বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

জলবায়ু মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
জলবায়ু মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু

পত্রদূত ডেস্ক: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সাতক্ষীরা ও খুলনার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ’ লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে শনিবার (১৩ জুন) সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন এবং সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ এখানে উপস্থাপন করা হলো।
শ্যামনগর: শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সামাজিক বনায়নের বাস্তবায়নে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে চারা রোপণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির, কার্যনির্বাহী সদস্য রনজিৎ বর্মন, সামাজিক বনায়ন বিভাগের প্রতিনিধি এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।


পাইকগাছা: খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। চকরিয়ার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মূল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারই ধারাবাহিকতায় পাইকগাছায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাইকগাছা-কয়রা (খুলনা-৬) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ, জামায়াতে ইসলামীর জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা এস.এম. আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাফিন শোয়েব ও উপজেলা বন কর্মকর্তা প্রবীর কুমার দত্ত। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।


কয়রা: কয়রা উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে দুপুর ১টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিশাত ইসলাম, দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা মো. আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান ও উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শরিফুল আলম। আগামী ৫ বছর ধরে এই উপজেলায় পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানানো হয়।
দেবহাটা: দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা বন সংরক্ষণ অধিদপ্তরের আয়োজনে সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহার সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জয়দেব কুমার, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা এবং সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল। সভা শেষে উপজেলা পরিষদের প্রবেশদ্বারে চারা রোপণ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ করা হয়।


সাতক্ষীরা বন্ধুসভা: ‘সবুজে সাজবে সাতক্ষীরা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ব্যতিক্রমী চারা উপহার কর্মসূচি শুরু করেছে প্রথম আলো বন্ধুসভা, সাতক্ষীরা জেলা শাখা। সংগঠনের সকল সদস্যের হাতে একটি করে গাছের চারা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বিকেলে প্রথম আলোর সাতক্ষীরা নিজস্ব কার্যালয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোকাররাম বিল্লাহ ইমন সাতক্ষীরা বন্ধুসভার সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় কুমার বিশ্বাসের হাতে একটি চারাগাছ তুলে দিয়ে কার্যক্রমের সূচনা করেন। বন্ধুসভার নেতৃবৃন্দ জানান, পরিবেশ রক্ষায় একটি গাছ কাটার বিপরীতে অন্তত পাঁচটি গাছ লাগানো উচিত। জেলাকে সবুজে রূপান্তর করতে এবং পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে আগামী দিনগুলোতে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এই সবুজ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
আশাশুনি: আশাশুনিতে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু। এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, বন কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম, আশাশুনি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সেক্রেটারী সেলিম রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। শ্রীকলস থেকে শোভনালী ব্রিজ পর্যন্ত ২৫ হাজার বৃক্ষ রোপন করা হবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের মাঝে বিনামূল্যে কদবেলের চারা বিতরণ করা হয়।


কলারোয়া: কলারোয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ। এ সময় তিনি কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি ফলদ ও একটি ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে এই সবুজ বিপ্লবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা বিএনপি’র মুখপাত্র অধ্যক্ষ মো. রইছ উদ্দীন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
বেনাপোল: বেনাপোলে বৃক্ষ রোপনের কর্সসুচি উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক ফজলে ওয়াহিদ। এসময় পৌর প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সরকারি বরাদ্দ পাওয়া বিশেষ তহবিল থেকে ১৮০ দিনে সড়ক ও খালের পাড়সহ বিভিন্ন স্থানে ১হাজার গাছের চারা রোপন করা হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

Ads small one

সাতক্ষীরায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত দুই দিনে জেলায় নতুন করে ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে গত ৬ সেপ্টেম্বর ১৫ জন, ৭ সেপ্টেম্বর ১৩ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। এ সময়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাত জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র প্রেরণ করা হয়।

 

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় ২৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। বিভিন্ন হাসপাতালে এখনো চিকিৎসাধীন ৩২ জন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় জেলার হাসপাতালগুলোতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

 

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার বলেন, “জেলা সদর ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে রোগী ভর্তি হচ্ছেন। ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ডা. জয়ন্ত বলেন, “বাড়িঘর ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।”

পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়তা পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে এখন নায়িকা হিসেবেই তিনি নিয়মিত কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমাতে প্রধান নায়িকা হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীঘি জানান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির বায়োপিকে তিনি কাজ করতে চান। এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন নায়িকা।

কেন পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান সেটিও তিনি জানান। তার কথায়, কোনও একটি অনুষ্ঠানে পরীমণি জানিয়েছেন তার বায়োপিকে তিনি নিজেই অভিনয় করবেন। কারণ অন্য কেউ পারবে না। সে চ্যালেঞ্জ থেকেই দীঘি কাজটি করতে আগ্রহী।

দীঘির ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তার (পরীমণি) বায়োপিক যদি হয় তাহলে এটি দারুণ একটি এন্টারটেইমেন্ট বায়োপিক হবে।’

নায়িকা হিসেবে দীঘির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’, ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বিদায়’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়।

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।