রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩

আশাশুনিতে বেসরকারি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বেসরকারি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে ‘উপজেলা বেসরকারি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম’ গঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকালে আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এবং আবুল কালাম আজাদ বুলবুলের সঞ্চালনায় সভায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা অংশ নেন। সভায় বক্তারা অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং প্রবীণ শিক্ষকদের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করেন।

সভায় অন্যদের মধ্যে আলোচনা করেন নীল কণ্ঠ সোম, মনীন্দ্র নাথ, সুবোধ চক্রবর্তী, দুলাল চন্দ্র সানা, বজলুর রহমান, কামরুন নাহার কচি, মাওলানা আবুল কাশেম, বিধান চন্দ্র মন্ডল ও মাওলানা মুনিরুজ্জামান। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে রুহুল আমিনকে সভাপতি এবং নীল কণ্ঠ সোমকে সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি) নির্বাচিত করা হয়। কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন সহসভাপতি ড. নজরুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম, সুবোধ চক্রবর্তী, মাওলানা রুস্তম আলী, কামরুন নাহার কচি, দুলাল চন্দ্র সানা ও বিভূতি ভূষণ মিস্ত্রী, সহ-সম্পাদক ইয়াহিয়া ইকবাল, কোষাধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বুলবুল,,সাংগঠনিক সম্পাদক: বিধান চন্দ্র মন্ডল, দপ্তর সম্পাদক বজলুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আবু মুছা।

 

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই ফোরামের মাধ্যমে উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং পারস্পরিক যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।

 

 

 

Ads small one

১৫ জুনের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষের কড়া নির্দেশ এমপি রবিউলের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
১৫ জুনের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষের কড়া নির্দেশ এমপি রবিউলের

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলায় চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য ঠিকাদারদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। রোববার (১০ মে) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।
সভার শুরুতে উপজেলা প্রকৌশলী অনিন্দ্যদেব চলমান প্রকল্পগুলোর কাজের অগ্রগতি তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বেশ কিছু ঠিকাদারের কাজের ধীরগতি ও অনিয়ম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রকৌশলী জানান, অর্থবছর শেষ হতে চললেও অনেক কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়, যা চুক্তির শর্তের পরিপন্থী।
সংসদ সদস্য রবিউল বাশার ঠিকাদারদের বক্তব্য শোনেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণমান বজায় রেখে কাজ শেষ করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, “চুক্তি মোতাবেক কাজ করা বাধ্যতামূলক। আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সব কাজ সম্পন্ন করতে হবে। জনস্বার্থের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।”
সভায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস সবুর, উপজেলা আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল কুদ্দুছ এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভেনামি চিংড়ি চাষের সম্ভাবনা নিয়ে সচিবালয়ে পর্যালোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
ভেনামি চিংড়ি চাষের সম্ভাবনা নিয়ে সচিবালয়ে পর্যালোচনা সভা

পত্রদূত রিপোর্ট: বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ভেনামি চিংড়ি চাষের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১০ মে) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা দেশের মৎস্য খাতে ভেনামি চিংড়ি চাষের গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি আয় বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিংড়ি চাষের কোনো বিকল্প নেই।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল এবং ‘শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (সেব)-এর খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের সভাপতি ও সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা। আলোচনায় অংশ নেন ছবি ফিশ-এর মো. মুজিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, মহাপরিচালক, যুগ্ম সচিব এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কক্সবাজার, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার মৎস্য কর্মকর্তারা ভেনামি চিংড়ি চাষের মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভেনামি চিংড়ি চাষের সঠিক নীতিমালা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসবে।

দক্ষিণডিহিতে রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তী উৎসবের সাঙ্গ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
দক্ষিণডিহিতে রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তী উৎসবের সাঙ্গ

পত্রদূত রিপোর্ট: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনার ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের সমাপনী হয়েছে। রোববার (১০ মে) সন্ধ্যায় আলোচনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই আয়োজন। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এবারের উৎসবের আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘রবীন্দ্রনাথের কৃষি দর্শন’।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শুধু সাহিত্য নয়, কৃষি ও কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৈপ্লবিক ভূমিকা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। গ্রামীণ সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে তিনি নওগাঁর পতিসরে সমবায় কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা ছিল সে সময়ের জন্য এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
তারা আরও উল্লেখ করেন, কৃষিকে আধুনিক করার স্বপ্ন নিয়ে কবি নিজের ছেলে ও জামাতাকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষার জন্য। শিক্ষা শেষে তারা দেশে ফিরলে তাঁদের শিলাইদহে আধুনিক কৃষি গবেষণায় নিয়োজিত করেন। রবীন্দ্রনাথ বিদেশ থেকে উন্নত মানের বীজ ও যন্ত্রাংশ এনে দেশের কৃষি উন্নয়নে যে অবদান রেখেছিলেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়।
খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার ম-লের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘স্মারক বক্তা’ হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুচি রানী সাহা। আলোচনা সভা শেষে কবিগুরুর গান, কবিতা ও নৃত্যের সমন্বয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে স্থানীয় ভক্ত-অনুরাগী ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দক্ষিণডিহির মৃণালিনী দেবীর পৈত্রিক ভিটা প্রাঙ্গণ রবীন্দ্র অনুরাগী ও দর্শনার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।