শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

দেবহাটায় নিহত ওয়াহেদুজ্জামানের লাশ পুলিশের উপস্থিতিতে দাফন, চলছে মামলার প্রস্তুতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় নিহত ওয়াহেদুজ্জামানের লাশ পুলিশের উপস্থিতিতে দাফন, চলছে মামলার প্রস্তুতি

পত্রদূত ডেস্ক: অবশেষে পুলিশের উপস্থিতিতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গণপিটুনিতে নিহত ওয়াহেদুজ্জামান এর লাশ তার পারিবারিক কবরস্থান সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের বড়শান্তা গ্রামে দাফন করা হয়েছে। এরপর থেকে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

বড়শান্তা গ্রামের মৃত সামছুদ্দিন সানার ছেলে তাহসিভ রহমান সাগর জানান, বুধবার বিকেলে পুলিশের আপত্তির কারণে তারা ভাই ওয়াহেদুজ্জামান এর লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে বাড়িতে আনতে পারেননি। মব সৃষ্টিকারিরা কবর খোঁড়া, জানাজা পড়তে ও লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে অবস্থান নিয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। রাতে তাদেরকে লাশ নিতে বলা হয়। একপর্যায়ে রাত সোয়া আটটার দিকে দেবহাটা থানা থেকে লাশ বুঝে পান তারা।

 

পরে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম শাহীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বৃহৎ টিম ও ডিবি পুলিশের একটি টিমের উপস্থিতিতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বাড়ির উঠানে বুধবার রাত ৯টায় ভাইয়ের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে পারবিারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। ওয়াহেদুজ্জামানের সাত মাসের শিশু আরহাম ও স্বপ্নীল কেজি স্কুলে পড়াশুনারত আট বছরের মেয়ে আইয়ামিকে বাঁচিয়ে রাখতে তাদের বাবার হত্যার ন্যয় বিচারের কথা ভেবে তারা অবশ্যই মামলা করবেন।

দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম শাহীন জানান, ওয়াহেদুজ্জামানের লাশ দাফনের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

প্রসঙ্গত, মহানবীকে কটুক্তি সংক্রান্ত ওয়াহেদুজ্জামেনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার সন্ধ্যার দিকে ফজলুল হক আমিনীর নেতৃত্বে একদল তৌহিদী জনতার নামে ওয়াহেদুজ্জামানের বাড়ি ভাংচুর করে তাকে মারতে মারতে সুবর্ণাবাদ বাজারে জামায়াত অফিসের সামনে নিয়ে আসে। সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যেয়ে ঘরে ঢুকে সে বিষপান করে। রাতে তাকে কুলিয়ার ডাঃ এমএ সবুরের চেম্বারে নিয়ে যেয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

 

পরদিন মঙ্গলবার সে সুস্থ হলে সন্ধ্যায় ফজলুল হক আমিনীর নেতৃত্বে ডাঃ সবুরের ক্লিনিক থেকে বের করে বাজারে গণপিটুনি দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশষ তাকে উদ্ধার করে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। রাত ১০টার দিকে ফজলুল হক আমিনীর নেতৃত্বে তিন শতাধিক লোক তৌহিদী জনতার ব্যানারে হাসপাতালের পিছনের দরজা ভেঙে ঢুকে চিকিৎসাধীন ওয়াহেদুজ্জামানকে আছাড় মেরে ও এলোপাতাড়ি নির্যাতন করে মৃত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

 

রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দীপঙ্কর ম-ল মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপরর তার লাশ দাফনের জন্য কবর খোঁড়া, জানাজা না পড়ার জন্য ওই মহলটি হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। ওয়াহেদুজ্জামান একজন মানসিক রোগী ছিল বলে পরিবারের দাবি।

Ads small one

সাতক্ষীরায় মাছ চুরি সন্দেহে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যা, ১০ জনের নামে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মাছ চুরি সন্দেহে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যা, ১০ জনের নামে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জিয়ালা এলাকায় ঘেরে মাছ চুরির সন্দেহে ক্ষিতিশ মন্ডল (৫৩) নামের এক মাছ চাষীকে গাছে বেঁধে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার নিহতের স্ত্রী সুলেখা মন্ডল বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামী করে তালা থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। এদিন ভোর রাতে জিয়ালা গ্রামের উত্তর খোলা বিলে ক্ষিতিশ মন্ডলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত হয়। বেলা ১২ টার দিকে তালা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার ।

নিহত ক্ষিতিশ মন্ডল তালা সদরের জেয়ালা গ্রামের মৃত মনিন্দ্র নাথ মন্ডলের ছেলে। তিনি নিজেও একজন ঘের ব্যবসায়ী ছিলেন।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে জেয়ালা উত্তরখোলা বিলে বিশ্বনাথ ঘোষের মাছের ঘেরে চুরি সন্দেহে ক্ষিতিশ মন্ডলকে আটক করা হয়। আটকের পর স্থানীয় বিশ্বনাথ ঘোষ, শিমুল ঘোষ, সমর ঘোষ, ইব্রাহিম খাঁ, হাবিবুর গাজী, গফফার শেখসহ ১০-১৫ জন তাকে জেয়ালা শ্মশান ঘাট এলাকায় নিয়ে গাছে বেঁধে নির্মম নির্যাতন চালায়। নির্যাতনকারীরা তার হাত-পা ভেঙে দেয়, মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায় এবং চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করে। ভোর পর্যন্ত তার ওপর এই বর্বর নির্যাতন চালানো হয়।

শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ১২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহতের চাচাতো ভাই পার্থ মন্ডল বলেন, আমার চাচাতো ভাই ক্ষিতিশ মন্ডলের নিজেরই চার বিঘা জমির মাছের ঘের রয়েছে। চুরি সন্দেহে একটা মানুষকে রাতভর এভাবে গাছে বেঁধে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মেরে ফেলবে? আমরা এই নৃশংস হত্যাকান্ডের ন্যায়বিচার চাই।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাছ চুরির অপবাদে পিটিয়ে ক্ষিতিশ মন্ডলকে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের ব্যবস্থা করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

সাতক্ষীরা পৃথক অভিযানে দুই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা পৃথক অভিযানে দুই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর ও তালায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দুটি বাল্যবিবাহ সফলভাবে প্রতিরোধ করেছে প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। এর মধ্যে একটি ঘটনায় বরের পিতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদরের বাঁকাল এলাকায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে তৎপর হয় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহারের নির্দেশে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের ফিল্ড সুপারভাইজার আজিবর রহমান, করবী সুলতানা এবং প্রশিক্ষক তাসরিনা খাতুন ঘটনাস্থলে যান। তাদের সঙ্গে সদর থানা পুলিশের একটি দলও উপস্থিত হয়।

পুলিশ ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বর পালিয়ে যায়। পরে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের নির্দেশে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপপরিচালক নাজমুন নাহার ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় মেয়ের চাচার বাড়িতে বরের পিতা ও উভয় পক্ষের আত্মীয়স্বজনকে পাওয়া যায়।

বাল্যবিবাহের আয়োজন করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের বরের পিতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে মুচলেকা দিয়ে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ ছাড়া মেয়ের পিতা ও চাচার কাছ থেকেও মুচলেকা নেওয়া হয় এবং মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

অপরদিকে, একই দিনে তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নে আরেকটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর তালার কিশোর-কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটার প্রসেনজিৎ ঘোষ ও প্রশিক্ষক রাজিবুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের খবর পেয়ে বরের গাড়ি মাঝপথ থেকে ফিরে যায়। পরে মেয়ের পিতার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় এবং বিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

 

কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও পছন্দের পণ্য গুড়পুকুর মেলায় নারীদের অভিজ্ঞতা 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও পছন্দের পণ্য গুড়পুকুর মেলায় নারীদের অভিজ্ঞতা 

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস : শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলায় বেড়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছিল মানুষের সরব উপস্থিতি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিমা দর্শনে আসা মানুষও ঘুরে দেখছেন গুড়পুকুর মেলা। এতে মেলার প্রাণচাঞ্চল্য বাড়ার পাশাপাশি বেচাকেনায় গতি ফিরছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মেলার মাঠজুড়ে সাজানো হয়েছে নানা ধরনের পণ্যের পসরা। পোশাক, প্রসাধনী, গৃহস্থালির সামগ্রী, শিশুদের খেলনা ও বাহারি সাজসজ্জার পণ্যের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা দেখা গেছে। বিশেষ করে নারীরা পছন্দের পণ্য বেছে নিতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছেন। কেউ প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনছেন, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলা ঘুরে উপভোগ করছেন উৎসবের আনন্দ।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা দর্শনার্থীদের উপস্থিতি মেলায় বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে গুড়পুকুর মেলায় আসছেন। কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও পছন্দের খাবার উপভোগের মধ্য দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন তাঁরা। এতে মেলায় দর্শনার্থীদের সমাগম বাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দোকানে বিক্রিও বাড়ছে।

মেলায় কেনাকাটা করতে আসা তালা উপজেলার জেয়ালা এলাকার কাকুলী ঘোষ বলেন, “গুড়পুকুর মেলায় এসে বেশ ভালো লাগছে। বিভিন্ন দোকানে ঘুরে পছন্দের জিনিস দেখেছি এবং কিছু প্রসাধনী কিনেছি। দামও সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। সব মিলিয়ে কেনাকাটা করে আমি খুশি।”
খুলনার ডুমুরিয়া এলাকা থেকে আসা অরণ্য সাবিহা বলেন, “মেলায় অনেক ধরনের পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। ঘুরে ঘুরে পছন্দের কিছু পোশাক ও সাজসজ্জার সামগ্রী কিনেছি। দাম মোটামুটি সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। পরিবারের সঙ্গে মেলায় ঘোরাঘুরি ও কেনাকাটা দুটিই উপভোগ করছি।”

আশাশুনির মানিকখালি এলাকা থেকে আসা বীথি রানী বলেন, “মেলায় এসে বিভিন্ন ধরনের গৃহস্থালির সামগ্রী দেখেছি। প্রয়োজন অনুযায়ী পছন্দের কিছু জিনিস কিনেছি। দাম সাধ্যের মধ্যে থাকায় কেনাকাটা করতে সুবিধা হয়েছে। সব মিলিয়ে মেলায় এসে ভালো সময় কাটিয়েছি।”
এদিকে মেলায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে। ভিড়ের মধ্যে যাতে দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারেন, সে জন্য নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়লেও সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ভালো রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলাকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের আগ্রহও চোখে পড়ার মতো। দুর্গাপূজার আনন্দ, পরিবারের সঙ্গে ঘোরাঘুরি এবং পছন্দের পণ্য কেনার সুযোগ সব মিলিয়ে মেলাটি হয়ে উঠেছে মানুষের মিলনমেলা। দর্শনার্থীদের বাড়তি উপস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।