সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: মামলা নয়, সমঝোতায় সমাধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: মামলা নয়, সমঝোতায় সমাধান

বিচারপ্রার্থী মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি, সময় ও অর্থ অপচয় এবং বিচার বিভাগের ওপর ক্রমবর্ধমান মামলাজটের বোঝা লাঘবে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) ব্যবস্থা যে কতটা কার্যকর হতে পারে, তার বাস্তব ও ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিস। ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মধ্যস্থতার মাধ্যমে ১,৪৬৫টি বিরোধ নিষ্পত্তির পাশাপাশি ১ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ভুক্তভোগীদের আদায় করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। লিগ্যাল এইডের এই কার্যকর পদক্ষেপের ফলে দেওয়ানি, ফৌজদারি ও পারিবারিকÑতিন খাতেই আদালতে নতুন মামলা দায়েরের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, যা নিঃসন্দেহে দেশের সামগ্রিক বিচারব্যবস্থার জন্য এক আশাব্যঞ্জক বার্তা বহন করে।

আমাদের দেশের সনাতন বিচারপ্রক্রিয়া প্রায়শই দীর্ঘসূত্রী ও ব্যয়বহুল। ফলে ছোটখাটো বিরোধ বা পারিবারিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে আদালত পর্যন্ত পৌঁছানো মামলাগুলো বিচারপ্রার্থীদের জীবনে দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগ ডেকে আনে। এই প্রেক্ষাপটে ‘মামলা নয়, সমঝোতার মাধ্যমে ন্যায়বিচার’Ñএই দর্শনকে মূল চালিকাশক্তি করে জেলা লিগ্যাল এইড যে ভূমিকা রাখছে, তা কেবল আইনি সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি সামাজিক স্থায়িত্ব ও শান্তি বজায় রাখতেও অমূল্য অবদান রাখছে। বিশেষ করে, জমিজমা বা পারিবারিক ঝগড়াঝাঁটির মতো বিষয়ে সরাসরি মামলা না ঢুকে ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩’-সহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইনের আলোকে আইনি পরামর্শ প্রদান এবং বিকল্প সমাধানের পথ বাতলে দেওয়া বিচারপ্রার্থীদের অযাচিত হয়রানি থেকে রক্ষা করছে।

তবে মুদ্রার অপর পিঠও উপেক্ষার সুযোগ নেই। সীমিত সম্পদ ও কাঠামোগত নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়েই এ সাফল্য অর্জিত হচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে এখনো বেঞ্চ সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহায়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ ১১টি শূন্য পদ রয়েছে। স্পেশাল মিডিয়েটর বা বিশেষ মধ্যস্থতাকারীর অভাব যেমন রয়েছে, তেমনি নিজস্ব ভবনের অনুপস্থিতি ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের সংকট তাদের সার্বিক কর্মক্ষমতাকে পূর্ণতায় পৌঁছাতে বাঁধা দিচ্ছে। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবনে সাময়িক স্থান বরাদ্দ কিংবা নিজস্ব ভবনের জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির এই সাফল্যকে একটি সাময়িক অর্জনে সীমাবদ্ধ না রেখে টেকসই কাঠামোর ওপর দাঁড় করানো প্রয়োজন। এর জন্য লিগ্যাল এইড অফিসের বিদ্যমান জনবল ও অবকাঠামোগত ঘাটতিগুলো জরুরি ভিত্তিতে দূর করতে হবে। একই সঙ্গে স্পেশাল মিডিয়েটর নিয়োগ এবং প্রযুক্তি সুবিধা জোরদার করা গেলে জেলা পর্যায়ে ন্যায়বিচার প্রাপ্তির গতি আরও ত্বরান্বিত হবে। সাতক্ষীরার এই সফল মডেলটি যদি দেশজুড়ে যথাযথভাবে বিস্তৃত করা যায়, তবে তা কেবল আদালতগুলোর মামলাজটই কমাবে না, বরং সাধারণ মানুষের মাঝেও সমঝোতা ও দ্রুত আইনি সুফল পাওয়ার বিশ্বাস তৈরি করবে।

Ads small one

মুক্তির আগেই ইতিহাস গড়লো ‘রাকা’, নাম উঠলো গিনেস বুকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মুক্তির আগেই ইতিহাস গড়লো ‘রাকা’, নাম উঠলো গিনেস বুকে

আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘রাকা’ সিনেমার। ছবিটিতে দেখা যাবে দীপিকা পাড়ুকোনকেও। তবে মুক্তির এক বছর আগেই রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি।

‘রাকা’র নাম উঠেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। সর্বভারতীয় এই সিনেমার শুটিংয়ে একসঙ্গে ৩৭ জন শিল্পীর মোশন-ক্যাপচার করা হয়েছে। আর এই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

ছবির প্রযোজক সংস্থা সান পিকচার্স সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক্সে এই আপডেটটি শেয়ার করেছে।

ছবিতে পরিচালকের পাশে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সনদ হাতে দেখা যায় আল্লু অর্জুনকে। ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ইতিহাস তৈরি হলো। এক বিশ্বব্যাপী বিজয় যা ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেল!’

অন্যদিকে, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিসিয়াল সাইটে ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘বাস্তব সময়ে সর্বাধিক ৩৭ জন মানুষের গতিবিধি ধারণ করার রেকর্ডটি অর্জন করেছে সান টিভি নেটওয়ার্ক লিমিটেড এবং ভি. অরুণকুমার (ওরফে) অ্যাটলি (উভয়েই ভারত), আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘রাকা’ সিনেমা।’

বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা

বাংলাদেশে সোনার গহনা পরে চলাফেরা নিরাপদ মনে করেন না জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। দেশে অনেক জায়গায় নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিশা।

তার কথায়, ‘সত্যি কথা বলতে, বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না। আমাদের দেশে অনেক জায়গায় নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে।’

তিশা বলেন, ‘আমরা নিজেরাই অনেক ঝামেলায় পড়ি, যেগুলো আমরা ডিজার্ভ করি না। অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়গুলো অন্যায় মনে হয়, ন্যায়বিচারও পাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। যে কোনও পরিস্থিতিতে নারীদের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো দরকার।’

টিভি নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এর মধ্যে সিনেমাতেও নাম লেখালেন তিনি। শাকিব খানের বিপরীতে দেখা যাবে তাকে। ‘সোলজার’ সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন তারা।

বিয়ে না করা কি দেবের ভুল সিদ্ধান্ত? যা বললেন অভিনেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
বিয়ে না করা কি দেবের ভুল সিদ্ধান্ত? যা বললেন অভিনেতা

বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন উঠলেই সাধারণত ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে খুব বেশি মুখ খুলতে দেখা যায় না টলিউড অভিনেতা দেবকে। তবে ‘দাদাগিরি’র বিশেষ পর্বে অভিনেতাকে কিছুটা অন্যরকম মেজাজে দেখা গেলো। পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং এখনও কেন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেননি; এসব কিছু নিয়েই সরাসরি কথা বলেছেন তিনি।

দেবকে প্রশ্ন করেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। উত্তরে দেব যেমন নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানান, তেমনই অতীতের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আক্ষেপের কথাও স্বীকার করেন।

‘দাদাগিরি’র নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, বিশেষ এই পর্বে উপস্থিত রয়েছেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টরাজ, অম্বরিশ ভট্টাচার্য-সহ আরও অনেকে। সেখানেই দেবকে প্রশ্ন করেন সুদীপা। তার বক্তব্য, ‘ফ্যামিলি ম্যান’ হওয়ার পরেও এখনও বিয়ের পথে হাঁটেননি কেন? বিয়ে না করেই কি তিনি সত্যিই খুশি?

সুদীপার প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রসঙ্গে যথেষ্ট সতর্ক ছিলেন দেব। অভিনেতা বলেন, ‘আমি এমন কিছু বলতে চাই না, যেখানে আমার পার্টনারের অপমান হয়। বিয়ে করিনি বলে আমি খুশি নই, সেটাও তো নয়। বিয়ে করলেই মানুষ খুশি থাকবে, আর বিয়ে না করলে খুশি থাকবে না; এটা ঠিক নয়। সন্তান হলে তবেই মানুষ খুশি থাকবে, নিজের সন্তান না থাকলে খুশি থাকবে না; এটাও ভুল ধারণা। আমি এখনও খুশি।’

তবে এখানেই থামেননি দেব। নিজের জীবনের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে তার মনে আক্ষেপ রয়েছে বলেও জানান অভিনেতা।

দেবের কথায়, ‘কিছু সিদ্ধান্ত আমার নেওয়া ঠিক হয়নি। কিছু সিদ্ধান্ত হয়তো আরও আগে নিতে পারতাম। কিছু সিদ্ধান্ত নিলে হয়তো ভালো হতো। সেটা নিইনি বলে আক্ষেপ রয়েছে।’