শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

তাপপ্রবাহ, বিদ্যুৎঘাটতি ও অন্ধকারের অন্তর্লিখন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
তাপপ্রবাহ, বিদ্যুৎঘাটতি ও অন্ধকারের অন্তর্লিখন

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

বাংলাদেশে গ্রীষ্ম মানেই তাপদাহ, আর তাপদাহ মানেই বিদ্যুতের ওপর বাড়তি চাপ-এই বাস্তবতা নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতি কেবল মৌসুমি চাপের সীমা অতিক্রম করে একটি গভীর কাঠামোগত সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাজশাহী, খুলনা বিভাগসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাপপ্রবাহের সঙ্গে বিদ্যুৎঘাটতি যেভাবে একসঙ্গে প্রকট হয়েছে, তা আমাদের বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘদিনের নীতিগত দুর্বলতা, পরিকল্পনার অসামঞ্জস্য এবং জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতার একটি সুস্পষ্ট প্রতিফলন।

 

এই সংকটকে বোঝার জন্য কেবল বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলেই হবে না; বরং এর পেছনের কাঠামোগত কারণ, নীতিগত সিদ্ধান্ত, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব-সবকিছুকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে-এটি একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া। গরমে ফ্যান, এয়ারকন্ডিশনার, পানির পাম্প-সবকিছুর ব্যবহার বেড়ে যায়।

 

শিল্পকারখানায়ও শীতলীকরণ ব্যবস্থার প্রয়োজন বাড়ে। ফলে বিদ্যুতের চাহিদা একধাক্কায় কয়েক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি পৌঁছানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে উৎপাদন হচ্ছে তার চেয়ে অনেক কম। ফলে তৈরি হচ্ছে ঘাটতি, যা লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে সামাল দেওয়া হচ্ছে।

 

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো-এই চাহিদা কি সত্যিই অপ্রত্যাশিত? না, মোটেই নয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রতি বছরই তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়। কাজেই পরিকল্পনা থাকলে এই চাহিদা মোকাবিলা করা সম্ভব ছিল। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হলো-উৎপাদন সক্ষমতা ও বাস্তব উৎপাদনের মধ্যে বিশাল ব্যবধান।

 

দেশে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বাস্তবে তা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এর প্রধান কারণগুলো হলো: গ্যাস, কয়লা ও তেলের সরবরাহে ঘাটতি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সবচেয়ে বড় বাধা। গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো গ্যাস পাচ্ছে না, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো কয়লার অভাবে বন্ধ বা আংশিক চালু, আর তেলচালিত কেন্দ্রগুলো তেলের উচ্চমূল্য ও বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে সীমিত উৎপাদনে বাধ্য হচ্ছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত ক্রমেই আমদানিনির্ভর হয়ে উঠেছে।

 

কয়লা, এলএনজি, এমনকি বিদ্যুৎও আমদানি করতে হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি বা সরবরাহে বিঘœ ঘটলেই দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যাহত হয়। বড় বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। কিন্তু সংকটের সময় এসব ত্রুটি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। গত এক দশকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ হয়েছে। নতুন নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, উৎপাদন সক্ষমতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এই বিনিয়োগের একটি বড় অংশ ছিল পরিকল্পনাহীন বা অসমন্বিত।

 

বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের আগে জ্বালানির স্থায়ী উৎস নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে এখন কেন্দ্র আছে, কিন্তু চালানোর মতো জ্বালানি নেই। বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী, কেন্দ্র চালু থাকুক বা না থাকুক, সরকারকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতে হয়। এতে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে পরিকল্পনা অনেক সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।

 

বর্তমান লোডশেডিং পরিস্থিতির একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো-গ্রামাঞ্চলে এর প্রভাব অনেক বেশি। শহরে তুলনামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল থাকলেও গ্রামে দিনে ৮-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এই বৈষম্যের কারণগুলো হলো:শহরে শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেশি, তাই সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। গ্রামীণ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা সীমিত সরবরাহকে “লোড ম্যানেজমেন্ট” করার সময় গ্রামকে সহজ লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেওয়া কিন্তু এই নীতি দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।

 

কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প ও গ্রামীণ অর্থনীতি এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। লোডশেডিং কেবল একটি প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়; এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট। সেচব্যবস্থা বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ না থাকলে কৃষকরা সময়মতো জমিতে পানি দিতে পারেন না। ফলে ফসলের উৎপাদন কমে যায়। গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা রাতে পড়াশোনা করতে পারে না। পরীক্ষা সামনে থাকলেও তারা প্রস্তুতি নিতে ব্যর্থ হয়। তীব্র গরমে বিদ্যুৎ না থাকলে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষের কষ্ট বহুগুণ বেড়ে যায়।

 

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটকে পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবে দেখা যাবে না। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনও এখানে বড় ভূমিকা রাখছে। তবে প্রশ্ন হলো-এই ঝুঁকিগুলো কি আগে থেকে অনুমান করা যেত না? নিশ্চয়ই যেত। কিন্তু সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সমন্বয়। জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ জোরদার করা, লোডশেডিং বণ্টনে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা, দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা, বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, পরিকল্পনা প্রণয়নে রাজনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করা, বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট কেবল একটি মৌসুমি সমস্যা নয়; এটি একটি কাঠামোগত ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ।

 

তাপপ্রবাহ সাময়িকভাবে এই সংকটকে তীব্র করেছে, কিন্তু এর মূল কারণ নিহিত রয়েছে নীতিগত দুর্বলতা ও পরিকল্পনার ঘাটতিতে। যদি এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে ভবিষ্যতে এই সংকট আরও ঘন ঘন ও তীব্র আকারে ফিরে আসবে। বিদ্যুৎ খাত একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মেরুদ-। সেই মেরুদ- যদি দুর্বল হয়ে পড়ে, তবে উন্নয়নের পুরো কাঠামোই ঝুঁকির মুখে পড়ে। অতএব, সময় এসেছে কাগুজে সক্ষমতার মোহ থেকে বেরিয়ে বাস্তবসম্মত, টেকসই ও জবাবদিহিমূলক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার। নইলে তাপপ্রবাহের সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকারই হবে আমাদের নিত্যসঙ্গী।

লেখক: সংবাদকর্মী

Ads small one

কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ছয় লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ছয় লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা ও হিজলদী বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালী হতে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

এছাড়াও, হিজলদী বিওপির আভিযানে বড়ালী হতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

সাতক্ষীরায় প্রাণসায়র খাল রক্ষায় সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রাণসায়র খাল রক্ষায় সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন

সংবাদদাতা: পরিবেশ সংরক্ষণ, ঐতিহ্যবাহী জলাশয় রক্ষা এবং নাগরিকদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণসায়র খালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সাতক্ষীরা পৌরসভা, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এবং সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

সাইনবোর্ডগুলোতে খাল, জলাশয় ও উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ও প্লাস্টিক না ফেলা, পরিবেশ দূষণ রোধ, পরিচ্ছন্ন নগর গঠন এবং পরিবেশবান্ধব নাগরিক আচরণ গড়ে তোলার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা ও নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, প্রাণসায়র খাল সাতক্ষীরা শহরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত সম্পদ এবং এই শহরের ফুসফুস। এর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে জনসচেতনতা এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কেবল একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সাতক্ষীরা শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

সাইনবোর্ড স্থাপন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর মাহাফুজুর রহমান মুকুল, পরিবেশকর্মী অনিমেষ পাল এবং রুহিতোষ কুমার দাশ, প্রান্তিক যুব সংঘের সভাপতি হৃদয় মন্ডল ও প্রচার সম্পাদক মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন প্রমুখ।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আয়োজক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সাতক্ষীরার সাধারণ জনগণের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়ে বলা হয় খাল, নদী, নালা বা কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের পচনশীল বা অপচনশীল বর্জ্য ফেলবেন না। একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল-ইউজ) প্লাস্টিকের ব্যবহার বর্জন করুন। পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তুলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, নিরাপদ ও সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করুন।

 

 

 

 

লিডার্স এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
লিডার্স এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

শনিবার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্সের বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন লিডার্সের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ নজরুল ইসলাম
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লিডার্সের নির্বাহী পরিচালক ও সম্পাদক মোহন কুমার মন্ডল।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত লিডার্সএর সাধারণ পরিষদের সদস্য রনজিৎ কুমার বর্মন, বিধু¯্রবা মন্ডল, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, আমিনা বিলকিস, লিপিকা রায়, জি এম নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। তারা লিডার্স এর জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা, প্রান্তিক মানুষদের উন্নয়নে লিডার্সের অবদান, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, কৃষি উন্নয়ন, বনায়ন ও বন সংরক্ষণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে লিডার্সের কার্যকরী ভূমিকা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এছাড়া বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের অডিট প্রতিবেদন অনুমোদন, ২০২৫-২০২৬ ও ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের অডিটর নিয়োগ, ২০২৬-২০২৭ সালের বাজেট অনুমোদন ও অন্যান্য অনেক বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি