জাতীয় যুবনীতি হালনাগাদে খুলনায় তরুণদের মতামত গ্রহণ
সংবাদদাতা: জাতীয় যুবনীতি ২০১৭ হালনাগাদ করে সময়োপযোগী, আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নতুন নীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে তরুণদের সরাসরি মতামত নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্দেশ্যে খুলনায় অনুষ্ঠিত বিভাগীয় পরামর্শ কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যুব প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) খুলনার নূরনগরে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সংলগ্ন কৃষি বিপণন ভবনে দিনব্যাপী এই বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
নতুন নীতি প্রণয়ন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক সচিব ড. আবুল হোসেন। এতে আরও অংশ নেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মরিয়ম আক্তার, খুলনার উপপরিচালক মো. মোস্তাক উদ্দীন, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) টেকনিক্যাল অফিসার হাবিবুর রহমান এবং ভিএসও বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী অনুপ গুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আবুল হোসেন বলেন, দেশ গড়ার মূল কারিগর তরুণ সমাজ। দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠীই যুবসমাজ। পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও জলবায়ু সংকটের মতো বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের চাহিদাকেই নতুন জাতীয় যুবনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে।
কর্মশালায় বক্তারা পরিবেশবান্ধব দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, মানসিক স্বাস্থ্য, ডিজিটাল সক্ষমতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং উপকূলীয় জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার বিষয়গুলোকে নতুন নীতিতে প্রাধান্য দেওয়ার তাগিদ দেন।
কর্মশালায় উপস্থিত তরুণরা দলীয় আলোচনা ও মুক্ত মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাঁদের নানা প্রস্তাবনা নীতি-নির্ধারকদের সামনে তুলে ধরেন। খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার দপ্তরপ্রধান এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরাও এতে উপস্থিত ছিলেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মরিয়ম আক্তার জানান, দেশের আটটি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো জাতীয় পর্যায়ে সমন্বয় করে একটি আধুনিক ও টেকসই জাতীয় যুবনীতি প্রণয়ন করা হবে।





