মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

২০২৭ সালে স্বর্ণের দাম নিয়ে ওয়াল স্ট্রিট ও বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাসে কী আছে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
২০২৭ সালে স্বর্ণের দাম নিয়ে ওয়াল স্ট্রিট ও বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাসে কী আছে?

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম অব্যাহতভাবে বেড়ে চলায় সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের নজর এখন এই মূল্যবান ধাতুর দিকে। বাজার বিশ্লেষকদের পাশাপাশি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে বুলগেরিয়ার প্রয়াত অন্ধ জ্যোতিষী বাবা ভাঙ্গার এক কথিত বার্তা। দাবি করা হচ্ছে, ২০২৭ সালে বিশ্বজুড়ে চরম নগদ অর্থসংকট ও আর্থিক মন্দা দেখা দেবে, যার ফলে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমে যাবে এবং বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের দিকে ঝুঁকবেন।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া পোস্ট অনুযায়ী, এই বৈশ্বিক সংকটকালে স্বর্ণের দাম ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। ভারতভিত্তিক কয়েকটি অনলাইন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালে ভারতে প্রতি ১০ গ্রাম স্বর্ণের দাম হতে পারে ২ লাখ ৬২ হাজার থেকে ২ লাখ ৮২ হাজার রুপি (২,৭৩৩ থেকে ২,৯৪২ ডলার)। আরেকটি সংস্করণে এই দাম ২ লাখ ১০ হাজার রুপির কাছাকাছি হতে পারে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এগুলো কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পূর্বাভাস নয়। বুলগেরিয়ার এই রহস্যদর্শীর নামে প্রচারিত আনুমানিক হিসাব মাত্র। কারণ বাবা ভাঙ্গা নিজে কোনও লিখিত নথি রেখে যাননি; তার অধিকাংশ ভবিষ্যতবাণীই দ্বিতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে বা পরে প্রকাশিত বইয়ের মাধ্যমে সামনে এসেছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাগুলোও ২০২৭ সালের জন্য স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির আভাস দিয়েছে। জেপি মরগান গ্লোবাল রিসার্চ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ প্রান্তিকে স্বর্ণের গড় দাম দাঁড়াতে পারে আউন্স প্রতি ৬,০০০ ডলারে (প্রতি ১০ গ্রামে ২,১১৬.৪৪ ডলার বা ১,৮৪,৮৮৩ রুপি)। আর ২০২৭ সালের শেষের দিকে তা আরও বেড়ে আউন্স প্রতি ৬,৩০০ ডলার (প্রতি ১০ গ্রামে ২,২২২ ডলার বা ২,১৩,১২৫ রুপি) ছুঁতে পারে।

ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর চাহিদাকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ইউবিএস জানিয়েছে, ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে স্বর্ণের দাম আউন্স প্রতি ৫,০০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে এবং ডয়চে ব্যাংক ২০২৬ সালের শেষ প্রান্তিকের জন্য আউন্স প্রতি ৪,৬০০ ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ধরে রেখেছে।

১৯১১ সালে জন্ম নেওয়া ভাংগেলিয়া প্যান্ডেভা দিমিত্রোভা বা বাবা ভাঙ্গা ১২ বছর বয়সে এক টর্নেডোর কবলে পড়ে দৃষ্টিশক্তি হারান। ৯/১১ হামলা, চেরোনবিল দুর্ঘটনা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু, ২০০৪ সালের সুনামির মতো ঘটনার আগাম আভাস দেওয়ার জন্য তার সমর্থকরা দাবি করেন, তার ৮৫ শতাংশ ভবিষ্যতবাণীই সত্যি হয়েছে; যদিও এর কোনও স্বাধীন সত্যায়ন মেলেনি।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

Ads small one

একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

একবার নোবেল পুরস্কার পাওয়াই যেকোনো বিজ্ঞানী, লেখক বা গবেষকের জন্য জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবে গণ্য হয়। তবে মেধার এমন কিছু অনন্য ও বিস্ময়কর ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে একই ব্যক্তি বা সংস্থা একাধিকবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

নোবেল কমিটির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন ব্যক্তি এবং দুটি সংস্থা একাধিকবার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার নজিরবিহীন গৌরব অর্জন করেছেন।

দুইবার নোবেলজয়ী পাঁচ অনন্য বিজ্ঞানী ও ব্যক্তিত্বব্যক্তিগত যোগ্যতায় বিজ্ঞানের ভিন্ন ভিন্ন শাখায় বা একই শাখায় দুইবার নোবেল পেয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন পাঁচ কিংবদন্তি:

মারি ক্যুরি (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন)
ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দুইবার নোবেল জয়ের রেকর্ড গড়েন ফরাসি বিজ্ঞানী মারি ক্যুরি। ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে এবং ১৯১১ সালে বিশুদ্ধ রেডিয়াম পৃথকীকরণের জন্য এককভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। দুটি ভিন্ন বিজ্ঞান শাখায় নোবেল পাওয়ার এই অনন্য রেকর্ড আজ পর্যন্ত কেউ ভাঙতে পারেনি।

লিনাস পলিং (রসায়ন ও শান্তি)
মার্কিন রসায়নবিদ লিনাস পলিং ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি দুটি ভিন্ন বিভাগে এককভাবে (কারো সঙ্গে ভাগ না করে) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৫৪ সালে রাসায়নিক বন্ধনের প্রকৃতির ওপর গবেষণার জন্য তিনি রসায়নে নোবেল পান। পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬২ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

জন বারডিন
মার্কিন এই পদার্থবিজ্ঞানী ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি, যিনি একই বিভাগে (পদার্থবিজ্ঞান) দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য এবং ১৯৭২ সালে অতিপরিবাহিতা বা সুপারকন্ডাক্টিভিটির মৌলিক তত্ত্ব প্রমাণের জন্য তিনি দুইবারই পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পান।

ফ্রেডরিক সেঙ্গার
ব্রিটিশ প্রাণরসায়নবিদ ফ্রেডরিক সেঙ্গার রসায়ন শাস্ত্রে দুইবার নোবেল জয়ের বিরল কৃতিত্ব দেখান। ১৯৫৮ সালে ইনসুলিনের গঠন আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথমবার রসায়নে নোবেল পান। এরপর ১৯৮০ সালে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং বা নিউক্লিক অ্যাসিডের বেস সিকোয়েন্স নির্ধারণের পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য দ্বিতীয়বার রসায়নে নোবেল লাভ করেন।

ব্যারি শার্পলেস
তালিকার সর্বশেষ সংযোজন মার্কিন রসায়নবিদ কে. ব্যারি শার্পলেস। ২০০১ সালে চিরল অনুঘটক জারণ বিক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথম রসায়নে নোবেল পান। এর দীর্ঘ ২১ বছর পর, ২০২২ সালে ‘ক্লিক কেমিস্ট্রি’ এবং বায়োঅর্থোগোনাল রসায়নের অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

ব্যক্তিগত রেকর্ডের বাইরে বৈশ্বিক মানবিক সংকটে অবদানের জন্য দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থাকে একাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে:

রেড ক্রস
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি নোবেল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৩ বার (১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে) বিশ্ব শান্তিতে অনন্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সেবায় নিয়োজিত থাকার কারণে সংস্থাটিকে এই সম্মান দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার
বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সংস্থাটি দুইবার (১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
সূত্র: বিএসএস

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে ভারতকে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে । প্রীতি ম্যাচে আজ তারা গুনে গুনে ৬বার বল জড়িয়েছে ভারতের জালে। শেষ পর্যন্ত লাতিন আমেরিকার শক্তিশালী দেশটি ৬-১ গোলে হারিয়েছে ভারতকে। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণভাবে লড়াই করেছে স্বাগতিক শিবির। এই সময়ে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জালে একবার বলও পাঠিয়েছে তারা। দুর্দান্ত লড়াই করে ভারত প্রথমার্ধে ২-১ গোলে পিছিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই হাফ-ডজন গোল হজম করে বসে স্বাগতিক শিবির।

পানামা ম্যাচে ড্র এবং ব্রাজিল ম্যাচের লড়াকু ফলাফল ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের উরুগুয়ে ম্যাচে ভালো ফলের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেই স্বপ্ন বাস্তবের রূপ নিল না। বরং বড় হারের লজ্জায় তা রুক্ষ মাটিতে আছড়ে পড়ল।

তবে চেষ্টার কোনও কমতি ছিল না। লড়াই করার মানসিকতাও প্রশংসনীয়। ৯০ মিনিট মাঠে নিজেদের নিংড়ে দিয়েছেন মনবীর, আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপা। কিন্তু দিনের শেষে দুই দলের মধ্যে দক্ষতার ফারাক যে আকাশ-পাতাল। সেই ফারাক চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আজকের যুবভারতী।

ম্যাচের প্রথমার্ধে অনিরুদ্ধ থাপা ইতিহাস গড়ে একটি গোল করলেন বটে। কিন্তু শেষমেশ ৬-১ গোলের বড় পরাজয়ই সঙ্গী হলো স্বাগতিক ভারতের।

‘তন্দ্রাবিলাস’-এ শরতের আমেজ খুঁজলেন পরীমণি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
‘তন্দ্রাবিলাস’-এ শরতের আমেজ খুঁজলেন পরীমণি

শরৎ এলেই কাশফুল আর নীল আকাশের টানে অনেকেই ছুটে যান কাশবনে। এবার সেই সুযোগ হয়নি চিত্রনায়িকা পরীমণির। তবে শরতের আবহ থেকে নিজেকে দূরে রাখেননি তিনি। নীল শাড়ি পরে হাতে নিয়েছেন হুমায়ূন আহমেদের বই ‘তন্দ্রাবিলাস’।

মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর ফেসবুকে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন পরীমণি। ছবিতে তাকে দেখা গেছে নীল রঙের শাড়িতে। চুল খোঁপা করে, কানে দুল আর মুখে মৃদু হাসি নিয়ে ক্যামেরার সামনে হাজির হয়েছেন তিনি।

একটি ছবিতে ‘তন্দ্রাবিলাস’ বইটি বুকে জড়িয়ে রেখেছেন পরীমণি। অন্য ছবিতে বইয়ের পাতা উল্টাতে দেখা গেছে তাকে। নীল শাড়ি, সাদামাটা সাজ আর বই হাতে তার উপস্থিতি ভক্তদের নজর কেড়েছে।

ছবিগুলোর সঙ্গে নিজের অনুভূতিও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘না হলো যাওয়া আর কাশবনে, না হলো দেখা শরতের আকাশ। উপায় হলো এই তন্দ্রাবিলাস।’

পরীমণির পোস্টের পর তার ভক্ত-অনুরাগীরা নানা মন্তব্য করেছেন। নীল শাড়িতে অভিনেত্রীর সাজের প্রশংসার পাশাপাশি তার ক্যাপশন নিয়েও মন্তব্য করেছেন অনেকে।

দেব দুলাল দত্ত নামে একজন লিখেছেন, ‘পরীর আবার আকাশ বাতাস কী… পরীর সব ই আকাশ, সব ই বাতাস…!’

ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘কাশবনে তোমার দেখা না মিললেও, এই লেখার ভাঁজে যেন তোমাকেই খুঁজে পেলাম। শরতের আকাশ যতটা নীল, তোমার মায়ায় হারিয়ে যাওয়ার অনুভূতিটা তার চেয়েও গভীর।’

আর মিনার হোসাইন লিখেছেন, ‘এমনিতেই যা সুন্দরী তার উপর আবার নীল শাড়ি পোলাপান তো পাগল হয়ে যাবে।’