শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শনিবার বন্ধ থাকছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
শনিবার বন্ধ থাকছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

অবশেষে কাল শনিবার (২৩ মে) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বান্ধের ঘোষণা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (২২ মে) রাতে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামীকাল শনিবার (২৩ মে) থেকে ৬ জুন শনিবার পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জানানো হয়েছিল, শনিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে।

অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশব্যাপী সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস আগামী ২৫ মে সোমবার থেকে ৩১ মে রবিবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এবং আগামী ২৩ মে শনিবার ও ২৪ মে রবিবার অফিসগুলো খোলা থাকবে। ওই প্রজ্ঞাপনের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়।

বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকরা প্রতিবাদ জানায়। শিক্ষকদের দাবি ছিল, শনিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। এ নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করেন ১০ জন শিক্ষক।

ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল, ২০২৬ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘোষিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত মোট ১২ দিনের গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল আজহার ছুটি নির্ধারিত হয়েছে, যা শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা মঞ্জুরের জন্য প্রচলিত একটানা ১৫ দিনের ছুটির বাস্তব শর্ত পূরণ করে না। ২০২৩ সালে ভাতা গ্রহণকারী সব শিক্ষক ২০২৬ সালে পূনরায় আবেদন করতে পারছেন না। এই কারণে অনেক শিক্ষক বাধ্যতামূলকভাবে আরও এক বছর অপেক্ষা করতে বাধ্য হবেন। এছাড়া এ সময়ের মধ্যে যে সব শিক্ষক অবসর গ্রহণ করবেন, তারা বর্ণিত শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা থেকে বঞ্চিত হবেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো ঈদুল আযহার ছুটি উপলক্ষে আগামী ২২ মে ৬ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। অতএব, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ও মানবিক কারণে আগামী ২৩ মে শনিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করা হয়।

শেষ পর্যন্ত শুক্রবার রাতে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, শনিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

Ads small one

না-এ কোনও ইতিহাস নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
না-এ কোনও ইতিহাস নয়

মারিয়া নূর
কয়েক মিলিয়ন কষ্টের বরাদ্দ নেওয়া ছিলো
আগেই, অনেক আগেই।
এখন আর বাড়তি দেনার দায় নেই ভাগ্যলিপিতে।
সুখেরা তো বরাবরই মুখচোরা
তাই আর ঘাঁটাতে চাইনি ওদের নতুন করে।

ফিরে যাওয়া বসন্তের আক্ষেপ পত্রে
অভিযোগ ছিলো – অপয়া মুখদর্শনের।
এখন দফায় দফায় হাজিরা চলে
জজকোর্ট থেকে হাইকোর্টের বারান্দায়।

সানগ্লাসটা ছোট হতে হতে
এখন মোটা ফ্রেমের চশমায় পরিনত।
চোখের নিচে বয়সের পাটিগণিত।
নামতা ভুলে গেছি সেই কবে;
উপপাদ্য বা সম্পাদ্য যাই বলো
সকল সুত্রের কারসাজিতে এখন
চোখ রাঙানি দেখি ভীষণ রকম।

যারা একসময় স্বপ্নের পরিচয়ে
চোখের সমুদ্রে খেলতো গোল্লাছুট;
বৃদ্ধ বটের নুয়ে পড়া তর্জনী আঁকড়ে
ওরাও ঝুলে থাকে অলস দুপুরে।

এখন আর দিবাকরের হৃদপি-ে কামড় দিয়ে
রোদ চুরি করে না কেউ।

না – এ কোনও ইতিহাস নয়;
রবীঠাকুরের ছোট গল্প? না তাও না।
এ হলো সেই চমকপ্রদ উপন্যাস
যার বিশেষ ক’টা পৃষ্ঠা অলক্ষেই অন্তর্ধান।

নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
নবান্ন ও চন্দ্রাহত একজন

বাবুল চৌধুরী
খোলা চুলে বাইরে এসো না এই ঘোর পূর্ণিমা-রাতে
সনাতন চাঁদ আকাশে সওয়ার চাঁদের জোয়ার, তাই
জোছনায় আহত হতে পারো আমিও চন্দ্রগ্রস্থ বলে
এক শ’ বছর পেছনে তাকাই অথবা তারও বেশি
সময়ের উল্টো স্রোতে, তোমার মুখে দেখি দীঘল
ফসলের মাঠ, চুলে খরতর নদী, ও শাড়ির জমিনে
জড়ানো স্থির অথবা অনেক উড়ন্ত ফিঙের ডানা,
আঁচলে আদরে আগলে রেখেছ নাকি ধান স্বর্ণালী!
আরেক মানবীর মতো তখন তুমি, যে মুখ বহু বছর
আগে দেখেছি – সে ছন্দে নাচে, উঠোনে হেসে যায়

এখনি ঢেঁকির শব্দ উঠবে, ঢেঁকিতে পড়ছে তার পা
স্বপ্নের ভেতর তার ছন্দিত পা দেখি, ধান ভাঙা হলে
এখনই দেবে সে নবান্নের ডাক, এখন চাঁদের মতো
সব থালা ভরবে নতুন খাদ্য-কণায়, নিরন্ন লোকালয়

নবান্নের সাড়া পেয়ে যায়, আকাশে চাঁদের জোয়ার –
এ নবান্নে নিমগ্ন আমি – খোলাচুলে বাইরে এসো না

সুখের দিনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
সুখের দিনে

ফাহিম শাহরিয়ার রুমি
সুখের দিনে কেন এ হৃদয়
নিভৃতে কাঁদিতে চায়?
হাসির আড়ালে কার যেন বেদনা
নীরবে ভাসিয়া যায়।

রৌদ্রঝলমল প্রভাত-আকাশে
স্বর্ণরেখা খেলে যায়,
তবু মোর চিত্তে অকারণ ছায়া
নিভৃত ব্যথা বুনে যায়।

সবাই যখন গাহে আনন্দগান,
মিলন-সুরে মাতে প্রাণ,
আমি কেন শুনি বিরহের বীণা
অশ্রুর মৃদু তান?

ফুলে ভরা এ জীবনের বাগান,
গন্ধে ভরে চারিধার,
তবু কেন যেন মলিন হইয়া
ঝরে পড়ে অন্তর-হার।

হায়, সুখের মাঝে লুকায়ে থাকে
দুঃখের অচেনা রূপ,
মানব-হৃদয় তাই চিরদিন
বিরোধে গাঁথা এক সুরূপ।