বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ডিসি সম্মলেন ২০২৬: সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে যত উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
ডিসি সম্মলেন ২০২৬:  সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে যত উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ৩ থেকে ৬ মে পর্যন্ত চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে সরকার। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রথম ডিসি সম্মেলন, যেখানে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও নীতি-নির্ধারণী দিক-নির্দেশনা দেবেন।

কর্মসূচির বিস্তারিত

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৩ মে রবিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও সম্মেলনের মূল কার্য-অধিবেশনগুলো ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনেই অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের কাছে প্রস্তুতির নির্দেশনা সংবলিত স্মারক পাঠানো হয়েছে।

নির্বাচনি ইশতেহার ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিফলন

এবারের সম্মেলনের মূল উপজীব্য হতে যাচ্ছে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ রূপরেখা। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং দুর্নীতি নির্মূল ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মাঠ প্রশাসনকে প্রস্তুত করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ডিসিদের জন্য সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনায় গুরুত্ব পাবে জনকল্যাণমুখী সেবা নিশ্চিতকরণ।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে জনকল্যাণমুখী ইশতেহার ও রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা ঘোষণা করে।

আলোচনার কেন্দ্রে যেসব বিষয়

জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে—

মাঠ প্রশাসন শক্তিশালীকরণ: জেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করা এবং কাজের গতি বাড়ানো।

আইনশৃঙ্খলা ও দ্রব্যমূল্য: বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এছাড়া ডিসিদের সম্ভাব্য প্রস্তাবের মধ্যে জনসেবা, অবকাঠামো নির্মাণ ও বিদ্যমান বিধিমালা সংশোধনের বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে।

৩১ দফার বাস্তবায়ন: সংবিধান সংস্কার, প্রশাসনিক সংস্কার, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নের মতো বিষয়গুলো মাঠ পর্যায়ে কীভাবে কার্যকর হবে, তার রূপরেখা।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্র মেরামতে তারেক রহমানের ৩১ দফার রূপরেখাটি মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে রাষ্ট্রের সংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সংস্কারের প্রস্তাবনা। আর দ্বিতীয় ভাগে আছে অর্থনীতি ও সমাজসংক্রান্ত নানা বিষয়ে নীতি-সংস্কারের প্রতিশ্রুতি।

ডিসিদের প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়া

কুষ্টিয়ার ডিসি তৌহিদ বিন হাসান, পিরোজপুরের ডিসি আবু সাঈদ ও রাজবাড়ীর ডিসি আফরোজা পারভীনসহ কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখাকে প্রাধান্য দিয়েই তারা জেলা প্রশাসনের প্রস্তাবনাগুলো সাজাচ্ছেন। জনগণের দেওয়া ৫ বছরের ম্যান্ডেট সফল করতে তারা সরকারের স্বস্তিদায়ক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে সচেষ্ট।

বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের ভাষ্য

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররফ হোসাইন ভূঁইয়া জানান, মাঠ পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি বা মুখপাত্র হিসেবে ডিসিরা কাজ করছেন। জনসাধারণের সঙ্গে সেতুবন্ধনে ডিসিরা বড় ভূমিকা পালন করেন। সরকারের নির্দেশনা ও ডিসিদের প্রস্তাবনার সমন্বয় হলে তার সুফল সাধারণ মানুষ পাবে।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে। এটি বর্তমান সরকারের প্রথম ডিসি সম্মেলন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেবেন, যদিও তার নির্দেশনায় কি কি বিষয় থাকবে— তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, মাঠ পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি এবং নীতিনির্ধারক হিসেবে পরিচিত জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময় এবং সরকারের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়ার জন্য সাধারণত প্রতি বছর জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বছরের মাঝামাঝি জুন-জুলাইয়ে আয়োজন করা হলেও করোনা মহামারির কারণে এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেছে। করোনার কারণে ২০২০ এবং ২০২১ সালে ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০২২ সাসের ১৮ থেকে ২০ জানুয়ারি— তিনদিন এই সম্মেলন হয়। ২০২৩ সালে ডিসি সম্মেলন হয়েছে— ২৪ থেকে ২৬ জানুয়ারি। ২০২৪ সালের ৩ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত চারদিন অনুষ্ঠিত হয়েছে ডিসি সস্মেলন। ২০২৫ সালে ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি।

Ads small one

কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়া জেলে মো. আরিফ হাসানের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৯ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাট সংলগ্ন নদ থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত আরিফ হাসান চাকলা গ্রামের মৃত আব্দুল হাই সানার ছেলে। এর আগে গত সোমবার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে চাকলা গ্রামের কপোতাক্ষ নদে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আরিফ হাসান প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে একা একটি নৌকা নিয়ে কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরতে যান। বিকেলের দিকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে একপর্যায়ে তাঁর নৌকার ওপর বজ্রপাত হয়। এতে তিনি নৌকা থেকে ছিটকে নদে পড়ে নিখোঁজ হন এবং নৌকাটি ডুবে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয় জেলে, স্বজন ও এলাকাবাসী মিলে ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধার করতে পারলেও আরিফের কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও ডুবুরিরা নদে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাটের পাশে নদে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে আরিফ হাসানের মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে চিলতে ওই গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রউফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই নদের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

সম্পাদকীয়/ ডিজিটাল সেবার নামে এনালগ ভোগান্তি বন্ধ হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ ডিজিটাল সেবার নামে এনালগ ভোগান্তি বন্ধ হোক

প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক ও সহজ গ্রাহকসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে দেশে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল গ্রাহকেরা ঘরে বসেই অনায়াসে রিচার্জ করতে পারবেন এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব রাখতে পারবেন। কিন্তু সাতক্ষীরায় ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) প্রিপেইড মিটারের বর্তমান চিত্রটি ঠিক এর উল্টো। গত এক মাস ধরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশ, রকেট বা নগদের মাধ্যমে রিচার্জ করতে না পেরে শত শত গ্রাহককে তীব্র গরমের মধ্যে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে এসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। সেবা সহজ করার আধুনিক এই মাধ্যমটি এখন গ্রাহকদের জন্য নতুন ভোগান্তি, এমনকি কারও কারও ভাষায় ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পত্রদূত পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সাতক্ষীরা শহরের পাকাপোল এলাকার ওজোপাডিকোর গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে সকাল থেকেই নারী, পুরুষ, প্রবীণ ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় জমছে। অনেক বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তীব্র গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। একদিকে ডিজিটাল রিচার্জ ব্যবস্থা অচল, অন্যদিকে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের জন্য কাউন্টার সংখ্যা অপ্রতুল। ফলে মাত্র একটি বা দুটি কাউন্টারের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে দিনমজুর থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষকেও। যেখানে সাধারণ মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, সেখানে সেবার নামে এমন এনালগ ও কষ্টদায়ক ব্যবস্থা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
ওজোপাডিকোর আওতাধীন সাতক্ষীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের গ্রাহক সংখ্যা ৪৫ হাজারের বেশি। এত বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের সেবা সচল রাখতে কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করা কর্তৃপক্ষের প্রথম দায়িত্ব ছিল। অথচ এক মাস ধরে এই সংকট চললেও এখন পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন রিচার্জ সুবিধা চালু করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কাউন্টার বাড়ানোর যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তা সাময়িক উপশম মাত্র, স্থায়ী সমাধান নয়।
আমরা মনে করি, আধুনিক সেবার মূল শর্তই হলো তা হয়রানিমুক্ত ও সহজলভ্য হতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে এসে সামান্য রিচার্জের জন্য মানুষকে কাজ ফেলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হওয়া প্রশাসনের সমন্বয়হীনতা ও দূরদর্শিতার অভাবকেই স্পষ্ট করে। অবিলম্বে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপগুলোর কারিগরি জটিলতা দূর করে ঘরে বসে রিচার্জের ব্যবস্থা সচল করতে হবে। একই সঙ্গে এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে কাউন্টার ও লোকবল বাড়িয়ে লাইনে দাঁড়ানো মানুষের কষ্ট লাঘব করা জরুরি। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করবে।

প্রতাপনগরে বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
প্রতাপনগরে বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলায় কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে আরিফ হোসেন (৩৫) নামে এক মৎস্যজীবি নৌকা থেক পড়ে নিখোঁজ রয়েছে। সোমবার (৮ জুন) বিকাল ৫ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া নৌকা উদ্ধার হলেও আরিফের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ জানান, চাকলা গ্রামের মৃত্যু আব্দুল হাই সানার ছেলে আরিফ হোসেন প্রতিদিনের ন্যায় নদীতে নৌকায় মাছ ধরার কাজে করছিল। হঠাৎ মেঘের গর্জন ও হাল্কা বৃষ্টিপাতের একপর্যায়ে নৌকায় বজ্রপাতে ঘটলে নৌকায় থাকা একমাত্র আরিফ হোসেন ছিটকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যায় এবং নৌকটিও নদীতে ডুবে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় নৌকাটি উদ্ধার করা গেলেও আরিফ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ আরিফ হোসেনের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন আত্মীয় স্বজন, এলাকাবাসী ও মৎস্যজীবীরা।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি, কয়রা থেকে ফায়ার সার্ভিসের টিম সদস্য ও ডুবুরীরা উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
আশাশুনি ফায়ার সার্ভিসের সদস্য জাকির হোসেন জানান, কয়রা থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কাজে গিয়েছে।