বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় মাছ ইলিশ, সাধারণের পাতে কতটা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
জাতীয় মাছ ইলিশ, সাধারণের পাতে কতটা?

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের জল, মাটি ও মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে রূপালি ইলিশ। স্বাদ, ঐতিহ্য ও বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে ইলিশের সম্পর্ক এতটাই নিবিড় যে, এটি শুধু একটি মাছ নয়, জাতীয় পরিচয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোর বাজারচিত্র একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে যে জাতীয় মাছ দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের নিয়মিত খাবারের টেবিলের নাগালের বাইরে, সেই জাতীয় মাছের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক কতটা বাস্তব? ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও মৎস্যসম্পদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 

ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি। জাটকা সংরক্ষণ, মা ইলিশ রক্ষা এবং নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার মতো সরকারি উদ্যোগের ফলে ইলিশের উৎপাদন ও সংরক্ষণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি সাধারণ ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে ইলিশের দামের সামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে কি না বড় প্রশ্ন। বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যম ও মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে উৎপাদিত মোট ইলিশের প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশের বেশি উৎপাদন হয় বাংলাদেশে। অথচ অদ্ভুত এক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ভরা মৌসুমেও দেশের বাজারে ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে থেকে যায়।

 

ঢাকার বাজারে ১ কেজি বা তার বেশি ওজনের এক কেজি ইলিশের দাম প্রায় ২,২০০ থেকে ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত ঠেকেছে। এমনকি ৫০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশের কেজিও ১,৩০০ থেকে ১,৭০০ টাকার নিচে মিলছে না। যেখানে দেশের একজন সাধারণ দিনমজুর বা নিম্ন-মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীর দৈনিক বা মাসিক আয়ের একটা বড় অংশ চলে যায় চাল, ডাল আর যাতায়াত খরচে, সেখানে এক কেজি ইলিশ কিনতে কয়েক দিনের পুরো আয় ঢেলে দেওয়া তাদের জন্য অবাস্তব ও অসম্ভব। আমাদের প্রতিবেশী দেশের কিছু অঞ্চলে (যেমন কলকাতায়) ইলিশ কেটে টুকরো বা পিস হিসেবে বিক্রি করার রেওয়াজ রয়েছে, যা স্বল্প আয়ের মানুষকে অন্তত এক বেলা ইলিশের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ করে দেয়। কিন্তু আমাদের দেশে গোটা মাছ কেনার সনাতন নিয়মের কারণে নিম্নবিত্তের জন্য তা কেবলই দূর আকাশের চাঁদ।

 

জাতীয় প্রতীক বা জাতীয় মাছের মর্যাদা কেবল কাগজে-কলমে বা জিডিপির প্রবৃদ্ধির (যা প্রায় ১.১৫ শতাংশ) খতিয়ানে সীমাবদ্ধ থাকলে চলে না। জাতীয় মাছের গৌরব তখনই সার্থক হবে, যখন দেশের রিকশাচালক, পোশাক শ্রমিক কিংবা সাধারণ সরকারি-বেসরকারি স্বল্প আয়ের চাকরিজীবী তার সন্তানকে পাতে অন্তত এক টুকরো ইলিশ তুলে দিতে পারবেন।

‎লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ, সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্ত।

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রাথমিকের ১৯৯ সহকারী শিক্ষকের নিয়োগপত্র প্রদান, বাদ পড়লেন ৪ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রাথমিকের ১৯৯ সহকারী শিক্ষকের নিয়োগপত্র প্রদান, বাদ পড়লেন ৪ জন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক পদে ১৯৯ জনকে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৯৫ জনের কাছে নিয়োগপত্র পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি থাকায় চারজনকে এখনো নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় প্রাথমিক শিক্ষক নির্বাচন কমিটি সাতক্ষীরা জেলার জন্য প্রার্থীদের সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেতনক্রমে (গ্রেড-১৩) অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

 

নিয়োগপত্রে বলা হয়েছে, যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছর তাঁদের শিক্ষানবিশকাল হিসেবে গণ্য হবে। কর্মদক্ষতা, আচরণ ও সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ডের ভিত্তিতে বিধি অনুযায়ী চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। নিয়োগপত্রে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষানবিশকালে কোনো ধরনের বদলির আবেদন করা যাবে না। শিশুদের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করা যাবে না। নিয়োগের সময় দেওয়া কোনো তথ্য বা সনদ পরবর্তী সময়ে মিথ্যা, ভুয়া বা ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণিত হলে নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের কাগজপত্র ও তথ্য যাচাই করে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য বা কাগজপত্রে ত্রুটি পাওয়া গেছে, তাঁদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। যাচাই-বাছাই ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

নিয়োগপত্র পাওয়া প্রার্থীদের আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অফিস চলাকালীন সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে চাকরিতে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তাঁরা চাকরিতে যোগদানে সম্মত নন বলে গণ্য হবেন এবং নিয়োগপত্র বাতিল বলে বিবেচিত হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদানের পর সরকার নির্ধারিত দুই মাসের প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হবে। এ ছাড়া চাকরিতে যোগদানের চার বছরের মধ্যে নির্ধারিত মৌলিক প্রশিক্ষণ (বিটিপিটি) গ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণে ব্যর্থ হলে বা অনুত্তীর্ণ হলে চাকরি স্থায়ী করা হবে না বলে নিয়োগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের নিয়োগপত্রে এসব শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে।

এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ফের ৪ দিনের রিমান্ডে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ফের ৪ দিনের রিমান্ডে

পত্রদূত ডেস্ক: দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় জামায়াতে ইসলামীর বিতর্কিত সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুনরায় চার দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত রিমান্ডের এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শুনানি শেষে তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত রবিবার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।

পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিন ও মাকছুদা বেগমের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সে দিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে মঙ্গলবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর নজরুল ইসলামের চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার ফের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলো। এ মামলার আরেক আসামি মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর বুধবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে মাসুম বিল্লাহ অভিযোগ করেছেন, গত জুনে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানের ‘প্রত্যক্ষ প্ররোচনায়’ সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদীর বড় মেয়ে মরিয়মের (১৯) বিয়ে হয়। সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকছুদার সঙ্গে থাকতেন মরিয়ম।

এজাহারে বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকছুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তার পরিবারকে বলে গেছেন। এর মধ্যে গত রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।

তিনি এজাহারে লিখেছেন, লাশ উদ্ধারের সময় মেয়ের বিছানার ওপরে তার লেখা ‘সুইসাইড নোট’ দেখতে পান। একটি চিরকুটে লেখা আছে, শুধু মায়ায় পড়েছি বলে বারবার তোমার কাছে নত হই-তা না হলে যতটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই। আরেকটিতে লেখা, আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে, জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবইবা কেমনে, যুদ্ধের শেষ প্রান্তে যেয়ে দেখি তুমিতো ছিলে বিপক্ষের সেনাপতি।

আরও লেখেন, আমি হেরেছি তুমি জিতেছো, কারণ আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। আমি ধ্বংসের শেষ দাঁড়িয়েও মুখে হাসি রেখেছি। ভেবে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ। আরেকটি চিরকুটে আছে দুটি লেখা। একটিতে আছে, সে ছিলো অন্য নারীর স্বামী। কাগজে কলমে অধিকার ছিল তার বউ এর!!! আর আমি ছিলাম বোকা!!!অন্য কারও স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ!!!

অপর লেখায় আছে, কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশির সম্মানের। কারণ ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়ৃভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ, না হয় অপূর্ণ!
রবিবার বিকাল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে মরিয়ম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে এজাহারে বলা হয়েছে।

গত ২০ জুলাই রাতে ঢাকার মগবাজারের একটি হোটেলে মরিয়মের সঙ্গে এমপি নজরুলের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে প্রথমে জামায়াতের নেতাকর্মীরা এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বলে দাবি করেন।

পরে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম ফেসবুক পোস্টে ওই তরুণীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ার কথা জানিয়ে ২২ জুলাই গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় জামায়াতে ইসলামী। বিরোধী দল এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে পরে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেয়।

তালার খলিষখালীতে ৩৬ টি ফ্যান ও ২০ টি সেলায় মেশিন বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
তালার খলিষখালীতে ৩৬ টি ফ্যান ও ২০ টি সেলায় মেশিন বিতরণ

খলিষখালী (পাটকেলঘাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা তালার খলিষখালী ইউনিয়ন পরিষদের এর পক্ষ থেকে উন্নয়ন তহবিল অর্থায়নে ৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৬ টি ফ্যান ও ২০ জন অসহায় দুস্থ মহিলার মাঝে সেলায় মেশিন বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে খলিষখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাবীর হোসেন এই ফ্যান ও সেলাই মেশিন বিতরণ করেন।

ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাবীর হোসেন জানান, পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে এই সামগ্রী গুলো দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, খলিষখালী এসএটিসি কলেজে, খলিষখালী শৈব বালিকা বিদ্যালয়, কাশিয়াডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা, দলুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট ৩৬ টি ফ্যান ও ২০ জন অসহায় দুস্থ মহিলার মাঝে সেলায় মেশিন দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সচিব বিশ্বজিত ঘোষ, ইউপি সদস্য সোলাইমান সরদার, রবিউল ইসলাম, জি এম শামীম প্রমুখ ।