বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

এত তেল ইরানে, রাখতে হচ্ছে পরিত্যক্ত ট্যাঙ্কে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
এত তেল ইরানে, রাখতে হচ্ছে পরিত্যক্ত ট্যাঙ্কে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের কারণে তেল রফতানি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম সংকটে পড়েছে ইরান। দেশে তেলের মজুত বেড়ে যাওয়ায় তা সংরক্ষণের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে তেহরান। পরিস্থিতির চাপে পড়ে দেশটি এখন এমন সব পরিত্যক্ত স্থানে তেল রাখার চেষ্টা করছে, যেগুলোকে শিল্প খাতে বাতিল গুদাম হিসেবে অভিহিত করা হয়। একই সঙ্গে, অপরিশোধিত তেল চীনের বাজারে পাঠাতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রেলপথ ব্যবহারেরও চেষ্টা চালাচ্ছে দেশটি। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থায় ইরানের তেল অবকাঠামো এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজারে কে আগে নতি স্বীকার করে, তা দেখার জন্যই চলছে এই অদৃশ্য লড়াই।

গত ১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করার আগে থেকেই দেশটি তেলের মজুত নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল। অ্যানালাইটিক্স প্রতিষ্ঠান কেপলার-এর তথ্য অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল ইরান প্রতিদিন গড়ে ২১ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেট লোড করতো। অবরোধের পর ১৪ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল এই হার কমে দৈনিক ৫ লাখ ৬৭ হাজার ব্যারেলে নেমে এসেছে। যুদ্ধের আগের পরিস্থিতিতে ইরান দৈনিক গড়ে ২০ লাখ ব্যারেল তেল রফতানি করতো।

রফতানি পথ বন্ধ থাকায় ইরানের জাতীয় তেল কোম্পানি এখন বাধ্য হয়ে উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে। কেপলার-এর তথ্য অনুসারে, যদি এই অবরোধ অব্যাহত থাকে, তবে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ইরানের তেল উৎপাদন বর্তমান থেকে অর্ধেকে নেমে অর্থাৎ ১২ লাখ থেকে ১৩ লাখ ব্যারেলে ঠেকতে পারে।

মজুত সক্ষমতা ফুরিয়ে আসছে বলে অপারেটররা এখন নতুন পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে। ইরানের আহভাজ ও আসালুইয়ের মতো দক্ষিণাঞ্চলীয় তেল কেন্দ্রগুলোতে থাকা পরিত্যক্ত ট্যাংক ও কন্টেইনারে তেল রাখার কাজ শুরু হয়েছে। এক ইরানি তেল কর্মকর্তা জানান, অনেক ট্যাঙ্ক নাজুক অবস্থার কারণে এতদিন অব্যবহৃত ছিল। এছাড়া সাগরে ভাসমান ট্যাঙ্কারেও তেল রাখার চেষ্টা চলছে। তবে এসব ট্যাঙ্কার এখন বিশ্ববাজারে পৌঁছাতে পারছে না।

ইরানি তেল রফতানিকারক ইউনিয়নের মুখপাত্র হামিদ হোসেইনি জানান, তারা রেলপথ ব্যবহার করে চীনে তেল পাঠানোর চেষ্টা করছেন। তেহরান থেকে চীনের ইউউ এবং শিয়ান শহর পর্যন্ত রেল সংযোগ থাকলেও এটি মোটেও সাশ্রয়ী নয়। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি নীতি বিশেষজ্ঞ এরিকা ডাউনস বলেন, দুঃসময়ে মরিয়া পদক্ষেপ নিতে হয়। কিন্তু পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় এটি কোনও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়।

হঠাৎ তেল উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া বা কমিয়ে দেওয়া ইরানের পুরোনো তেল ক্ষেত্রগুলোর জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রাইস্ট্যাড এনার্জির মতে, ইরানের প্রায় অর্ধেক তেলক্ষেত্রের চাপ কম বা ভূতাত্ত্বিকভাবে নাজুক। দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে এগুলোতে স্থায়ীভাবে উৎপাদন ক্ষমতা হারানোর শঙ্কা রয়েছে।

ইরান আশা করছে, এই অর্থনৈতিক দুর্ভোগ তাদের অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনার টেবিলে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। চ্যাথাম হাউজের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা কর্মসূচির পরিচালক সানাম ভাকিল বলেন, উৎপাদন বন্ধের চাপ আলোচনার গতি বাড়াতে পারে।

তবে প্রথম দফার আলোচনা কোনও সাফল্য ছাড়াই শেষ হয়েছে এবং ইরান দ্বিতীয় দফায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ইরান বর্তমানে আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের কাছে একটি প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে তারা হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার বিনিময়ে যুদ্ধ শেষ করা এবং মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তবে সোমবার হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, ইরানের এই প্রস্তাব নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং তার কঠোর অবস্থান এখনও অপরিবর্তিত।

অনেকে মনে করছেন, দুই সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে ইরানের তেল মজুতের জায়গা পুরোপুরি ফুরিয়ে যেতে পারে, যাকে শিল্প পরিভাষায় বলা হয় ‘ট্যাঙ্ক ভর্তি’। বর্তমানে ইরানের স্থলভাগের তেল মজুতের পরিমাণ ৪৬ লাখ ব্যারেল বেড়ে প্রায় ৪৯ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। এর মোট সক্ষমতা ৯৫ মিলিয়ন ব্যারেল হলেও ভৌগোলিক ও নিরাপত্তা সীমাবদ্ধতায় এর বড় অংশই ব্যবহারযোগ্য নয়।

এদিকে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে। সোমবার আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৮.২৩ ডলারে পৌঁছেছে। জ্বালানির এই সংকট সাধারণ ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

ট্রাম্প অবশ্য জানিয়েছেন, ইরানের তেল অবকাঠামো বিকল হতে বড়জোর তিন দিন সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে, ইরানের এক জ্বালানি কর্মকর্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকি দিয়ে বলেছেন, অবরোধ চলাকালীন ইরানের কোনও তেলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারা এর দাঁতভাঙা জবাব দেবে।

সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

 

Ads small one

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় নিয়মিত একটি মামলার আসামি হিসেবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑসাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহরের সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা শেখ জাহাঙ্গীর কবির (৪৭) এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও ইটাগাছা এলাকার বাসিন্দা এস এম তুহিনুর রহমান (৩৬)।
সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাত ও সমীর গাইনসহ পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকালই তাঁদের পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে সরকারি রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছ চাষের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮টি মৎস্য ঘেরের একটি বড় অংশই গড়ে উঠেছে সরকারি আইন ও পরিবেশগত বিধিমালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। অনেক প্রভাবশালী ঘের মালিক সরকারি পাকা ও কাঁচা সড়কগুলোকে তাঁদের ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর ফলে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শতাধিক গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন ধ্বংসের মুখে পড়েছে, তেমনি সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নব্বইয়ের দশক থেকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিল, খাল ও নদীর অববাহিকা দখল করে মাছ চাষ শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই প্রবণতা গ্রামীণ সড়কের বুক পর্যন্ত এসে ঠেকেছে। গণমাধ্যম জানাচ্ছে, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের একাংশসহ কেশবপুরের বহু গুরুত্বপূর্ণ পাকা ও কাঁচা রাস্তার শোল্ডার ও পিচের অংশ ঘেরের পানির কারণে ধসে যাচ্ছে। ফলে যানবাহন ও জনসাধারনের চলাচলের সাধারণ পথগুলো এখন বিপজ্জনক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী, যেকোনো সড়ক থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে পৃথক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
এর চেয়েও বড় সংকট তৈরি হয়েছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল করে দেওয়ায়। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা খাল ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ব্যক্তিগত মৎস্য ঘের তৈরি করায় বৃষ্টির পানি নামার পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে কাদার বিল, মহাদেবপুর বিল, পাঁচপোতার বিলসহ ওই অঞ্চলের অন্তত এক ডজন বিশাল বিলের স্বাভাবিক পরিবেশ এখন হুমকির মুখে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কেবল যোগাযোগ ব্যবস্থারই ক্ষতি হবে না, বরং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং বিল এলাকার হাজার হাজার নি¤œআয়ের মানুষ ও মৎস্যজীবী দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা সংকটে পড়বেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগ মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সচেতনতামূলক সভা করলেও তা প্রভাবশালী ঘের মালিকদের থামাতে পারছে না। নামমাত্র জরিমানা বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা এই কাঠামোগত ক্ষতি রোধে কোনো স্থায়ী সমাধান আনছে না। সরকারি সম্পদ ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা জিম্মি করে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের এই অতি-মুনাফালোভী বৈরী আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
আমরা মনে করি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে মৎস্য ঘের নীতিমালার কঠোর ও আপসহীন বাস্তবায়ন জরুরি। যেসব ঘের মালিক সরকারি রাস্তা বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কেবল জরিমানা নয়, বরং ফৌজদারি আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে অবৈধভাবে দখলকৃত খাল ও কালভার্টের মুখ অবিলম্বে উন্মুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক উন্নয়ন টেকসই হতে পারে নাÑসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত স্থায়ী পদক্ষেপ নেবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অংশ গ্রহণে ক্লাস্টারভিত্তিক মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইউআরসি ট্রেনিং সেন্টারে ৪টি ক্লাস্টারের এই পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা অংশ নেন। সভায় আলোচনায় অংশ নেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, ঝংকর ঢালী, সোহাগ আলম ও আশেকুজ্জামান।
আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, চম্পাখালী ও বুধহাটা ক্লাস্টারের শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি, জুন ক্লোজিংয়ের বিবিধ ভাউচার জমা এবং বিদ্যালয়গুলোতে ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনের সার্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।