বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আইপি ইমপোর্ট পারমিট বাতিল: বেনাপোল বন্দর দিযে ভারতীয় ইলিশ আমদানি বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
আইপি ইমপোর্ট পারমিট বাতিল: বেনাপোল বন্দর দিযে ভারতীয় ইলিশ আমদানি বন্ধ

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): আইপি বা এনওসি ইমপোর্ট পারমিট বাতিল করায় বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভারতীয় ইলিশ আমদানি বানিজ্য বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে গতকাল থেকে ভারতীয় কোন ইলিশের চালান বাংলাদেশে আসেনি বলে নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দর মৎস্য পরিদর্শক আস ওয়াদুল আলম।

মৎস্য কর্মকর্তা জানান. মঙ্গলবার বংলাদেশ মৎস্য অধিদফতর ইলিশ আমদানির ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। ফলে ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে।

মৎস্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই ভারত থেকে ইলিশ আমদানির প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ভারতীয কর্তৃপক্ষ ইলিশ রফতানিতে কোন নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। তবে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদফতরের একটি চিঠিতে অনেকগুলো অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে ইলিশ আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে অন্য সাদা মাছ আমদানি সচল থাকবে বলে জানান তিনি।

ইলিশ আমতানির সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ করায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

 

 

 

 

Ads small one

বেড়িবাঁধ সুরক্ষায় সচেতন হচ্ছেন সাতক্ষীরার উপকূলীয় নারীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বেড়িবাঁধ সুরক্ষায় সচেতন হচ্ছেন সাতক্ষীরার উপকূলীয় নারীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার উপকূলীয় জনপদ শ্যামনগর ও আশাশুনি। যা বারবার জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। সেখানে এখন পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। দুর্যোগের পূর্বমুহূর্তে কেবল ত্রাণের জন্য অপেক্ষা না করে, নিজেদের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় এবার সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন স্থানীয় নারীরা।

এর সর্বশেষ উদাহরণ দেখা গেল গভীর নিম্নচাপের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্য ও ঝোড়ো হাওয়ার ফলে সাগর উত্তাল থাকার সতর্কবার্তা পাওয়ার পর আশাশুনির আনুলিয়া, প্রতাপনগর ও শ্যামনগরের পদ্মপুকুর, গাবুরা ইউনিয়নের নারী বাঁধ সুরক্ষা দলের সদস্যরা সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিন-এর কাছে উপকূলের বেড়িবাঁধ সম্পর্কিত সরেজমিন পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নারী বাঁধ সুরক্ষা দলের নেতৃবৃন্দ বেড়িবাঁধ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদ্বয়ের কাছে জমা দেন। নারী বাঁধ সুরক্ষা দলের প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণে দেখা যায়, এটি কোনো গতানুগতিক আবেদনপত্র নয়, বরং একটি পেশাদার ও তথ্যসমৃদ্ধ পর্যবেক্ষণ।

গভীর নিম্নচাপের সতর্কবার্তা পাওয়ার পর গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নারী বাঁধ সুরক্ষা দলগুলো মাঠে নামে। তারা সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের শ্রীপুর, হাওলাদারবাড়ি, মাদারবাড়ি, আদর্শগ্রাম, কল্যাণপুর ও আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট, একসরা, কাকবাসিয়া এবং শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনীমুখা, ডুমুরিয়া, চকবারা, ৯নং সোরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের কামালকাঠি, খুটিকাটা, পাখিমারা, ঝাঁপা, পদ্মপুকুর গ্রামের বেড়িবাঁধের অতি-ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। কেবল পরিদর্শনই নয়, তারা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের সাথে জরুরি বৈঠক করে মাঠের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন।

নারী বাঁধ সুরক্ষা দলগুলোর বেড়িবাঁধ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনটি গ্রহনকালে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, ‘উপকূলের নারীরা এখন দুর্যোগের ঝুঁকি বিশ্লেষণ করতে এবং তা নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম হচ্ছে। এটি তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির দৃষ্টান্ত।’
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া বলেন, ‘স্থানীয় নারীরা নিজেদের এলাকার বেড়িবাঁধের দুর্বল জায়গা সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জানেন। তাদের দেওয়া তথ্য নির্ভুল হলে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে আমাদের সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের উপকূলীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নারীদের অংশগ্রহণ মূলত আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান বা প্রাথমিক প্রস্তুতি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। তবে, সুইডেন দূতাবাস ঢাকা এবং ইউএন উইমেন এর সহায়তায় ‘বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন’-এর বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প এই ধারায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। প্রকল্পের আওতায় গঠিত নারী বাঁধ সুরক্ষা দল বা (ইপিজি) এখন উপকূলের বেড়িবাঁধ সুরক্ষায় মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।

গাবুরায় ভূমি অফিসের নাম ভাঙিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
গাবুরায় ভূমি অফিসের নাম ভাঙিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে মানববন্ধন

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নাম ব্যবহার করে বসতভিটার কাগজপত্র ঠিক করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ আদায়ের অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায়, গাবুরা লক্ষীখালী হাফিজিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এলাকাবাসীরা জানায়, গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে গাবুরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীখালী এলাকার মো. হেলাল উদ্দিন, মো. আলামিন গাজী, মোছা. ফিরোজা ও মোছা. ফাহিমাসহ অনেকের কাছ থেকে কাগজপত্র সংশোধনের কথা বলে টাকা নেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ভূমি অফিসের বিভিন্ন জটিল কাজ দ্রুত সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে জনপ্রতি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন আব্দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তি। তিনি গাবুরা চকবারা এলাকার হযরত আলীর ছেলে। এভাবে এলাকাটির প্রায় ৫০ জন বাসিন্দার কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়েছে বলে দাবি করছেন তারা।

মিথ্যা আশ্বাসে টাকা আদায়ের এ ঘটনায় গাবুরা ইউনিয়নজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তবে অর্থ লেনদেনের কোনো লিখিত রসিদ বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেননি অভিযোগকারীরা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ সব দাবি অস্বীকার করে বলেন, “আমার সঙ্গে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল গনি উপস্থিত ছিলেন। আমি কোনোভাবেই কারও কাছ থেকে টাকা আদায় করিনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

এ বিষয়ে গাবুরা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল গনির কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “আব্দুল্লাহকে আমি সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলাম। তবে আমার জানামতে সে কোথাও থেকে কোনো টাকা আদায় করেনি।”

অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, ভূমি অফিসের মতো একটি স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা উদঘাটনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

কালিগঞ্জে সুমাইয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে রিমা- শেষে আদালতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে সুমাইয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে রিমা- শেষে আদালতে

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও কাশিবাটি গ্রামের এনামুল হকের মেয়ে ফারজানা সুলতানা হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সুমাইয়াকে মব সৃষ্টির মাধ্যমে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নূর ইসলাম ও আরিফকে এক দিনের রিমা- শেষে সোমবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় মর্মে গত সোমবার সাতক্ষীরার প্রেসক্লাবের একাংশের অস্থায়ী কার্যালয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তাসহ একটি মহলের বিরুদ্ধে সংবাদ সস্মেলন করেন ফারজানা হত্যা মামলার বাদি নাজমা বেগম। একইভাবে সুমাইয়া হত্যা মামলার বাদি আমিরুল ইসলাম বুধবার একইস্থানে সংবাদ সম্মেলন করে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষদের হয়রানি করার অভিযোগ এনেছেন।

ঘটনা ও মামলার বিবরণে জানা যায়, কাশিবাটি গ্রামের একরামুল হকের মেয়ে কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ফারজানা সুলতানা গত ২০ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ে এসে বাড়ি ফেরেনি। রাত সাতটার দিকে ফারজানার হাত ও পা বাঁধা লাশ একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের ঘরের দেয়াল আলমারির ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে আমিরুলের স্ত্রী সুমাইয়াকে ইট দিয়ে থেঁতলে হত্যা করা হয়।

ফারজানা হত্যার ঘটনায় তার মা নাজমা খাতুন বাদি হয়ে লতিফ শেখের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাম উল্লেখ করে ২২ জুলাই থানায় মামলা করেন। ২৩ জুলাই ভোরে পুলিশ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে। করানো হয়েছে তার ডিএনএ টেষ্ট।
এদিকে সুমাইয়া হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা লতিফ শেখ বাদি হয়ে গত ২৬ জুলাই হামিদুল মোড়ল, হুসাইন খানসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা (সিআর-৬২১/২৬ কালিঃ) করেন। মামলার অগ্রবর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ১৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন সাতক্ষীরা আমলী-২ আদালতের বিচারক নূসরত জাহান।

 

২৫ জুলাই রাতে নিহত সুমাইয়ার স্বামী আমিরুল বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা (জিআর-১৬৮/২৬ কালিঃ) দায়ের করেন। মামলার সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে গত ১১ সেপ্টেম্বর উপপরিদর্শক মল্লিক মনিরুজ্জামান নূর ইসলাম মীর ও আরিফকে গ্রেপ্তার করে। ১৪ সেপ্টেম্বর তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিন করে রিমা- আবেদন জানানো হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর তাদের একদিন করে রিমা- মঞ্জুর করা হয়।

 

২১ সেপ্টেম্বর তাদেরকে রিমা- শেষে আদালতে পাঠানো হয়। ওই দিন আদালতের কাঠগোড়ায় উঠে সুমাইয়ার স্বামী আমিরুল আদালতে এফিডেফিট দিয়ে নূর ইসলাম ও আরিফ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় এবং যেসব নামের তালিকা তিনি তদন্তকারি কর্মকর্তাকে দিয়েছেন তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলে দাবি করলেও আদালত তা আমলে নেননি। বুধবার আবারো নূর ইসলাম ও আরিফের জামিন আবেদন জানালে আদালত তা না’মঞ্জুর করেন। বুধবার দুপুরে আমিরুল ইসলাম সাতক্ষীরার একাংশের সাংবাদিকদের অস্থায়ী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

নাজমা খাতুন গত রবিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সুমাইয়াকে হত্যা করেছে ক্ষুব্ধ জনগন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকার পরও তার পরিবারের সদস্যসহ নিরীহ লোকজনদের পুলিশ ও একটি বিশেষ মহল হয়রানি করছে।