার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই হাজারো মানুষের ঢল, শোকে স্তব্ধ এলাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
ময়নাতদন্ত শেষে ফারজানার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই হাজারো মানুষের ঢল, শোকে স্তব্ধ এলাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রাম যেন মঙ্গলবার শোকের জনপদে পরিণত হয়। তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারজানা খাতুনের ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বিকালে বাড়িতে পৌঁছালে তাকে একনজর দেখতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেন। স্বজনদের আহাজারি আর এলাকাবাসীর কান্নায় পুরো গ্রামে নেমে আসে হৃদয়বিদারক পরিবেশ।

ফারজানার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ তার বাড়িতে ছুটে আসেন। ছোট্ট এই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপস্থিত সবাই গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

স্বজনরা বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমাদের ফারজানাকে আর ফিরে পাব না। কিন্তু যারা এই নির্মম ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”

এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফারজানার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তারা নিহতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

ফারজানার মৃত্যুতে পুরো নলতা ইউনিয়নজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় তারা আগে কখনও এত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখেননি। ছোট্ট ফারজানার শেষ বিদায়ে মানুষের এই ঢল তার প্রতি সবার ভালোবাসা ও ঘটনার প্রতি গভীর ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।

উল্লেখ্য, কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামে কানের স্বর্ণের দুলের লোভে ফারজানা (৯) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে অভিযুক্ত সুমা বেগম নামের এক নারী নিহত হয়।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু ফারজানা কাশিবাটি গ্রামের খান এনামুলের মেয়ে এবং স্থানীয় কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।

সকালে ফারজানা স্কুলে গিয়ে স্কুলের সামনের এক ঝালমুড়ির দোকানে যায়। দোকানটি পরিচালনা করতেন স্থানীয় আমিরুলের স্ত্রী সুমা বেগম। ফারজানার কানের স্বর্ণের দুলের লোভে সুমা তাকে কৌশলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির হাত-পা ও মুখ বেঁধে একটি ওয়ারড্রোবের ভেতর আটকে রেখে হত্যা করা হয় এবং মরদেহটি সেখানেই লুকিয়ে রাখা হয়।

 

কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ক্লিনিকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ক্লিনিকে জরিমানা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ক্লিনিক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়ন এর মা জননী নার্সিং হোম এবং মাতৃকল্যাণ ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম।

 

এ সময় ক্লিনিকে সরকারি অনুমোদন না থাকায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং অনুমোদিত ডাক্তার না থাকায় উভয় প্রতিষ্ঠানকে মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ- ১৯৮২ অনুযায়ী পাঁচ হাজার করে সর্বমোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে ক্লিনিকের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

 

আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. বাপ্পি কুমার দাস, বেঞ্চ সহকারী এমএ মান্নানসহ থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম।