সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

আশাশুনিতে ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের গোপন বৈঠকের অভিযোগে কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রাম থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় আজ রবিবার ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কচুয়া গ্রামে আমানউল্লাহ সরদারের এক নির্মাণাধীন ভবনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী নাশকতার পরিকল্পনায় গোপন বৈঠকে বসেন। খবর পেয়ে রাত সোয়া ১টার দিকে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অনেকেই পালিয়ে গেলেও ভবনের ছাদ থেকে কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ছাকি ফেরদৌস পলাশ, আছাফুর রহমান, ইকরামুল ঢালী, জিয়াউর রহমান, আজিজুল ইসলাম ও রাশিদুল ইসলামকে আটক করা হয়। এ সময় ভবনের নিচে থাকা অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে পালিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা নাশকতামূলক কর্মকা-ের উদ্দেশ্যে সমবেত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। এ ঘটনায় মোস্তাক আহম্মেদ বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমদ খান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে উল্লেখ করেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Ads small one

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা সোমবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে প্রথমেই আমাদের নিজেদের আওতাধীন সকল দপ্তর ধূমপানমুক্ত করতে হবে। প্রতিটি দপ্তরের প্রবেশমুখে দৃশ্যমান স্থানে নো স্মোকিং পোস্টার স্থাপন করতে হবে। যা আমরা সময়ে সময়ে মনিটরিং করবো। তিনি বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহকে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এবং জনসমাগম হয় এমন স্থানে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবহিতকরণ কর্মসূচি গ্রহণের নিদের্শনা দেন।

তিনি আরও বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিরোধী প্রচারে মসজিদের ইমামগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এছাড়া শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের সীমনার একশত মিটারের মধ্যে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় দন্ডনীয় আপরাধ উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির কথা বলেন এবং প্রতি তিন মাস অন্তর ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে বড় উদ্দেশ্য হাসিলে কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

সভায় অতিথিরা ই-সিগারেট আমদানি বন্ধ করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধূমপান বিরোধী প্রচার চলমান রাখা, নিউমার্কেট, বিএল কলেজসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসকে ধূমপানমুক্ত রাখা এবং ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিরোধী মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো: মনজুর আলম, খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো: মোশাররফ হোসেন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো: কামরুল ইসলাম, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ তামাক বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

 

পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পড়ে নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পড়ে নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পড়ে নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে ডুবুরি দল। উপজেলার কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পা ধোয়ার সময় নদে পড়ে গিয়ে শ্রমিক দিপংকর মন্ডল (৩৫) নিখোঁজ হন। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার দুপুর দুই টায় রাড়ুলীর ভরভোরিয়া স্লুইস গেট সংলগ্ন নদে ভাসমান অবস্থায় লাশ পায়।

জানা গেছে, দিপংকর মন্ডল উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়ার দুলাল মন্ডলের ছেলে। সে মালামাল উঠানো নামানোর শ্রমিকের কাজ করে। রোববার সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে কাজ শেষে ফিরে তিনি কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পা ধোয়ার সময় অসাবধানতাবশত নদে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যে তিনি গ্রোতের পানিতে তলিয়ে গেলে উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

দীপঙ্করের তলিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। কপোতাক্ষ নদের পাড়ে আছড়ে পড়ছে স্বজনদের কান্না আর আহাজারি।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌপুলিশ ও স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে নদের উত্তাল ঢেউ এবং তীব্র স্্েরাত থাকার কারণে রাতে তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। সোমবার দুপুর দুই টায় রাড়ুলীর ভরভোরিয়া স্লুইস গেট সংলগ্ন নদ থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে ডুবুরি দল।
এঘটনায় পাইকগাছা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

 

 

জনদুর্ভোগ লাঘবে শাখরা ব্রিজ সংস্কারে ৪৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
জনদুর্ভোগ লাঘবে শাখরা ব্রিজ সংস্কারে ৪৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শাখরা কোমরপুর ব্রিজ সংস্কারে ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা বরাদ্দের পর এবার ৪৫ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকালে শাখরা-কোমরপুর ব্রিজ এলাকায় যেয়ে বরাদ্দের বিষয়টি জানান, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুর রউফ। তিনি জানান, প্রথমে বরাদ্দকৃত ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকায় ব্রিজটি সম্পূর্ণরূপে সংস্কার সম্ভব নয়। এজন্য সাতক্ষীরার উন্নয়নে বরাদ্দকৃত ২০ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজের অর্থ থেকে এই ব্রিজ সংস্কারের জন্য ৪৫ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হয়েছি তো কি হয়েছে। আমি আপনাদের পাশে ছিলাম এবং যতদিন বেঁচে আছি আপনাদের পাশে সুখে দুঃখে থাকবো। আপনাদের দাবি ছিল নষ্ট হয়ে যাওয়া শাখরা-কোমরপুর ব্রিজটি সংস্কার করা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাতক্ষীরার উন্নয়নে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ঠিকাদারের মাধ্যমে এই শাখরা কোমরপুর ব্রিজের সংস্কার কাজ শুরু হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল আলম মিলন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি বজলুর রহমান, সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহানুর রহমান, দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান মিন্টু প্রমূখ। এছাড়াও বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।