বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় শফিকুল ইসলাম শফিকের ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শফিকুল ইসলাম শফিকের ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় সুন্দরবন থিয়েটারের পরিচালক ও কবি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক রচিত ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাহিত্য ও সংস্কৃতিপ্রেমীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সঞ্চয় সমিতি ও ঋণদান প্রকল্পের সহ-সভাপতি গৌরাঙ্গ সরকার।

বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি, লেখক ও সৃজনশীল সংগঠক শেখ সিদ্দিকুর রহমান। তিনি ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের বিষয়বস্তু, কবির সাহিত্যচর্চা এবং সাতক্ষীরার সাহিত্য-সংস্কৃতির পরিমন্ডলে এ ধরনের প্রকাশনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একটি জনপদের নদী, প্রকৃতি, মানুষ, জীবন-সংগ্রাম ও অনুভূতির সঙ্গে সাহিত্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ‘খোলপেটুয়া’ নামের মধ্যেও সাতক্ষীরার নদী-প্রকৃতি ও জনজীবনের একটি নিজস্ব আবহ ফুটে উঠেছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চলচ্চিত্রের নৃত্যশিল্পী এইচ কে হাসান এবং আরিফুল ইসলামসহ অন্যরা। বক্তারা কবি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন এবং ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের সাফল্য কামনা করেন।

বক্তারা বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা মানুষের মননশীলতা বিকাশের পাশাপাশি সমাজের অসংগতি, মানুষের সুখ-দুঃখ এবং জীবনবাস্তবতাকে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাতক্ষীরার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকা মো. শফিকুল ইসলাম শফিকের নতুন এই কাব্যগ্রন্থ পাঠকদের মধ্যে সাড়া ফেলবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে কবি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের পেছনের ভাবনা ও সাহিত্যচর্চার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি মৃত্যুঞ্জয় কুমার বিশ্বাস। সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

Ads small one

আশাশুনিতে জেলা পরিষদের পুকুর দখলমুক্ত করেছেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জেলা পরিষদের পুকুর দখলমুক্ত করেছেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে জেলা পরিষদের পুকুর দখলমুক্ত করেছেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানার পাশে দীর্ঘদিন দখলকৃত জেলা পরিষদের পুকুর দখল মুক্ত করা হয়।

পুকুর দখল মুক্ত কালে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জেলা পরিষদের পুকুরসহ সরকারি যতগুলো অবকাঠামো, জমি, বিভিন্ন স্থাপনা অন্যের দখলে আছে সেগুলো দখল মুক্ত করে সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এসময় জেলা পরিষদ সার্ভেয়ার আলআমিন বলেন, দখলদার আব্দুস সবুর ৫৫ শতক জায়গার এই পুকুরটি দীর্ঘ ২৫ থেকে ৩০ বছর অবৈধ ভাবে দখল করে আসছিলেন। আজ জেলা পরিষদের সমস্ত কাগজপত্র দেখে শুনে স্ব ইচ্ছায় এই পুকুর জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

এসময় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজুর রহমান, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র, থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আরিফ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়দুল ইসলাম সহ বিএনপি’র অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

পাইকগাছা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ছাদ ঝুঁকিপূর্ণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ছাদ ঝুঁকিপূর্ণ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি; খুলনার পাইকগাছায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জরাজীর্ণ ভবনের পলেস্তারা ও ছাদ ধসে পড়ার ঘটনায় বিচারক, আইনজীবী, পুলিশ ও বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না করায় ভবনটি বর্তমানে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে আকস্মিকভাবে কোর্টের সিএসআই অফিস কক্ষের পুরাতন ছাদের একটি বড় অংশ বিকট শব্দে ভেঙে পড়ে। গভীর রাত হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি বা হতাহতের ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলেও এ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই দুর্ঘটনাটি যদি দিনের বেলায় আদালত চলাকালীন কিংবা অফিস সময়ে ঘটত, তবে কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ বড় ধরনের মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হতেন। গত দুই বছর ধরে এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের এজলাস কক্ষের ছাদের নিচে তাবু টানিয়ে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল মামলার নথিপত্র সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

খুলনা জেলা সদর থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাইকগাছায় তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে ১৯৮৩ সালে এই সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও সিনিয়র সহকারী জজ চৌকি আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ চার দশক পেরিয়ে গেলেও ঐতিহ্যবাহী এই ভবনটির প্রয়োজনীয় সংস্কার বা আধুনিকায়ন করা হয়নি। ফলে ভবনটির বিভিন্ন পিলারে ও দেওয়ালে বড় বড় ফাটল ধরেছে এবং ছাদের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

পাইকগাছা কোর্টের সিএসআই মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান,গভীর রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও আদালত প্রাঙ্গণের সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, যেকোনো মুহূর্তে পুরো ভবন ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানির মতো বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে। তাই বিচারক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনজীবী, পুলিশ সদস্য ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি সংস্কার অথবা নতুন আধুনিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

একটি সুন্দর, সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা আমিরের আহবান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
একটি সুন্দর, সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা আমিরের আহবান

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর মাসব্যাপী দাওয়াতি অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দাওয়াত পৌঁছে দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নিউ মার্কেট এলাকার বিভিন্ন অলিগলি, চায়ের দোকান, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এ দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

দাওয়াতি অভিযানে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, স্থানীয় ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল গফুরসহ সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

অভিযানের সময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের হাতে সংগঠনের পরিচিতিপত্র ও সহযোগী ফরম দেখা যায়। তারা পথচারী, ব্যবসায়ী, চায়ের দোকানের আড্ডায় থাকা মানুষ, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং জামায়াতে ইসলামের আদর্শ ও কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় আগ্রহী ব্যক্তিদের জামায়াতের সহযোগী সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এক রিকশাচালক আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কথা বলে তারা ইসলামের কথা বলেছেন এবং সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল দাওয়াতি অভিজানে অংশ নিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে একটি সুন্দর, সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে কোরআন ও ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠন করতে হবে। এর মাধ্যমে সমাজে শুদ্ধতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এদেশে একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

জামায়াত নেতারা বলছেন, তাদের মূল লক্ষ্য মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া এবং নৈতিক ও আদর্শভিত্তিক সমাজ গঠনে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা। অন্যদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মাঠপর্যায়ে এ ধরনের ধারাবাহিক কর্মসূচি জামায়াতের সাংগঠনিক তৎপরতা ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

নিউ মার্কেট এলাকায় এক ঘণ্টার এ কর্মসূচিতে জামায়াতের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাদের সরাসরি কথোপকথনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বুধবারের দাওয়াতি অভিযান।