রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কারিনা কড়া শাসনেই বড় করতে চান দুই ছেলেকে, কেন এমন সিদ্ধান্ত নায়িকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
কারিনা কড়া শাসনেই বড় করতে চান দুই ছেলেকে, কেন এমন সিদ্ধান্ত নায়িকার

সন্তানদের নিয়ে বেশ কড়া বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। দুই ছেলে তৈমুর ও জেহকে যতটা সম্ভব প্রযুক্তির আসক্তি থেকে দূরে রেখে বড় করতে চান তিনি। ফোন, ল্যাপটপ কিংবা গেম—সন্তানদের স্ক্রিন টাইম একটু বেড়ে গেলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। এই বিষয়টি নিয়েই স্বামী সাইফ আলি খানের সঙ্গে প্রায়ই তর্কেও জড়ান তিনি।

সন্তানদের মানুষ করার ক্ষেত্রে সাইফের চেয়ে নিজেকে বেশি কঠোর মা বলেই মনে করেন করিনা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই এটি জানান।

তার মতে, ছোটবেলায় প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের স্বাভাবিক শৈশবকে ব্যাহত করতে পারে।

দুই চেলের ফোন ব্যবহারের প্রসঙ্গে কারিনা বলেন, ‘ওদের কোনও নিজস্ব ফোন নেই। তৈমুরের নানির যে ফোনটা আছে, সেটাকে ও নিজের ফোন বলে দাবি করতে চায়। ও আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল—ও কি বন্ধুদের বলতে পারে, ওটা ওর ফোন? আমি সোজা মানা করে দিয়েছি! সত্যি বলতে, এই ডিজিটাল বিষয়গুলো নিয়ে আমি অতিরিক্ত প্যানিক করি।’

তবে সন্তানদের সঙ্গে এ নিয়ে তার যুক্তিও চলে। কারিনা জানান, তৈমুর তাকে পাল্টা প্রশ্ন করে—‘তুমি আর আব্বাও তো ফোনে কথা বলো!’ কিন্তু সারাদিন গেম খেলার প্রবণতা দেখলে শেষ পর্যন্ত তাকে সন্তানদের হাত থেকে ফোন কেড়ে নিতে হয়।

সন্তানদের শৈশবকে প্রযুক্তির প্রভাব থেকে আগলে রাখতেই এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছেন কারিনা। যদিও তার এই ‘কড়া মা’ হওয়ার বিষয়টি সাইফ খুব একটা সমর্থন করেন না। কারিনার ভাষ্য, ‘সন্তানদের নিয়ে তিনি বেশি ‘হাইপার’ হয়ে পড়েন বলে মনে করেন সাইফ। কিন্তু এ ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরতে নারাজ অভিনেত্রী।

কারিনার কথায়, ‘আমি চাই ওরা যত দিন সম্ভব ছোটই থাক… চিরকালের জন্য।’

প্রযুক্তির পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়েও উদ্বিগ্ন কারিনা। তিনি মনে করেন, এআইয়ের ইতিবাচক ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও এর নেতিবাচক দিকগুলো নিয়েও সতর্ক হওয়া জরুরি। বিশেষ করে শিশুদের ওপর এর প্রভাব নিয়ে এখন থেকেই ভাবা প্রয়োজন জানান তিনি।

এদিকে কাজের ব্যস্ততাও কমছে না কারিনার। মেঘনা গুলজার পরিচালিত ‘দাইরা’ ছবিতে পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের সঙ্গে দেখা যাবে তাকে। ছবিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ছবিটির।

Ads small one

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ৫ জেলায় স্কুল বন্ধ ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ৫ জেলায় স্কুল বন্ধ ঘোষণা

বঙ্গোপসাগরে ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ, যা রূপ নিতে পারে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘অর্ণব’। ভারতের আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস, আগামী ২৮ অক্টোবর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে এটি। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় এরই মধ্যে সতর্কতামূলক প্রস্তুতি জোরদার করেছে ওডিশা সরকার। ঝুঁকি বিবেচনায় রাজ্যের পাঁচ জেলায় ২৮ ও ২৯ অক্টোবর স্কুল, কলেজ ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের (আইএমডি) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। তবে আবহাওয়াবিষয়ক পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া এখনো চলমান।

সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় ওডিশার গঞ্জাম, গজপতি, রায়গড়া, কোরাপুট ও মালকানগিরি জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজ্য সরকার জেলা কালেক্টর, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করে প্রস্তুতি ও জরুরি কার্যক্রম তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি দুর্যোগ মোকাবিলায় জননিরাপত্তা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া এবং দ্রুত জরুরি সাড়া দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করছে রাজ্য সরকার।

আইএমডির পূর্বাভাসে অন্ধ্রপ্রদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ ও উপকূলীয় ওডিশায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে প্রবেশের আগে ও পরে আশপাশের এলাকায় আবহাওয়ার পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। তথ্যসূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

ধেয়ে আসছে ‘ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’, কখন কোথায় আঘাত হানবে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
ধেয়ে আসছে ‘ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’, কখন কোথায় আঘাত হানবে?

বঙ্গোপসাগরে তৈরি গভীর নিম্নচাপকে ঘিরে ভারতের পূর্ব উপকূলে দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, সিস্টেমটি এখনো গভীর নিম্নচাপ অবস্থায় থাকায় একে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ বলা যাচ্ছে না। এটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোরের মধ্যে বিশাখাপত্তনম ও গোপালপুরের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে সিস্টেমটি স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। সম্ভাব্য স্থলভাগে প্রবেশের এলাকা কালিঙ্গপটনমের কাছাকাছি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

অর্থাৎ, বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, স্থলভাগে ঢোকার আগে সিস্টেমটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই একে এখনই ‘ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’ বলা ঠিক নয়। উত্তর ভারত মহাসাগরে কোনো সিস্টেম ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলেই ‘অর্ণব’ নামটি ব্যবহার করা হবে।

গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করবে। সম্ভাব্য এলাকা বিশাখাপত্তনম থেকে গোপালপুরের মধ্যবর্তী উপকূল, বিশেষ করে কালিঙ্গপটনমের আশপাশ।

আইএমডির সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিস্টেমটি বুধবার রাতেই উপকূল অতিক্রম করতে পারে। সমুদ্র তখনো উত্তাল থাকবে এবং বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে খুবই খারাপ সমুদ্র পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।

উপকূলের কাছে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ আরও বেশি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ উড়িষ্যা ও উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

দক্ষিণ উড়িষ্যায় ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি বিচ্ছিন্নভাবে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কোরাপুট, গজপতি ও গঞ্জামসহ কয়েকটি এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পরিস্থিতির কারণে রাজ্যের একাধিক জেলায় স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। খুরদা, জগৎসিংহপুর, গঞ্জাম ও গজপতিতে স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মালকানগিরিতে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রশাসনও প্রস্তুতি জোরদার করেছে। কোথাও জরুরি দল মোতায়েন করা হয়েছে, কোথাও সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশেও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ, ইয়ানাম ও রায়ালসীমার বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

শ্রীকাকুলাম ও বিজয়নগরম জেলায় ভারী বৃষ্টির কারণে বুধবার স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে অতিবৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়া ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও রয়েছে। এ কারণে সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি।

সরাসরি স্থলভাগে আঘাতের কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গ নয়। তবে সিস্টেমটির প্রভাবে রাজ্যের উপকূলীয় জেলাগুলোতেও ভারী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আইএমডি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি, বজ্রঝড় ও ঝোড়ো আবহাওয়ার সতর্কতা দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের সিস্টেমটির বাইরের ঘূর্ণাবর্ত স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে মিশে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির মাত্রা বাড়াতে পারে।

পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ, উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি সমুদ্র ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তাল থেকে অতি উত্তাল থাকতে পারে। উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থলভাগে ঢোকার পর এই সিস্টেমের প্রভাব শুধু উপকূলীয় রাজ্যগুলোতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিহারেও ২৩ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বজ্রপাত, বজ্রঝড় ও শক্তিশালী বাতাসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আইএমডির পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ও শুক্রবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি এবং শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ও রোববার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ‘অর্ণব’ নামে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে, এমনটা নিশ্চিত নয়। আবহাওয়া বিভাগ বলছে, বঙ্গোপসাগরের বর্তমান সিস্টেমটি গভীর নিম্নচাপ হিসেবেই উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা বেশি।

২৪ দিনে প্রবাসী আয় ২৬ হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ২৬ হাজার কোটি টাকা

 

চলতি অক্টোবরের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২১৩ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১২৩.৬৫ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬ হাজার ২৪০ কোটি টাকা।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।মানচিত্র দেখুন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম দিন থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে ১৯ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত— ৬ দিনেই ২৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার এসেছে। যেখানে গত বছর অক্টোবরের প্রথম ২৪ দিনে দেশে ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

সবমিলিয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ১ হাজার ৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে দেশে ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার এসেছিল। এই হিসাবে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ১১ দশমিক ৯ শতাংশ।