বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন কাপ ফুটবলে থানা একাদশ চ্যাম্পিয়ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন কাপ ফুটবলে থানা একাদশ চ্যাম্পিয়ন

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় অনুষ্ঠিত উপজেলা প্রশাসন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উপজেলা প্রশাসন একাদশকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দেবহাটা থানা ফুটবল একাদশ। মঙ্গলবার বিকেল চারটায় দেবহাটা ফুটবল মাঠে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের ২৩ মিনিটে দেবহাটা থানা একাদশের সোহেল রানা জয়সূচক গোলটি করেন।
গত ২২ সেপ্টেম্বর চার দলের অংশগ্রহণে টুর্নামেন্টটি শুরু হয়েছিল। এতে অংশ নেয় দেবহাটা চেয়ারম্যান একাদশ, দেবহাটা সাংবাদিক একাদশ, উপজেলা প্রশাসন একাদশ ও দেবহাটা থানা একাদশ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসতিয়াক আহমেদ, দেবহাটা থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ এইচ এম শাহীনসহ স্থানীয় কর্মকর্তা ও ব্যক্তিরা খেলাটি উপভোগ করেন। ম্যাচ পরিচালনা করেন জেলা রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ফারুক হোসেন।

Ads small one

সম্পাদকীয়/ সড়ক নিরাপত্তায় জনসচেতনতা: বিআরটিএর ইতিবাচক উদ্যোগ ও আমাদের করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৩ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সড়ক নিরাপত্তায় জনসচেতনতা: বিআরটিএর ইতিবাচক উদ্যোগ ও আমাদের করণীয়

সড়ক দুর্ঘটনা বর্তমান সময়ের অন্যতম সামাজিক ও জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও চালক ও পথচারীদের অসাবধানতা কিংবা ট্রাফিক আইন না মানার কারণে অকালে ঝরে পড়ছে মূল্যবান প্রাণ। এ প্রেক্ষাপটে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের সাম্প্রতিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
সম্প্রতি ‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি কমাবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত কর্মশালা এবং শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বিআরটিএ, ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘রোড শো’ সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ বার্তা বহন করে। এ কর্মসূচির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলোÑসড়কে দুর্ঘটনা রোধে কেবল চালকদের ওপর দায় না চাপিয়ে শিক্ষার্থী, যাত্রী এবং সাধারণ পথচারীদেরও দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আমাদের সমাজে একটি সাধারণ প্রবণতা হলো, সড়ক দুর্ঘটনার পর পুরো দায় চালকের ওপর অর্পণ করা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সড়ক ব্যবহারকারী প্রত্যেকটি মানুষের সামান্যতম অসাবধানতাও বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। পথচারীদের জেব্রা ক্রসিং কিংবা ফুটওভারব্রিজ ব্যবহার না করা, চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে হঠাৎ রাস্তা পার হওয়া, হাঁটার সময় মোবাইলে মনোযোগ দেওয়া কিংবা বেপরোয়াভাবে যানবাহন ওভারটেক করাÑএসব অনিয়মই দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৈশব থেকেই সড়ক ব্যবহারের নিয়মকানুন ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা এবং সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কিশোর-কিশোরীদের নিজেদের যেমন নিরাপদ রাখবে, তেমনি তারা পরিবার ও সমাজের অন্য সদস্যদের মধ্যেও এই সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারবে। অন্যদিকে, মোটরযানের অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ ও মানসম্মত হেলমেট ব্যবহারের গুরুত্ব সম্পর্কে নিয়মিত বার্তা প্রচার চালক ও আরোহীদের জীবনের নিরাপত্তা বিধানে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
সাতক্ষীরায় বিআরটিএর পক্ষ থেকে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় এই ধারাবাহিক সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, কেবল একটি উদ্যোগ বা একদিনের রোড শো দিয়ে রাতারাতি সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দরকার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিয়মিত তদারকি।
আমরা মনে করি, বিআরটিএর এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমকে শুধু জেলা শহর নয়, গ্রামীণ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন টার্মিনালগুলোতেও সম্প্রসারিত করা উচিত। পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে আইনের সঠিক প্রয়োগ বাস্তবায়িত হলে তবেই দেশের সড়কগুলো সত্যিই নিরাপদ ও শঙ্কামুক্ত হয়ে উঠবে।

আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় দুটি মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামি আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর আবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। বুধবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতের বারান্দা থেকে তিনি পালিয়ে যান। গ্রেপ্তার আসামির নাম শফিকুল ইসলাম (৩২)। তিনি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার রাড়িপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ শফিকুলকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। জামিনে মুক্তির পর ২০২৫ সাল থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। এ ছাড়া পাটকেলঘাটা থানার অপর একটি মাদক মামলায় তাঁর দুই বছরের সাজা হয়। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার দুপুরে আদালতের ভবনে নেওয়ার সময় হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শফিকুল।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক জানান, পালিয়ে যাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের পাশের একটি অটোস্ট্যান্ড থেকে বিকেল চারটার দিকে শফিকুলকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। সাড়ে পাঁচটার দিকে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের মানিকখালী ব্রিজ থেকে বড়দল সড়কের ফকরাবাদ এলাকায় রাস্তার পাশে একটি বড় শিশু-চটকা গাছ দীর্ঘদিন ধরে শুকিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড় সংলগ্ন ওই সড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহন চলাচল করে। মরা গাছটির বড় দুটি ডাল হেলে থাকায় যেকোনো সময় তা ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও ইটভাটা ব্যবসায়ী এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জেলা পরিষদকে জানানো হলেও গাছটি অপসারণ করা হয়নি। আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় দ্রুত গাছটি কেটে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।