মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

গানে ও ছন্দে কবিপ্রণাম: সাতক্ষীরায় বৈশাখের বিদায়লগ্নে রবীন্দ্র-স্মরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
গানে ও ছন্দে কবিপ্রণাম: সাতক্ষীরায় বৈশাখের বিদায়লগ্নে রবীন্দ্র-স্মরণ

এসএম শহীদুল ইসলাম: ‘ওরে আজ কি গান গেয়েছে পাখি, এসেছে রবির কর’-কবির সেই চিরন্তন আহ্বানে যেন সাড়া দিল সাতক্ষীরার প্রকৃতি। জ্যৈষ্ঠের খরতাপের আগে বৈশাখের এই শেষ প্রহরে, রবির কিরণ যখন নাজমুল সরণির ম্যানগ্রোভ সভাঘরে এসে লুটোপুটি খাচ্ছে, তখনই সেখানে বসেছিল সুর ও বাণীর এক মায়াবী মেলা। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মতিথি উপলক্ষে লিনেট ফাইন আর্টস একাডেমি ও আজমল স্মৃতি সংসদ আয়োজন করেছিল এক বর্ণাঢ্য রবীন্দ্র জয়ন্তীর।

শুক্রবার (১৫ মে) সকালের স্নিগ্ধ আলোয় নান্দনিক এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। আয়োজনের মূল সুরটি ছিল কবিগুরুর প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ এবং তাঁর অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে গেঁথে দেওয়া। লিনেট ফাইন আর্টস একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও বরেণ্য সংগীতশিল্পী আবু আফফান রোজবাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন একঝাঁক সংস্কৃতিজন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রবীন্দ্র-দর্শনের ওপর আলোকপাত করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী, সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, কবি পল্টু বাশার এবং জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি শহিদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী বলেন, আমরা হারিয়ে যাচ্ছি। গান, কবিতা, আবৃত্তির মঞ্চ, বাউল, কীর্তন, জারি, সারি, ভাটিয়ালি এমনকি পুঁথিপাঠও হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের শৈশবে বটছায়া বসতো এসব গান, কবিতা ও সংস্কৃতি চর্চার আসর। এটা হারিয়ে যেতে দিলে হবে না। আমাদের এগুলো রক্ষা করতে হবে। আমাদেরকে আন্দোলিত হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এগুলো একদিকে যেমন হারিয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে তেমনি একটি মৌলবাদী শক্তি তারা জাগ্রত হচ্ছে। ধর্মের দোহাই দিয়ে তারা রাজনীতি করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তাদেরকে রুখে দিতে হবে। আর তাদের রুখতে হলে সাংস্কৃতিক অবয়বকে সমৃদ্ধ করতে হবে। যাত্রাশিল্প মানুষের আবেগকে জাগ্রত করে। এটাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আর মানুষের আবেগ ও অনুভূতিকে বাঁচিয়ে রাখতে পারলেই আমরা সমৃদ্ধ হবো। তিনি বাংলা সাহিত্যের সকল কবি, সাহিত্যিকদের প্রতি বিনম্্র শ্রদ্ধা জানিয় আবৃত্তি করেন কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা ‘প্রিয়তমাষু’ কবিতাটি। এসময় পিনপতন নীরবতা নেমে আসে।

বক্তারা বলেন, রবির করের মতোই উজ্জ্বল হয়ে উঠুক আমাদের মানবিকতা। যখন আমার দুঃখ কষ্টে শিখরে অশ্রুপাত তখন যিনি দুঃখ ভুলান তিনিই রবীন্দ্রনাথ।
যখন আমি হারিয়ে যাই কেউ ধরেনা হাত তখন যিনি পৌছে দেন তিনিই রবীন্দ্রনাথ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগীতশিল্পী চৈতালী মুখার্জি, মনজুরুল হক, উদীচীর জেলা সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, মন্ময় মনির, মিতুল, মনিরুজ্জামান ছট্টু, স ম তুহিন, সুলতান মাহমুদ রতন, ছড়াকার আহমেদ সাব্বির, কথাশিল্পী বাবলু ভঞ্জ চৌধুরী, এসএম শহীদুল ইসলাম, প্রতাপ সিং, আশুতোষ সরকার, নিলয়, তারক মন্ডল প্রমুখ।
আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে চলে লিনেট ফাইন আর্টস একাডেমির শিক্ষার্থী ও বন্ধুদের মনকাড়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী দিলরুবা রুবি ও সংস্কৃতিকর্মী মৃত্যুঞ্জয় কুমার বিশ্বাসের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় মঞ্চটি যেন হয়ে উঠেছিল এক টুকরো শান্তিনিকেতন।

রওনক ও অস্বিতার দ্বৈত কণ্ঠে ‘আমাদের ছোট নদী’র কলতানে যেন স্মৃতির নদী বয়ে গেল সভাঘরে। নিষ্কৃতি ও নৈঋত একবার দ্বৈত সংগীতে শ্রোতাদের বিমোহিত করলেন, আবার ‘ছুটি’ কবিতার দ্বৈত আবৃত্তিতে শৈশবকে ফিরিয়ে আনলেন মঞ্চে। খুদে শিল্পী রিধিমা যখন ‘দামোদর শেঠ’ আবৃত্তি করছিল, তখন উপস্থিত সবার মুখে ফুটে ওঠে অমলিন হাসি।

সহজ পাঠের কবিতার বৃন্দ আবৃত্তি আর নন্দিনী ও অধরার দ্বৈত কণ্ঠে ‘ক্ষান্ত বুড়ী’র গল্পে মুগ্ধতা ছড়ায়। বীরত্বের সাজে ‘বর এসেছে বীরের ছাঁদে’ এবং নিধির কণ্ঠে ‘মাস্টার বাবু’র অনুযোগগুলো ছিল উপভোগ্য। প্রিয়ন্তী ও মাইশার ‘এক গাঁয়ে’ এবং পিউলীর কণ্ঠে ‘হারিয়ে যাওয়া’র বিষাদমাখা পঙ্ক্তিগুলো দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। গানের সুরে আকাশ-বাতাস মুখরিত করেন প্রিয়ন্তী স্নেহা, সমৃদ্ধ ও নিলয়। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘সোনার তরী’র বৃন্দ আবৃত্তি, যা দর্শকদের মনে করিয়ে দেয় মহাকালের সেই অমোঘ সত্যকে।

অনুষ্ঠানে মিশাল, বন্ধন, নিষ্কৃতি, নৈঋত, নিধি, প্রাপ্তি, প্রিয়ন্তী স্নেহা, সমৃদ্ধ, প্রজ্ঞা, নিলয় ও স্বয়ং আবু আফফান রোজবাবুর সমবেত সংগীতের মূর্ছনায় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। বৈশাখের বিদায়বেলা আর রবীন্দ্র-স্মরণের এই মেলবন্ধন সাতক্ষীরার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে।

Ads small one

পাইকগাছায় নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

পলাশ কর্মকার, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর দেলুটি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দারুণ মল্লিক গ্রামের ২২ নম্বর পোল্ডারের স্লইসগেটের পানিতে স্থানীয়রা মরদেহটি ভাসতে দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি পাইকগাছা থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় স্লুইসগেটের পানির ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তবে স্থানীয়রা ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির বলেন, মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। পার্শ্ববর্তী সকল থানায় তার সম্পর্কে জানিয়ে ও ছবি দিয়ে মেসেজ পাঠিয়েছি। আমরা তার পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছি।

পাইকগাছায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে; মশা দমনে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে; মশা দমনে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। খুলনা শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলাতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাইকগাছাতেও দিন-দিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ মুহুতে কর্যকর পদক্ষেপ বা মশক নিধনে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। এটা না হলে পরিস্থিতি আরোও নাজুক হতে পারে। এ অবস্থায় পৌরবাসি মশক দমনে সংশ্লিষ্টদের জরুরি পদক্ষেপের দাবি করেছেন।

জানাগেছে, ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি করা হয়েছে।

৫০ শয্যার এ হাসপাতালে বিভিন্ন রোগ নিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১১০/১২০ জন রোগি ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর বেড সংখ্যা মাত্র ৫টি।

জানাগেছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চলতি মৌসুমে পৌর কর্তৃপক্ষের মশক দমনে এখনো কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। পৌরসভা সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মশক দমনে এখনো সরকারী বরাদ্দ মেলেনি। তবে, পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারী বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে আমরা পৌরসভার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগামী সপ্তাহে মশক দমনে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঔষধ স্প্রে করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না বলেন, হাসপাতালে প্রতিদিন ১০/১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছে। এক্ষুনি মশক নিধন ও সচেতন না হলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরোও খারাপ হতে পারে। হাসপাতালে ডাক্তার বা জনবল সংকট থাকা স্বত্তেও আমরা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

 

 

শ্যামনগরে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্য ও মানসিক বিকাশে সহায়তার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ভলান্টিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন ফর বাংলাদেশ (ভাব)-এর আয়োজনে সোমবার (২৪ আগস্ট) আটুলিয়া ইউনিয়নের ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যায়ল এবং মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কাশিমাড়ী ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মশালা দুইটি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালা পরিচালনা করেন বিশিষ্ট থেরাপিউটিক কাউন্সেলর ও সাইকোথেরাপিস্ট মোহাম্মদ মকসুদ মালেক।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাব বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসনাইন সবিহ নায়ক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাব বাংলাদেশের সহকারী কান্ট্রি ডিরেক্টর এম. এ. আলিম খাঁন, ফ্রেন্ডশিপের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ হাসান আলী, প্রজেক্ট অফিসার মো. সুৃমন আলী। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ভাব বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর অহিদুজ্জামান লিটন।

কর্মশালায় উপজেলার ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২ টি মাদ্রাসার ৮০ জন শিক্ষার্থী, ৪২ জন শিক্ষক ও ৪২ জন অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, হেঞ্চি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নওয়াবেঁকী বিশালাক্ষী কাদেরিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা, সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, বনশ্রী শিক্ষা নিকেতন, কলবাড়ি নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আড়পাঙ্গাশিয়া পি এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাঁঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভেটখালী এ করিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রমজাননগর ইউনিয়ন তোফাজ্জেল বিদ্যাপীঠ, ভুরুলিয়া নাগবাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন, জোবেদা সোহরাব মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও চালিতাঘাটা মহিলা দাখিল মাদ্রাসা।

কর্মশালায় শিশু ও কিশোরদের (০-১৮ বছর) মানসিক স্বাস্থ্য, মানসিক বিকাশ, মানসিক সংকট, কাউন্সেলিং, প্রেরণা (মোটিভেশন), হাইপার ও হাইপো আচরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে করণীয় সম্পর্কেও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। কর্মশালা শেষে অংশ গ্রহণকারীদের মাঝে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।