শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

ভোমরা বন্দরে রপ্তানি বাণিজ্য ভরাডুবির আশঙ্কা: দেশীয় মুদ্রায় আয়ে ঘাটতি ২হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ভোমরা বন্দরে রপ্তানি বাণিজ্য ভরাডুবির আশঙ্কা: দেশীয় মুদ্রায় আয়ে ঘাটতি ২হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা

এম শফিকুল ইসলাম : দেশের অন্যতম বৃহত্তম স্থল বন্দর সাতক্ষীরার ভোমরা কাস্টম হাইসে সদ্য সমাপ্ত ২০২৫- ২৬ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হয়নি। সরকারের নানা ধরনের উদ্যোগে রপ্তানি বহুমুখীকরণ না হওয়ায় দেখা দিয়েছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ঘাটতি।

 

বিদায় অর্থবছরে ভোমরা বন্দর দিয়ে ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৯৯ মেট্রিক টন পণ্য ভারতের রপ্তানি হয়েছে। যার রপ্তানি করে তো পণ্য থেকে সরকার ১৮৯২ কোটি ৫৩ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা দেশীয় মুদ্রা আয় করেছে। বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ বন্দর দিয়ে ২৮ লাখ ৬ হাজার ৩০ মেট্রিক টন পণ্য ভারতের রপ্তানি হয়েছিল। যার রপ্তানি পণ্য থেকে সরকার ৩৪০৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা দেশীয় মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল। অর্থাৎ আয়ের ব্যবধানে আগের বছরের তুলনায় রপ্তানি আয় কমে ৯৫০ কোটি ৬১ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে।

 

বিদায়ী অর্থবছরে ২,৪৫৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা দেশীয় মুদ্রায় ঘাটতি রয়েছে। ভোমরা কাস্টম হাউসের জনপ্রশাসন অফিস থেকে পাওয়া প্রাপ্ত তথ্যটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে রপ্তানি খাতে ভরাডুবির সংখ্যা তৈরি হয়েছে। লক্ষ্য পূরণে আশাবাদী হতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। দেশের শীর্ষ রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের দাবি, জ্বালানি সংকট, গ্যাস বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেসরকারি খাতে ঋণসংকট, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রপ্তানিমুখী পণ্যের চ্যালেঞ্জ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

নানা কারণে সামনের দিনগুলোতে রপ্তানি আয় ভরাডুবি আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা আরো জানিয়েছেন, টাকার অবমূল্যায়ন আমলে না দিয়ে ব্যাংকের সিঙ্গেল বড় আর এক্সপোজার ফান্ডেড ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ এবং ননফান্ডেড ১০ শতাংশ করা হয়েছে। রপ্তানিমুখী পণ্যের নগদ সহয়তা পেতে আবেদনের পর নয় মাস থেকে এক বছর সময় লাগছে। ফলে গতি হারাচ্ছে রপ্তানি বাণিজ্য, কমছে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন। রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের অভিযোগ যোগাযোগ, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বন্দর সুবিধাও পর্যাপ্ত নয়।

 

ফাইল মুভমেন্ট, এলসি খোলা, মাল খালাস প্রভৃতি ক্ষেত্রে রয়েছে নানা ধরনের অস্পষ্ট ব্যয়। এসব জটিলতা কেটে গেলে রপ্তানি বেড়ে যাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সফলতা আসবে। সিএন্ডএফ এজেন্টের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, ভোমরা বন্দর দিয়ে স্বল্প পরিসরে ওয়েস্ট কটন ও মশারি রপ্তানি হয়ে থাকে। তবে গার্মেন্টস শিল্পের কোন উন্নত মানের তৈরি পোশাক রপ্তানি হতে দেখা যায়নি। অথচ দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে এক খাত থেকে। সাম্প্রতিক সময়ে এক খাতের প্রবৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে যাচ্ছে। তৈরি পোশাক পণ্যের অস্তিত্ব আজ যেন হুমকির মুখে পড়েছে। এগিয়ে আসছে বিপর্যয়ের শঙ্কীত পদধ্বনি। সুতরাং বলা যেতে পারে যে, বর্তমানে রপ্তানি বাণিজ্য তলানিতে রয়েছে।

Ads small one

হাঁক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
হাঁক

মোঃ রহমত আলী
কথায় কথায় লাফালাফি,
তালে তালে নাচানাচি!
গোয়াল ঘরে ছাগল বেঁধে,
পাগল হয়ে মাতামাতি।

ঘোড়ার ডিম, ঘোড়ার ডিম,
হাতির হলো কবে শিং!
জেগে জেগে স্বপ্ন হাজার,
ঘুমের ঘোরে সোনার ডিম।

সোনার হরিণ, সোনার হরিণ,
আবোল-তাবোল বাড়াবাড়ি!
বড্ড বেশি কাড়াকাড়ি,
তা ধিন- ধিনা ধিন- তা ধিন।

বাহ্ অকারণে হাসাহাসি,
কারণ পেলেই দাপাদাপি!
ঘরের ঘোড়া ভুখা রেখে,
পরের মহিষ হাঁকাহাঁকি।

‘পুষ্প্য শয্যা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
‘পুষ্প্য শয্যা’

শহীদুল্লা হক ভূইয়া
জীবনের নাম যদি
রাখা হয় ফুল,
তা রয়ে যাবে আজীবন ভুল।
ফুল পবিত্র নেই তার কুল,
মানুষ সবজান্তা
তথাপি নেই তার মিল।
পুষ্প্য ফুটে দেখায়
ত্রুটিহীন আতœপ্রকাশ,
মানুষ প্রাণী কলংক এঁকে
রাখে তার ভ্রান্তি অবকাশ।

পুষ্প্য তার সৌরভ দিয়ে
ডেকে রাখে বসুন্ধরাকে,
দূর্গন্ধরূপী জ্বাল বিস্তার
করে মানুষ ধরাকে।

ফুল সারাজাহানের
সংকীর্ণ প্রণালী ঘর,
তাকে করা যাবেনা
ক্ষনিকের ধরণী পর।

পুষ্প্য ছাড়া ভুলে যেত
মানুষ আপন ধন,
মানুষই পারে পুষ্প্যের ন্যায়
গড়তে তাজা প্রাণ।

অন্তরের অন্তরালে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
অন্তরের অন্তরালে

বাপী নাগ
এই জীবনের পথে চলতে গিয়ে
পথ যে ফেলি হারিয়ে।
ঠিক-ভুলের নেই কোনো হিসাব
রাখি নিজেকে সরিয়ে।
অজান্তেই ভুল করে পাই সাজা
নিঃশব্দে রয়েছি নিরবে।
দিনের পর দিন সময় যায় বয়ে
এ মন অজান্তে হারাবে।

স্বপ্ন গুলো হঠাৎই ধুলোয় মিশে
নীরবতার’ই আড়ালে।
হাসির মুখোশ পরেই অভিমানে
লুকাই যে অন্তরালে।

হাজার মানুষের ভিড়ের মাঝেও
নিজেকেই খুঁজি একা।
চেনা-অচেনা এই জীবন পথেই
স্মৃতি’র হয় শুধু দেখা।

ভাঙা বিশ্বাস এই বুকের ভেতর
রক্ত ক্ষরণ হয়েই রয়।
যাদের কে আপন ভেবে ছিলাম
তাদের মাঝে হবে জয়।

তবুও এই জীবন থেমে থাকে না
এ পথ নিয়তির ডাকে।
অশ্রু ভেজা প্রতি’টি প্রহর নতুন
সাহস রেখে যায় ফাঁকে।