বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

ইউরোপে তাপপ্রবাহে ১০ হাজারের বেশি মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
ইউরোপে তাপপ্রবাহে ১০ হাজারের বেশি মৃত্যু

ইউরোপজুড়ে গত জুনের শেষ সপ্তাহে আঘাত হানা ভয়াবহ তাপপ্রবাহে ১০ হাজারের বেশি মানুষের অতিরিক্ত মৃত্যু হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে ইউরোপীয় রোগ প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় পরিচালিত মৃত্যুহার পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক।
প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, জুনের ২২ থেকে ২৮ তারিখের মধ্যে অতিরিক্ত মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৬৫০ জনের। এর মধ্যে ৯ হাজারেরও বেশি ছিলেন ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরের এই সময়ে এত বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু অত্যন্ত অস্বাভাবিক এবং এর প্রধান কারণ ছিল তীব্র তাপপ্রবাহ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত গরমে শরীরে তাপঘাত, পানিশূন্যতা এবং হৃদ্‌রোগ ও শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা বেড়ে যায়। বিশেষ করে প্রবীণ, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ও শিশুদের জন্য এই পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

বিজ্ঞানীদের ভাষ্য, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপে তাপপ্রবাহের মাত্রা ও স্থায়িত্ব ক্রমেই বাড়ছে। তারা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তন না হলে এ ধরনের ভয়াবহ তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা খুবই কম ছিল।

তীব্র গরমে ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে, বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে এবং কয়েকটি দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ফ্রান্স ও বেলজিয়ামে মৃত্যুহার ছিল সবচেয়ে বেশি। বেলজিয়ামে গত পঁচিশ বছরের মধ্যে কোনো তাপপ্রবাহে এটিই সর্বোচ্চ অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা।

এদিকে পৃথক এক গবেষণায় দেখা গেছে, মে ও জুন মাসের তাপপ্রবাহে শুধু ইংল্যান্ড ও ওয়েলসেই প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গবেষকদের মতে, এর উল্লেখযোগ্য অংশের জন্য দায়ী বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এমন প্রাণহানির ঘটনা আরও বাড়তে পারে।

Ads small one

বিডিএফ প্রেসক্লাবে দ্য এডিটর’স এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
বিডিএফ প্রেসক্লাবে দ্য এডিটর’স এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত মাল্টিমিডিয়া নিউজ পোর্টাল দ্য এডিটর’স এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৮ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) রাত ৭ টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারে অবস্থিত বিডিএফ প্রেসক্লাবের সভাপতি জি.এম আমিনুল হকের সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি মুকুল হোসেনের সঞ্চালনায় কেক কাটা ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর ইসলামি সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এবং সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ইসলামিক ইতিহাস এবং সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান শেখ আব্দুল ওয়াদুত, সাতক্ষীরা সদর থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মো.খোরশেদ আলম, ৮নং ধুলিহর ইউনিয়নের সম্ভাব্য বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাকদির আহসান রুবেল, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এম.এ হাসান, ডিবি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল ইসলাম (দুলু), শুপারিঘাটা পুলিশ ক্যাম্পের আইসি মো.হাবিবুর রহমান, ইসলামি বক্তা মাওলানা মনিরুল ইসলাম (ফারুকী), বিডিএফ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন (বাবু), সেক্রেটারি মোঃ আরশাদ আলী, অর্থ সম্পাদক শরিফুল আলম (রানা), সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম রেজা, দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসেন, আঞ্চলিক প্রিন্ট পত্রিকার সাংবাদিক মোস্তাকীম হোসাইন, মো.শাহাদাত হোসেন (রাজ), রুহুল কুদ্দুছ, জাহিদ হাসান, ব্রহ্মরাজপুর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো.সাইফুল্লাহসহ আরো অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

‎আলোচনা সভায় সকল বক্তারা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষীয় মাল্টিমিডিয়া নিউজ পোর্টাল দ্য এডিটর’স এর উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। ‎সমগ্র অনুষ্ঠানটি সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন দ্য এডিটর’স এর নিজস্ব প্রতিনিধি মেহেদী হাসান শিমুল।

দেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পুকুর ও জলাশয়ে প্রায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে এ মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার মণ্ডল, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে. বাপ্পাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। অবমুক্ত করা পোনাগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। সরকার যে উদ্দেশ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনামূল্যে মাছের পোনা বিতরণ করছে, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা রয়েছে।

 

 

সাতক্ষীরায় নজরুল বর্ষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের নানা আয়োজনের প্রস্তুতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নজরুল বর্ষে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের নানা আয়োজনের প্রস্তুতি

পত্রদূত ডেস্ক: নজরুল বর্ষকে ঘিরে সাতক্ষীরায় জেলার নান্দনিক সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখা। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মানবিক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ব্যতিক্রমী এ আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বুধবার দিনব্যাপী শহরের কামালনগরে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা শাখার কার্যকরী কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সভাপতি শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন।

সভায় নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক, সদস্য ও সম্পাদকমন্ডলীর দায়িত্ব বণ্টন এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে স্কুল কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে নজরুল বর্ষের প্রধান অনুষ্ঠানকে জেলার সবচেয়ে বৃহৎ ও নান্দনিক সাংস্কৃতিক আয়োজনে রূপ দিতে বিভিন্ন করণীয় নির্ধারণ করা হয়। নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান কালিগঞ্জে আয়োজনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।

সভাপতি শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন বলেন, নজরুল আমাদের অসাম্প্রদায়িকতা, মানবতা ও প্রতিবাদের চেতনার প্রতীক। তাই নজরুল বর্ষের আয়োজনকে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, সাতক্ষীরার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে স্মরণীয় একটি অধ্যায় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা দরকার।

সহ-সভাপতি গুলশান আরা বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও সংগীতের সঙ্গে শিশু-কিশোরদের পরিচয় ঘটাতে স্কুল কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য নয়ন ভট্টাচার্য বলেন, দায়িত্ব ভাগ করে পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে বড় আয়োজনটি সফল ও অর্থবহ করা সম্ভব।

কোষাধ্যক্ষ আমিনা বিলকিস ময়না বলেন, আয়োজনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সভায় গুলশান আরা, নয়ন ভট্টাচার্য, প্রতাপ কুমার সরদার, সুজন কুন্ডু, তনয়া তাহরিন, তনয়া তাহরিণ মেধা শায়নী, সুকুমার দাশ বাচ্চু, আতিকুর রহমান জাকু, সুশংকর রায়, মামনি বিশ্বাস, কেয়া চৌধুরী, রওনকই আহমেদ প্রাপ্তি ও মিতু মন্ডলসহ কমিটির সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।
সভা শেষে নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে শহরের হোটেল পানসিতে মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্কুল বিদ্যায়তনের কাজ শুরুর ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।