রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

অভিশপ্ত নাকি নিছক কাকতাল? কোহিনূরের চেয়েও ভয়ঙ্কর হীরার ইতিহাস জানলে চমকে যাবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
অভিশপ্ত নাকি নিছক কাকতাল? কোহিনূরের চেয়েও ভয়ঙ্কর হীরার ইতিহাস জানলে চমকে যাবেন

অভিশপ্ত রত্নপাথরের গল্প ইতিহাসে নতুন নয়, তবে ‘হোপ ডায়মন্ড’-এর মতো এত অন্ধকার ও ভয়াল ইতিহাস আর কোনও রত্নের ভাগ্যে জোটেনি। ৪৫ ক্যারেটেরও বেশি ওজনের এই গাঢ় নীল রঙের হীরাটিকে বলা হয় ‘বিশ্বের সবচেয়ে অভিশপ্ত হীরা’। কারণ, এর পেছনে লুকিয়ে আছে একের পর এক দুর্যোগ, দেউলিয়াপনা ও মৃত্যুর দীর্ঘ ইতিহাস। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্রের স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে সংরক্ষিত থাকলেও, এই অভিশপ্ত হীরার মূল উৎপত্তি ভারতে।

হোপ ডায়মন্ডের লিখিত ইতিহাস শুরু হয় ১৬৬৬ সালে, যখন ফরাসি ভ্রমণকারী ও রত্ন ব্যবসায়ী জাঁ-ব্যাপটিস্ট তাভেরনিয়ে ভারতে এটি ক্রয় করেন। পরে ১৬৬৮ সালে তিনি এটি ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুইয়ের কাছে বিক্রি করে দেন। স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়ামের তথ্যমতে, সে সময় ভারতই ছিল হীরার একমাত্র বাণিজ্যিক উৎস এবং হীরাটি ভারতের গোলকোণ্ডা অঞ্চলের কোল্লুর খনি থেকে সংগৃহীত হয়েছিল।

তবে এই হীরার প্রকৃত উৎপত্তি ঘিরে ছড়িয়ে আছে এক রোমাঞ্চকর রহস্য। একটি প্রচলিত উপকথা অনুযায়ী, আদিতে ১১১ ক্যারেটের এই নীল হীরাটি ভারতের একটি মন্দির থেকে চুরি করা হয়েছিল, যা হিন্দু দেবী সীতাদেবীর মূর্তির চোখ হিসেবে বসানো ছিল। চুরির ঘটনা জানতে পেরে ক্রুদ্ধ গ্রামবাসীরা শাপ দেয়, যিনিই এই হীরার মালিক হবেন, তার জীবনে নেমে আসবে ঘোর বিপর্যয়। যদিও এই কাহিনীর পক্ষে কোনও ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই, তবে রত্নটির ওপর চেপে বসা অভিশাপের তকমাটিকে তা আরও জোরালো করেছে।

অভিশপ্ত নাকি নিছক কাকতাল? কোহিনূরের চেয়েও ভয়ঙ্কর হীরার ইতিহাস জানলে চমকে যাবেন

পরবর্তীতে চতুর্দশ লুইয়ের জন্য তাভেরনিয়ের মূল ১১১ ক্যারেটের হীরাটি কেটে প্রায় ৬৯ ক্যারেটের ‘ফ্রেঞ্চ ব্লু’ তৈরি করা হয়। ফরাসি বিপ্লবের অরাজকতার সময় ১৭৯২ সালে রাজকীয় সংগ্রহশালা থেকে এটি চুরি হয়ে যায়। প্রায় দুই দশক গায়েব থাকার পর ১৮১২ সালে লন্ডনে হুবহু একই বৈশিষ্ট্যের একটি নীল হীরা দৃশ্যমান হয়। গবেষকদের মতে, চুরি হওয়া ফ্রেঞ্চ ব্লুকে আবার কেটে আধুনিক হোপ ডায়মন্ডে রূপ দেওয়া হয়েছিল। ১৮৩৯ সালে ‘হোপ’ ব্যাংকিং পরিবারের এক রত্ন ক্যাটালগে ৪৫.৫ ক্যারেটের এই নীল হীরার উল্লেখ মেলে এবং সেখান থেকেই এর নাম হয় ‘হোপ ডায়মন্ড’।

অভিশপ্ত রত্ন বললেই অনেক ভারতীয়র মনে কোহিনূরের কথা আসে, কিন্তু মালিকদের ধ্বংস করার ক্ষেত্রে কোহিনূরও হোপ ডায়মন্ডের সমকক্ষ নয়। ১৯১১ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছিল, শতবর্ষ আগে ভারত থেকে খনন করে আনা হোপ ডায়মন্ডের চেয়ে বেশি অশুভ ইতিহাস সম্ভবত আর কোনও রত্নের নেই। এটি এর মালিকদের জন্য বিভিন্ন সময়ে মৃত্যু, বিপর্যয়, অপমান ও চরম দারিদ্র্য বয়ে এনেছে।

 

ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, হোপ ব্যাংকিং পরিবারের লর্ড হেনরি ফ্রান্সিস হোফ ও তার স্ত্রী মে ইয়োহে চরম অর্থকষ্টে পড়ে ১৯০২ সালে বিচ্ছেদ ঘটান। সর্বস্ব হারিয়ে লর্ড হেনরি হীরাটি সাইমন ফ্রাঙ্কেল নামের এক জহুরির কাছে বিক্রি করেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রাঙ্কেল থেকে হীরাটি কেনা জাক কোলে পরবর্তীতে আত্মহত্যা করেন। এরপর এটি যায় রুশ যুবরাজ ইভান কানিটোভস্কির হাতে, যিনি হীরাটি কেনার কিছুদিনের মধ্যেই রুশ বিপ্লবীদের হাতে খুন হন। এছাড়া, প্যারিসের নৃত্যশিল্পী লরেন্স লাডু এই হীরাটি পাওয়ার পর ঈর্ষান্বিত প্রেমিকের হাতে নিহত হন। এমনকি হীরাটির মালিক গ্রিক ব্যবসায়ী সাইমন মানচারাইডেস ১৯১০ সালে এটি বিক্রি করার পর সপরিবারে গাড়ি দুর্ঘটনায় পাহাড়ি খাদে পড়ে মারা যান।

হীরাটির এই ভয়ঙ্কর দুর্নামকে বিক্রির কৌশল বানিয়েছিলেন ফরাসি রত্ন ব্যবসায়ী পিয়েরে কার্টিয়ার। আমেরিকার ধনকুবের ঐশ্বর্যময়ী এভলিন ওয়ালশ ম্যাকলিনের কাছে হীরাটি বিক্রির জন্য কার্টিয়ার চুরির গল্প ও অভিশাপের ইতিহাসকে আরও রঙিন ও নাটকীয় করে তোলেন। ১৯১১ সালে এভলিন হীরাটি কিনে নেন। তবে এটি কেনার পর তার নয় বছরের ছেলে দুর্ঘটনায় মারা যায়, স্বামী অন্য নারীর জন্য তাকে ছেড়ে যান, মেয়ে মারা যান অতিরিক্ত ওষুধ সেবনে এবং চরম দেনায় ডুবে তিনি তার সংবাদপত্র দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট বিক্রি করতে বাধ্য হন।

১৯৪৭ সালে এভলিনের মৃত্যুর পর জহুরি হ্যারি উইনস্টন তার রত্ন সংগ্রহ কিনে নেন এবং ১৯৫৮ সালে হীরাটি স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়ামে দান করেন। অবশ্য স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ এই অশুভ দুর্ঘটনার তালিকাগুলোকে অনেকটাই অতিরঞ্জিত ও ঐতিহাসিক তথ্যের ঘাটতিযুক্ত বলে মনে করে। তথ্যভিত্তিক প্রমাণ যাই থাক না কেন, মৃত্যুর মিছিলে ভরা হোপ ডায়মন্ড আজও বিশ্বের ইতিহাসের এক রহস্যময় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

Ads small one

ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি, মৃত্যু ৬ জনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি, মৃত্যু ৬ জনের

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে তাদের মৃত্যু হয়। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৯ জন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৮১৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩২৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩৩০ জন, রংপুর বিভাগে ৮৩ জন, বরিশাল বিভাগে ২০৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১০ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছরের শুরু থেকে রবিবার পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৬ হাজার ৪৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার ৩৪৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ৮৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ছাড়া চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ২৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এশিয়ান গেমসের সমাপনীতে গেলো না হকি দল, ব্যস্ত শপিংয়ে!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
এশিয়ান গেমসের সমাপনীতে গেলো না হকি দল, ব্যস্ত শপিংয়ে!

এশিয়ান গেমসের মতো মহাদেশীয় ক্রীড়া আসরের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলো না বাংলাদেশ পুরুষ হকি দল। নাগোয়ার পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে রবিবার বসেছিল ২০তম এশিয়ান গেমসের সমাপনী আয়োজন। সেখানে বাংলাদেশের ৪৫ জন ক্রীড়াবিদের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও হকি দলের একজন খেলোয়াড়ও উপস্থিত ছিলেন না। সমাপনী অনুষ্ঠানের বদলে শেষ দিনটি শহর ঘুরে কেনাকাটাতেই কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দলটি।

সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ও এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ হকি দলের আয়োজকদের আটজন খেলোয়াড় পাঠাতে বলেছিলেন। কিন্তু সেই অনুরোধে সাড়া দেয়নি কেউ।

হকি দলের ম্যানেজার ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স অবশ্য এর পেছনে দূরত্বকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গিফুতে দলের আবাসন থেকে নাগোয়ার অনুষ্ঠানস্থলে যেতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে বলে জানান তিনি। সংবাদ মাধ্যমকে প্রিন্স বলেন, ‘বললেই তো এত সহজ নয়। আমরা গিফুতে আছি, আর অনুষ্ঠান হচ্ছে নাগোয়ায়। আমাদের জায়গা থেকে সেখানে যেতে তিন ঘণ্টার পথ।’

শনিবারই এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হকি অভিযান শেষ হয়েছে। সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে সপ্তম হয় বাংলাদেশ। এরপরই দলের ব্যস্ততা কিছুটা কমে আসে।

প্রিন্স বলেন, ‘আমাদের অভিযান গতকাল শেষ হয়েছে। ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, সময় পাইনি। তাই এখানে আমাদের শেষ দিন হওয়ায় শহর ঘুরে বেড়ানো এবং কিছু কেনাকাটা করার পরিকল্পনা করেছিলাম।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়েছিল বলে জানান হকি দলের এই কর্মকর্তা। তার দাবি, শনিবার রাতে তাদের বিষয়টি জানানো হয়।

আরিফুল বলেন, শনিবার রাতে তাদের সমাপনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে অবশ্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের আর্চারি দলের সদস্যদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সাইফ হাসান, লিটন দাসসহ অন্য ক্রীড়াবিদরা উপস্থিত ছিলেন। লিটন দাস বাংলাদেশের পতাকা বাহক ছিলেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ২০তম এশিয়ান গেমস। রবিবার নাগোয়ার পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে মহাদেশীয় এই ক্রীড়া আসরের।

সাংবাদিক এম শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যু, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক এম শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যু, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক

পত্রদূত ডেস্ক: এসএ টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক এম শাহীন গোলদারের মা নুরজাহান বেগম (৮০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব: মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার।

সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্র: মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, মায়ের মৃত্যু একজন সন্তানের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। নুরজাহান বেগমের মৃত্যুতে এম শাহীন গোলদার ও তার পরিবারের সদস্যদের যে শোক ও কষ্ট, তা কাটিয়ে ওঠার জন্য মহান আল্লাহ তাদের ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করুন।
বিবৃতিদাতারা হলেন, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক আহসান রাজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী, নির্বাহী সদস্য (অর্থ) এসএম বিপ্লব হোসেন, নির্বাহী সদস্য (দপ্তর) এসএম জিন্নাহ, শামীম পারভেজ (বৈশাখী টিভি), মোশারফ হোসেন (কালের কণ্ঠ), কৃষ্ণ ব্যানার্জি (প্রতিদিনের বাংলাদেশ ও নাগরিক টিভি), ইমতিয়াজ উদ্দীন (প্রথম আলো), আসাদুজ্জামান সরদার (বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউন), রাহাত রাজা (গ্লোবাল টিভি), মোজাহিদুল ইসলাম (যুগান্তর), হাবিবুর রহমান সোহাগ (স্বদেশ প্রতিদিন), রিজাউল করিম (দ্য এডিটরস), শহীদুজ্জামান শিমুল (রানার), নাজমুস সাহাদাৎ জাকির (খবরের কাগজ), ইব্রাহিম খলিল (ঢাকা পোস্ট), মিলন রুদ্র (টাইম টুডে/বাংলাদেশ বুলেটিন), মৃত্যুঞ্জয় রায় অপূর্ব (বার্তা২৪), আলী মুক্তাদা হৃদয় (হৃদয় বার্তা) ও তানজির কচি (বাংলানিউজ)।

কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাব: নুরজাহান বেগম (৮০) এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
সমবেদনা জ্ঞাপনকারীরা হলেন, সভাপতি এম আজাদ হোসেন, কার্যকরী সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম খান, সহ-সভাপতি দীপ্ত বাংলা’র সম্পাদক জি এম এমদাদ, সাধারণ সম্পাদক পলাশ কর্মকার, কোষাধ্যক্ষ জগদীশ দে, সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ মজুমদার, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস খান, প্রচার সম্পাদক জয় খান, নির্বাহী সদস্য অসীম রায়, আসাদুল মালী, জি এম রফিকুল ইসলাম, এম আজিজুর রহমান, আ: মজিদ গাজী প্রমুখ। বিবৃতিদাতারা মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

তালা প্রেসক্লাব: গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি কাজী আরিফুল হক ভুলু, আছাদুজ্জামান রাজু ও খলিলুর রহমান লিথু, সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন ও মো. খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মো. মুতাহিরুল হক শাহিন, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি, প্রচার সম্পাদক সেকেন্দার আবু জাফর বাবলু, উপ-প্রচার সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, সাহিত্য সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজমল হোসেন জুয়েল, ক্রীড়া সম্পাদক কাজী লিয়াকত হোসেন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রিয়াদ হোসেন।
এ ছাড়া তালা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য প্রণব ঘোষ বাবলু, রোকনুজ্জামান টিপু, কে এম শাহিনুর রহমান, এস এম নাহিদ হাছান, শিরিনা সুলতানা, জয়দেব চক্রবর্তী, আজিজুর রহমান ও মো. ইমরান হোসেন এবং সদস্য নূর ইসলাম, তপন চক্রবর্তী, সব্যসাচী মজুমদার বাপ্পী, সরদার মশিয়ার রহমান, আব্দুল্লাহ আল ফারুক (সাগর), মুকুল হোসেন, তাপস সরকার, এস. কে. রায়হান, সুমন রায় গণেশ, মীর ইমরান মাহমুদ হিল্লোল, তাজমুল ইসলাম, সৈয়দ মারুফ হোসেন, সন্তোষ ঘোষ, শেখ বিল্লাল হোসেন, মো. কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল-মামুন (সৈকত), রফিকুল ইসলাম নয়ন, শামীম হোসেন, মোস্তাফিজুল রহমান মোখলেস, খায়রুল আলম, সেলিম হোসেন, শাহিনুর ইসলাম ও হারুন অর রশিদ প্রমুখ।