মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু, উপকারভোগী হবেন ৪০ লাখ নারী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
জেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু, উপকারভোগী হবেন ৪০ লাখ নারী

Oplus_131072

পত্রদূত ডেস্ক: নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইন ডেটাবেইস তৈরি করা হবে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সোমবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্তসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Oplus_131072

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সরাসরি ভাতা বাবদ ব্যয় করা হবে। ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় পিএমটি (প্রক্সি মিন্স টেস্ট) স্কোরের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। তথ্য সংগ্রহের জন্য দেশব্যাপী ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইসে যুক্ত করবেন। ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি সংবলিত এই কার্ডের মাধ্যমে কার্ডধারীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতার টাকা তুলতে পারবেন।

 


জেলা সদর ছাড়াও সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ঘিরে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালা: তালা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ হাজিরা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, কামরুল ইসলাম লাল্টু, সমাজসেবা কার্যালয়ের তৌফিক ইমরান, তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দার ফারুক হোসেন, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রায়হান, তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর হোসেন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মারুফ উল ইসলাম ও সাংবাদিক মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আশাশুনি: আশাশুনিতে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। তিনি জানান, আশাশুনি উপজেলার মোট ৭৬ হাজার ৮৯২টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কাজে ১১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত থাকবেন। ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্তিতে কোনো অনৈতিক লেনদেন বা প্রতারণার ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, কমপক্ষে পাঁচটি ধাপে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত উপযুক্ত পরিবারকে কার্ড দেওয়া হবে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স. ম. হেদায়েতুল ইসলাম, সদস্যসচিব মশিউল হুদা তুহিন, জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল আবছার মুর্তজা, জেলা ও স্থানীয় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে ১১ জন সুপারভাইজারের হাতে তথ্য সংগ্রহের ট্যাব তুলে দেওয়া হয়।

 


কলারোয়া: কলারোয়া উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঠিক ডেটাবেইস তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরেন। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরে আলম নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন। এতে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

oplus_0

দেবহাটা: দেবহাটা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহার সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেবহাটা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আল আমিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস, সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, হাজী কেয়ামুদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম ও স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার সাথে তথ্য সংগ্রহের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

Ads small one

তালায় দুর্গোৎসবের আমেজ, নিরাপত্তায় সজাগ প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
তালায় দুর্গোৎসবের আমেজ, নিরাপত্তায় সজাগ প্রশাসন

তালা প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে তালা উপজেলাজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতিমায় রংতুলির শেষ আঁচড়, ম-পে সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজক ও প্রতিমাশিল্পীরা। উপজেলায় এবার ১২টি ইউনিয়নে মোট ২০২টি পূজাম-পে দুর্গোৎসব উদ্যাপনের প্রস্তুতি চলছে।

উপজেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্ট সূত্রে জানা গেছে, পাটকেলঘাটা থানার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নে ৮৭টি এবং তালা থানার আওতাধীন সাতটি ইউনিয়নে ১১৫টি পূজাম-প রয়েছে। উৎসব নির্বিঘœ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রতিটি ম-পে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পুলিশি টহল এবং আনসার ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েনের ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমাশিল্পী বিশ্বজিৎ কুমার ম-ল ও পুরোহিত তপন হালদার জানান, ম-পগুলোতে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। তালা থানার এসআই (ওসির চার্জ) মহাসীন আলী, পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোফাজ্জেল হোসেন এবং তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা জানান, পূজা চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরোপুরি সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

সাতক্ষীরায় ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একব্যক্তির মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একব্যক্তির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নুরুজ্জামান গাজী (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত শামছুদ্দিন গাজীর (নূরী) ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর দেবনগর গ্রামের রফিকুল মোল্লার বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে ট্রান্সফর্মারের ঢাকনা খোলার পর ভিতরকার জিনিসপত্র মাথায় পড়ে ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারাত্মক জখম হন নুরুজ্জামান। পরে চোর চক্রটি একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসে। সোমবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। চুরির ওই ঘটনায় রফিকুল মোল্লা থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, ঘটনার রাতে নুরুজ্জামানসহ অন্যরা ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে হাইভোল্টেজ তারের সংস্পর্শে আসেন। পুলিশের ঝামেলার ভয়ে তাঁকে কোনো সরকারি হাসপাতালে না নিয়ে বাড়িতে রেখে গোপনে চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়। পরে সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যুর খবর জানাজানি হলে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঝাউডাঙা অফিসের এজিএম মোছা. মারিয়া ছিদ্দিকা জুঁই জানান, উত্তর দেবনগরের রফিকুল মোল্লার ট্রান্সফর্মার চুরির ঘটনায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। নুরুজ্জামান ওই ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়েই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

 

সম্পাদকীয়/চাল ও ডিমের বাজার: নি¤œআয়ের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/চাল ও ডিমের বাজার: নি¤œআয়ের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

নিত্যপণ্যের লাগাতার ঊর্ধ্বগতিতে দেশের সাধারণ ও নি¤œআয়ের মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে চাল, ডাল, তেল, সবজির পাশাপাশি ডিম ও মাংসের মতো আমিজাতীয় খাদ্যের দাম যেভাবে নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, তাতে সাধারণ মানুষের সংসার চালানো এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একদিকে কর্মসংস্থানের সংকোচন এবং আয়ের স্থবিরতা, অন্যদিকে লাগামহীন ব্যয়Ñএই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে অসংখ্য মানুষ ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ছেন। সামান্য সঞ্চয়ের সুযোগ তো দূরের কথা, দৈনিক প্রয়োজন মেটাতেই এখন হিমশিম খাচ্ছে বেশিরভাগ পরিবার।
সাম্প্রতিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে চাল ও পেঁয়াজের দাম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। মিনিকেট ও নাজিরশাইলের মতো সরু ও মাঝারি চালের দাম কেজিতে দুই থেকে চার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। একইভাবে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়ে পৌঁছেছে দেড়শ টাকার ওপরে। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি তেলের মূল্য এবং ধানের চড়া দামের কথা বলা হলেও, পাইকারি ও খুচরা বাজারের এই ফারাক ও অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। উৎপাদন থেকে শুরু করে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত বিপণন প্রক্রিয়ায় তদারকি ও জবাবদিহির অভাব না থাকলে পণ্যের এই কৃত্রিম বা অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব নয়।

বাজার ব্যবস্থাপনার এই অস্থিরতা জনজীবনে গভীর সংকট তৈরি করেছে। শুধু অজুহাত দিয়ে পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা বন্ধ করতে হলে বাজার মনিটরিং আরও কঠোর করতে হবে। সরবরাহ চেইনে কোনো সিন্ডিকেট বা অনিয়ম কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চাপ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও বেশি বিপন্ন করে তুলবে, যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।