বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

কেউ পাস করেনি- এমন প্রতিষ্ঠান বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
কেউ পাস করেনি- এমন প্রতিষ্ঠান বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি—এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৫ সালে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। এবার তা বেড়ে হয়েছে ৩১২টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৭৮টি। শতকরা হিসাবে এ বৃদ্ধি প্রায় ১৩৩ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৩৪টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে ৩১২টিতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।

একই সময়ে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কমেছে। ২০২৫ সালে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৯৮৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। এবার এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে হয়েছে ৬৬৯টি। অর্থাৎ শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান কমেছে ৩১৫টি।

ফলে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে এবার দুই ধরনের পরিবর্তন স্পষ্ট হয়েছে—শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে, আর শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে।

অন্যদিকে সামগ্রিক ফলাফলেও অবনমন হয়েছে। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট।

এবার মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯৭ জন। গত বছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন এবং উত্তীর্ণ হয়েছিল ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন।

এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

Ads small one

দেবহাটায় সোনালু বাগান উদ্বোধন করলেন ডিসি কাউসার আজিজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় সোনালু বাগান উদ্বোধন করলেন ডিসি কাউসার আজিজ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার দেবহাটায় ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় সোনালু বাগান সৃজন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কোমরপুর এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ কাউসার আজিজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন সম্প্রসারণে বেশি বেশি গাছ লাগানোর ওপর জোর দিতে হবে।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বছর সাতক্ষীরার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে বিশেষ বাগান সৃজন করা হচ্ছে। দেবহাটার পারুলিয়ায় সোনালু গাছের বাগান করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দৃষ্টিনন্দন ভ্রমণস্থলে পরিণত হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আলোচনা সভায় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহার পরিচালনায় বক্তব্য দেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মঈনুল ইসলাম মঈন, দেবহাটা উপজেলার সহকরী কমিশনার (ভূমি) চৌধুরী আল মাহামুদ, দেবহাটা উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান, দেবহাটা থানার ওসি এইচএম শাহিন, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন হিরা, ইউপি সদস্য আব্দুর আলিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

এদিকে বৃক্ষ রোপণ শেষে আলোচনা সভায় আলোচনা রাখেন জেলা প্রশাসক। এছাড়া কোমরপুর কুমড়াখালি খালের উপর আয়রন ব্রীজ পরিদর্শন করেন।

ডেঙ্গুরোগ বিস্তাররোধে করণীয় নির্ধারণে অংশীজনদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুরোগ বিস্তাররোধে করণীয় নির্ধারণে অংশীজনদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেঙ্গুরোগ বিস্তাররোধে করণীয় নির্ধারণে অংশীজনদের বিশেষ সভা আজ (বৃহস্পতিবার) বিকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই।

 

সচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রকোপ কমানো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী একযোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। উক্ত কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকল কর্মকর্তাদের নিদের্শনা দেন বিভাগীয় কমিশনার।
সভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রশাসকগণ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

 

খুলনা বিভাগীয় কমিশানের সম্মেলনকক্ষে সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো: মনজুর আলম, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মো: মোশাররফ হোসেন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুুলিশ সুপার মো: সাজ্জাদুর রহমান রাসেল, বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকরি হাসপাতালের অধ্যক্ষ ও পরিচালক, সিপিপি, স্কাউটস, রোভার স্কাউটসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

কলারোয়ায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসুচির আওতায় সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার কলারোয়া মডেল হাইস্কুল প্রাঙ্গনে উক্ত গাছের চারা বিতরণ করেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহি কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহি এসএম মাহফুজুর রহমান।

এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ রইচ উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মোল্লা, সাংগঠনিক তামিম আজাদ মেরিন, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক মাস্টার মনিরুজ্জামান, উপজেলা জামাতের আমির কামরুজ্জামান, বেত্রাবতী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল ইসলাম, কলারোয়া মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিনসহ বেত্রাবতি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলারোয়া মডেল হাইস্কুল এবং বাটরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব এ সময় বলেন, কলারোয়া উপজেলায় একটি মিনি স্টেডিয়াম, শিল্পকলা একাডেমী, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থগার নির্মানসহ বিভিন্ন খেলার মাঠ সংস্কার করার আশ^াস দেন। গাছের চারা বিতরণ শেষে তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে গাছের চারা রোপন করেন।