শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

খুলনায় তিন দিনের মাশরুম মেলা: পুষ্টি ও সমৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
খুলনায় তিন দিনের মাশরুম মেলা: পুষ্টি ও সমৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা

পত্রদূত ডেস্ক: মাশরুমÑএক সময় যা ছিল কেবল দামী রেস্টুরেন্টের মেন্যুতে সীমাবদ্ধ, তা এখন সাধারণ মানুষের পাতে পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে কৃষি বিভাগ। মাশরুম চাষের সম্প্রসারণ, পুষ্টির উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে আঞ্চলিক মাশরুম মেলা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) খুলনা শহীদ হাদিস পার্কে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, “অল্প শ্রম, সামান্য পুঁজি আর খুব অল্প জায়গাতেই মাশরুমের লাভজনক ফলন সম্ভব। এই মেলার মাধ্যমে আমরা নতুন এক বার্তা পেলাম। এখন আর শুধু স্যুপ নয়, মাশরুম থেকে কেক, চিপস ও পাউডার তৈরি করে বাজারজাত করা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, মাশরুমের রয়েছে ব্যাপক ঔষধি গুণ। এটি চাষ করে বিশেষ করে নারীরা স্বাবলম্বী হতে পারেন, যা দারিদ্র্য বিমোচনে বড় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ‘কৃষক কার্ড’ কৃষিতে নতুন বিপ্লব ঘটাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত এই মেলায় খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা উদ্যোক্তারা অংশ নিয়েছেন। মেলায় স্টল সংখ্যা ২২টি। তাজা মাশরুমের পাশাপাশি মাশরুম দিয়ে তৈরি নানা প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও প্রসাধনী। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ (কী-নোট পেপার) উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মোছা. আক্তার জাহান কাঁকন। তিনি মাশরুমের পুষ্টিগুণ ও চাষ পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক দিকগুলো তুলে ধরেন। হর্টিকালচার উইং-এর পরিচালক ড. মো. হজরত আলী মাশরুমকে ভবিষ্যতের ‘সুপার ফুড’ হিসেবে আখ্যা দেন।

খুলনা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোল্যা কবীর হোসেনসহ সফল মাশরুম উদ্যোক্তারা। উদ্বোধনের আগে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মাশরুম চাষে আগ্রহ বাড়াতে মেলা প্রাঙ্গণে দর্শকদের জন্য হাতে-কলমে তথ্য প্রদানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

 

 

 

Ads small one

শোধ নেবো বলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
শোধ নেবো বলে

মুকুল ম্রিয়মাণ
শোধ নেবো বলে বলে আর শোধ নেয়া হয়নি,
রাগের,ক্রোধের- উদ্ধত ফণাগুলো অবদমন হয়ে গেছে সেই কবে,
এখন কোনো অপার্থিব ইশারায় অগ্নিচুল্লিতে চুপচাপ ফুটছে সব নির্ঘুম শান্ত্রিক ফুল।
শোধ নেবো বলে বলে আর শোধ নেয়া হয়নি আজ অব্দি,
ডুবে গেছে সব সংক্ষুব্ধ আবেগ, উবে গেছে সব ক্রুদ্ধস্বর আর প্রতিশোধের প্রতিচিন্তা।

অনুরাগের বিপ্রতীপ আনাগোনায়
অবশ্যম্ভাবী ভাবেই থেমে গেছে সব প্রতিপাক্ষিক দুঃখ বিলাপ;
কার বিরুদ্ধে শোধ নেবো?কার বিরুদ্ধেইবা ছুঁড়বো বিষমাখা তীর?
শোধ নেবো বলে বলে আর শোধ নেয়া হয়নি-
রক্তকণা থেকে মুছে গেছে সব ঘৃণা ও ধ্বংসের কার্তুজ,
তার ছুঁড়ে দেওয়া ব্যথা ও পাপ প্রণোদনা তাই আজ হয়েছে
এক সুবিশাল প্রেমের স্মারক।

অসহায়ের বন্দী দশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
অসহায়ের বন্দী দশা

সুদয় কুমার মন্ডল
প্রকৃতির অপত্য স্নেহে শৈশব কৈশোর যৌবন
স্রোতস্বীনির ন্যায় বিরামহীন গতিতে চলেছে
বর্ধিষ্ণু জীবনের সূচনায় মায়াবী পৃথিবীর
আঁচল ধরে দেখেছি কত স্বপ্ন দুঃস্বপ্নের রাত্রি।

চন্দ্র খোচিত রাত্রি অপরূপ মনোহর
সূর্যের হাসি মুখ জানায় জাগতিক সম্ভাষণ
নীল আকাশের নিচে চলে জাগতিক উৎসব
ভালো-মন্দ সুখ-দুঃখ সবই বিরাজমান ।

তথাপি গরিয়সী ভুবনে মানুষ স্বার্থপর
স্বভাবজাত প্রাপ্ত মানুষের উত্তরাধিকার
এ তপবন নিছক মায়াবী আবাসন
প্রেম প্রীতি ভালবাসা সবই মরীচিকা।

বার্ধক্য জীবনের শেষ ঠিকানা
চুল দাড়ি সাদা হয় দন্ত পড়ে যায়
বধির কর্ণ চক্ষুদ্বয় দৃষ্টিহীন চরণ যুগল
দেহেরভার বইতে অক্ষম,কত অসহায়ত্ব বরণ

গতিময় সংগ্রামী জীবন ক্ষণিক স্থিতি
জীবন সায়াহ্নে পরাজিত বন্দী সৈনিক
স্রোতহীন নদীসহস্র শৈবালদাম বধে তারে
ক্ষণজীবনের লব্ধ অভিজ্ঞতার ফসল।

ভেঙেছে নদী, ভেঙেছে ঘর
ছিঁড়েছে চাকরির খাতা
তবুও দাঁড়িয়ে একলা মানুষ
জেগে ওঠা চরের মাথা।

নাম নেই তার ইতিহাসে
আছে শুধু আজীবনের ব্যথা
সেই মানুষটাই কিংবদন্তি
যে হার মানেনা কোথা-

 

মা এবং আমি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
মা এবং আমি

গাজী গিয়াস উদ্দিন
আমার মা আমার আল্লাহ আর আমি
আমরা তিনজনই একত্রে বাস করতাম
এখন মা নেই
প্রভু আছেন
মা প্রভুর কাছেই আছেন।

মা আমাকে সৃষ্টিকর্তার মতোই ভালোবাসতেন
মায়ের আঁচলের নিচেই ভালোবাসা ও আমি ঘুমাতাম
মা ফজরে আমাকে জাগাতেন
আমি ও মা আল্লাহর কাছে চলে যেতাম।

পৃথিবীর সকল বৈভব-সকল আশা আকাঙ্খা
জীবনের সকল সাহস ও সহায় মাকে ঘিরে পেয়েছি
এখন আর চিন্তা কিসের-
আমি ও মা দুজনই আল্লাহর কাছে আছি।