শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি অনলাইন আক্রমণের শিকার আর্জেন্টিনা!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি অনলাইন আক্রমণের শিকার আর্জেন্টিনা!

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের পাশাপাশি অনলাইনে আক্রমণ কিংবা বিদ্বেষের বড় লক্ষ্যবস্তু ছিল আর্জেন্টিনা জাতীয় দল। রেফারির পক্ষপাত, দুর্নীতি ও ভিনদেশি হিসেবে বিদ্বেষের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয়েছে ২০২২ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা। ৯ অক্টোবর প্রকাশিত ফিফার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

ফিফার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবা (এসএমপিএস) ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটকে প্রকাশিত ১ কোটি ৭১ লাখের বেশি পোস্ট ও মন্তব্য বিশ্লেষণ করেছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭৭ হাজার পোস্ট ও মন্তব্য মানুষের মাধ্যমে যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়। সেগুলোর মধ্যে ২ লাখ ৪০ হাজারকে নিশ্চিতভাবে আপত্তিকর বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনলাইনে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার দলের তালিকায় আর্জেন্টিনার পরেই রয়েছে ইংল্যান্ড। এরপর স্পেন, ব্রাজিল ও নরওয়ে।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের আগে ৯ অক্টোবর প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ফিফা। টুর্নামেন্ট চলাকালে খেলোয়াড়, কোচ, দলের প্রতিনিধি ও ম্যাচ অফিশিয়ালদের বিরুদ্ধে অনলাইনে বিদ্বেষ ছড়ানোর ব্যাপকতা তুলে ধরতেই এ উদ্যোগ নেয় বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

আর্জেন্টিনাকে লক্ষ্য করে ছড়ানো বিদ্বেষের বড় অংশজুড়ে ছিল তাদের রেফারি, ফিফা ও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ। পাশাপাশি সাধারণ গালিগালাজ ও বিদেশিবিদ্বেষমূলক মন্তব্যও ছিল উল্লেখযোগ্য।

তবে দলভিত্তিক তালিকার সঙ্গে ব্যক্তিগত খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে অনলাইন আক্রমণের পরিসংখ্যানে পার্থক্য রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার হয়েছেন ফ্রান্সের ফুটবলাররা। এরপর রয়েছেন ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের খেলোয়াড়েরা। এ তালিকায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের অবস্থান চতুর্থ।

টুর্নামেন্ট ঘিরে বৈষম্যমূলক বক্তব্যের ব্যাপকতাও তুলে ধরেছে ফিফার প্রতিবেদন। শ্রেণিবদ্ধ বিদ্বেষমূলক কনটেন্টের ২০ শতাংশ ছিল বর্ণবাদী মন্তব্যে ভরা। এছাড়া ১৪ শতাংশ ছিল সহিংসতার হুমকি এবং ১২ শতাংশ ভিনদেশিবিদ্বেষমূলক আক্রমণ।

অনলাইন আক্রমণের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিলেন ম্যাচ অফিশিয়ালরা। সবচেয়ে গুরুতর ধরনের বিদ্বেষমূলক ঘটনার ৭১ শতাংশের শিকার হয়েছেন তারা। তাদের কেউ কেউ ডক্সিংয়েরও শিকার হয়েছেন। সাধারণত ব্যক্তিগত বা গোপন তথ্য বিদ্বেষমূলকভাবে প্রকাশ করে কাউকে আরও হয়রানি কিংবা হুমকির ঝুঁকিতে ফেলার প্রক্রিয়াকে ডক্সিং বলা হয়।

ফিফা জানিয়েছে, তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের অর্ধেকেরও বেশি অন্তত একটি বিদ্বেষমূলক বার্তা পেয়েছেন। গুরুতর বা হুমকিমূলক কনটেন্ট প্রকাশকারী অ্যাকাউন্টগুলোও শনাক্ত করে পরবর্তী তদন্তের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় কিছু ঘটনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনটি মূলত ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনলাইনে বিদ্বেষ ছড়ানোর ব্যাপকতা তুলে ধরেছে।

Ads small one

মাদকমুক্ত সমাজ ও শ্যামনগর গড়ার আহ্বান পুলিশ কর্মকর্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
মাদকমুক্ত সমাজ ও শ্যামনগর গড়ার আহ্বান পুলিশ কর্মকর্তার

শ্যামনগর প্রতিনিধি: মাদকমুক্ত সমাজ ও পরিচ্ছন্ন শ্যামনগর গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি অনঙ্গ কুমার ম-লের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম আলী, বিএনপি নেতা মোজাম মোল্লাসহ স্থানীয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাফিউল ইসলাম বলেন, সমাজ থেকে মাদককে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে মাদকসেবী ও কারবারিদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। মাদক সমাজকে গ্রাস করে চলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতার কারণে সন্তান জন্মদাতা মা-বাবাকে পর্যন্ত মারধর কিংবা হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ ঘটাচ্ছে। অতীতে মাদকাসক্তির কারণে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

শারদীয় দুর্গাপূজার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মানুষের বিবেককে সর্বাগ্রে কাজে লাগাতে হবে। ধর্ম ভিন্ন হলেও সুষ্ঠু সমাজ গঠনে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে এবারের শারদীয় উৎসব উদযাপিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পূজা উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে বা মাদকদ্রব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে তাকে কঠোর আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এ সময় তিনি দেশ ও রাষ্ট্রবিরোধী সব ধরনের অপপ্রচার থেকে দূরে থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

সদরের ইন্দারায় পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, ২ নারীসহ আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
সদরের ইন্দারায় পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, ২ নারীসহ আহত ৩

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরের আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের ইন্দারা গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই নারীসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন মোছা. হামিদা খাতুন (৬৫), লাভলী পারভীন (৩৮) এবং মো. আব্দুল গফুর (৪৩)।
হাসপাতালের শয্যায় চিকিৎসাধীন আব্দুল গফুর জানান, জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে স্থানীয় আবাদের হাট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। আগে থেকে ওত পেতে থাকা তাঁর আপন সেজ ভাই পাটকেলঘাটা পূবালী ব্যাংক শাখার নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে ৬-৭ জনের একদল উগ্র কিশোর ও যুবক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। এ সময় আঘাত সামলাতে না পেরে তিনি ড্রেনের মধ্যে পড়ে যান। তাঁর আত্মচিৎকারে মা হামিদা খাতুন ও স্ত্রী লাভলী পারভীন বাঁচাতে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদের ওপরও চড়াও হয়। লোহার রডের আঘাতে আব্দুল গফুরের মাথা ফেটে যায় এবং বাঁ হাতের দুটি আঙুল ভেঙে যায়।
এ ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তাঁরা শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জামিরুল মারামারির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।

মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিশেষ অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিশেষ অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা: মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সাহিত্যকর্মের ওপর এক বিশেষ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

‘নজরুল বর্ষ’ উদ্যাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী তুফান কনভেনশন সেন্টার ও লেকভিউ প্রাঙ্গণে এই মহতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকেলে “মৌচাক সাহিত্য পরিষদ, সাতক্ষীরা”-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক, কবি ও নাট্যকার আব্দুল ওহাব আজাদ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম (টুটুল)। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় কবির বিদ্রোহী চেতনা ও তাঁর সাহিত্যিক অবদান বর্তমান প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে কবির জীবন ও সৃষ্টির নান্দনিক দিক নিয়ে গভীর ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেন সম্মানিত আলোচকদ্বয়Ñযশোর ও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সাবেক কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. আবু নসর এবং সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌচাক সাহিত্য পরিষদের উপদেষ্টা আব্দুর রব ওয়ার্ছি, মাওলানা আনোয়ারুল হাসান, মুসা করিম, সহসভাপতি শেখ মোসফিকুর রহমান মিলটন, প্রভাষক মহিনুর ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. মছরুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুন্না, জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি শহীদুর রহমান, ড. মুফতি আখতারুজ্জামান, সংগীতশিল্পী আবু আফফান রোজ বাবু এবং কবি পল্টু বাশারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রুফাইয়া রহমান মাইসা, শেখ মিফাতাহুল জান্নাত ও সানজিদা সুরাইয়া শেফা।