সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

ঢাকায় এলো প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
ঢাকায় এলো প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইট

পবিত্র হজ পালন শেষে এবার দেশে ফেরার পালা। শনিবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে দশটার দিকে হজ্জযাত্রীদের নিয়ে প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
সৌদি আরবের স্থানীয় সময় রাত ১২টা ১০ মিনিটে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়াল দেয় প্রথম ফিরতি ফ্লাইট। সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের এসভি-৫৮০৬ ফ্লাইটের মাধ্যমে শুরু হয় হাজিদের দেশে ফেরার এই যাত্রা।

প্রথমদিনে ১৩টি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন ৫ হাজার ৪৩৪ জন হাজি। তাদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকবেন বিমানবন্দর ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অবতরণের পরেই প্রত্যেক হজ যাত্রীকে দেয়া হবে ৫ লিটার করে জমজমের পানি।

গত ১৭ এপ্রিল রাতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ বছরের হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী নিয়ে শেষ ফ্লাইটটি সৌদি আরবে পৌঁছে গত ২১ মে।

Ads small one

নেপালে বন্যায় নিহত ৯০০ ছাড়ালো, নিখোঁজ ৪৭০০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
নেপালে বন্যায় নিহত ৯০০ ছাড়ালো, নিখোঁজ ৪৭০০

নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি মানুষ। দুর্যোগের চতুর্থ দিনে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, নদী ও বসতিতে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান আরও জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ।

নেপালের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাজা রাম বাসনেত জানিয়েছেন, পাহাড়, জনবসতি ও নদী এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের খুঁজে বের করে নিরাপদ স্থানে নেওয়ার কাজ চলছে। দুর্গম এলাকায় উদ্ধার তৎপরতায় স্থানীয় বাহিনীর সঙ্গে একাধিক বিদেশি দলও কাজ করছে।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সোমবারের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে বন্যায় ৯০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২৪৭ জন, যাদের মধ্যে ৫৯২ জন বিদেশি নাগরিক। অন্যদিকে চীনা কর্তৃপক্ষের হিসাবে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৫৪৬ জন। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বতে নিখোঁজ বিদেশির সংখ্যা ২৬১ জন, যাদের মধ্যে শতাধিক নেপালি নাগরিক।

বন্যায় সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে অন্তত ৯০ জন আটকা রয়েছেন।

তাদের উদ্ধারে স্থানীয় উদ্ধারকারীদের পাশাপাশি বিদেশি বিশেষজ্ঞ দলও কাজ করছে। তবে পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়ায় এবং বিপুল পরিমাণ কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ জমে থাকায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।

গত বুধবার হিমালয় অঞ্চলের উচ্চভূমিতে একটি হিমবাহ ধসে পড়ার পর ভয়াবহ বন্যার সূত্রপাত হয়। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করা বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, হিমবাহের নিচের পাহাড়ি শিলাস্তরের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এর সঙ্গে হিমবাহের একটি অংশও নিচে নেমে আসে।

শিলাধসের মাত্রা এতটাই বড় ছিল যে তা ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূকম্পন হিসেবে রেকর্ড হয়। এরপর বিপুল পরিমাণ পাথর ও গলিত বরফ নিচের উপত্যকাগুলোর নদীতে গিয়ে পড়ে। এতে নদীগুলোর পানির প্রবাহ হঠাৎ বেড়ে গিয়ে ভয়াবহ স্রোত তৈরি হয়।

সেই স্রোত নেপাল ও তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভবন, সেতু, সড়ক ও মাটির বিশাল অংশ ভাসিয়ে নিয়ে যায়। বহু জনবসতি এখন কাদা ও ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে আছে।

দুর্যোগের পর থেকে নেপালের বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চল ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় আটকে পড়াদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বিশেষ করে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি, সরু উপত্যকা এবং ধসে পড়া সড়ক-সেতুর কারণে উদ্ধারকারীদের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছাতেও বেগ পেতে হচ্ছে।

এদিকে নতুন করে বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে। ফলে উদ্ধার ও ত্রাণকাজের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে।

ভয়াবহ এই দুর্যোগে নেপাল ও তিব্বতের বহু এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উদ্ধারকারী দলগুলো দুর্গত এলাকায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হচ্ছে। ফলে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: এপি

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি নিয়ে সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এ মামলায় আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হাসান তারেক। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

এর আগে ১১ আগস্ট মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) আবেদন ও আসামির আপিল শুনানি শুরু হয়েছিল।

২০২৫ সালের মার্চ মাসের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতাল নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশু আছিয়া।

পরে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। সে রায়ে এ মামলার বাকি তিন আসামি শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়। মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে পরে এই মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে আসে।

এদিকে, দেশে নারী শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধু নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানির জন্য ২০২৬ সালের ১০ জুন একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বিশেষ এই বেঞ্চে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন এই টিমের আইনজীবী সদস্যরা হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা তাসনিম আঁখি, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম, রোহানী সিদ্দীকা ও আল আমীন সিদ্দিকী।

কিরগিজস্তানে বৈঠকে বসছেন বিশ্বনেতারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
কিরগিজস্তানে বৈঠকে বসছেন বিশ্বনেতারা

সোমবার (৩১ আগস্ট) কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (SCO) বার্ষিক সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ আরও এক ডজনেরও বেশি দেশের নেতারা যোগ দিচ্ছেন।

এ বছর ‘এসসিও’ প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে। চীনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের মধ্যেই এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

‘এসসিও’ ঐতিহাসিকভাবে অর্থনৈতিক বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। তবে প্রেসিডেন্ট পুতিন ও প্রেসিডেন্ট শি এই সম্মেলনকে বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের নিজেদের ধারণা তুলে ধরা এবং পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান প্রকাশের জন্যও ব্যবহার করেছেন।

‘এসসিও’র প্রতিষ্ঠা ঘোষণায় বলা হয়েছে, সংগঠনটি ‘অন্য কোনও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত জোট নয়’। কিন্তু গত বছরের সম্মেলনে পুতিন পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইউক্রেন যুদ্ধ উসকে দেওয়ার অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, শি ‘ভয় দেখানোর কর্মকাণ্ড’-এর নিন্দা করেন, যা যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনার প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়। এবারের সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং তার তুর্কি প্রতিপক্ষ রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে তুরস্ক এই সংগঠনের সদস্য নয়।

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে এবারের ‘এসসিও’সম্মেলনের ফাঁকে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে পুতিনের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

ইরান ২০২৩ সালে এই জোটে যোগ দেয়। দেশটির সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক রয়েছে এবং চীনের সঙ্গে রয়েছে জ্বালানি খাতে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই কিরগিজস্তানের চোলপন-আতায় অনুষ্ঠিত ‘এসসিও’এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাউন্সিলের বৈঠকের ফাঁকে বৈঠক করেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

‘এসসিও’ এর ১০টি স্থায়ী সদস্য দেশের পাশাপাশি আরও ১৫টি দেশ ‘ডায়ালগ পার্টনার’ হিসেবে সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, সৌদি আরব ও কাতার।

‘এসসিও’ পূর্ণ সদস্য ভারত ও পাকিস্তানের নেতারাও এবারের সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এই জোটের দাবি, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের ২৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে তারা।

সম্প্রতি মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, তিনি জি২০-এর সদস্য দেশগুলোকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের শর্তগুলো নতুন করে পর্যালোচনা করতে উৎসাহিত করবেন। তিনি বেইজিংয়ের ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক বাণিজ্য উদ্বৃত্তকে ‘অস্থিতিশীল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

রবিবার (৩০ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রে জি২০-এর অর্থনৈতিক নেতাদের বৈঠকের আগে রয়টার্সকে বেসেন্ট বলেন, ‘১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত নিয়ে বিশ্ব একটি চীনকে মেনে নিতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘চীনের অর্থনীতি বেশ দুর্বল এবং তারা রফতানির মাধ্যমে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। তাদের অর্থনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।’

মার্কিন অর্থমন্ত্রী আরও জানান, জি২০ সম্মেলনের সময় তিনি চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়নার গভর্নর প্যান গংশেংয়ের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।