শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩

তারেক মঞ্চ সাতক্ষীরা সদর থানা কমিটির অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
তারেক মঞ্চ সাতক্ষীরা সদর থানা কমিটির অনুমোদন

সংবাদদাতা: বিএনপির অঙ্গসংগঠন ‘তারেক মঞ্চ’-এর সাতক্ষীরা সদর থানা শাখার আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২১ আগস্ট সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আহ্বায়ক মো. মোনোয়ার মিয়া ও সদস্যসচিব মো. রফিকুল ইসলাম ৫১ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটিতে মো. সাব্বির হোসেনকে আহ্বায়ক এবং মো. খোকন মোল্লাকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। নীল রতন মিত্রকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রাজ্জাক, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. শাহিনুর, মো. আনারুল ইসলাম, মো. অব্দুল রাজ্জাক, মো. আজমল, মো. জোহর আলী, মো. আবদুল আলিম, মো. মগফুর, মো. সাব্বির, মো. মিজান ও মো. মাহবুর।

এ ছাড়া সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন মো. আবু জাফর, মো. মফিজুল, মো. আবদুর রহমান, মো. নাসিম, মো. মহিবুল্লাহ, মো. হোসেন আলী, মো. রুবেল, মো. সালাহ উদ্দীন, মো. হাফিজুল ইসলাম, মো. রিজাউল ও মো. আকাশসহ অন্যেরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা কার্যালয়ে থানা কমিটির নেতাদের হাতে অনুমোদিত পত্রে তুলে দেওয়া হয়।

 

Ads small one

শেষ চুম্বন আমার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৯ পূর্বাহ্ণ
শেষ চুম্বন আমার

‎সুশান্ত হালদার
‎‎তুমি কি সেই পারিজাত
‎বর্ষার কদমে এনেছিলে ঘৃতকুমারীর কামাতুর সুবাস?
‎ওগো মধুমালতী
‎তুমি কি সেই পারিজাত
‎রক্তকরবী বুকে এনেছিলে দ্রোণাচার্য অভিশাপ?
‎তুমি কি সেই পারিজাত
‎ভেবেছিলে যাগযজ্ঞ ছাড়াই লক্ষ্যভেদী অর্জুন হবে তোমার?
‎আমাকে দেখ
‎ক্ষতগুলো সব হেমবর্ণ অত্যুজ্জ্বল, নিপীড়িতের নির্য়াস
‎গন্ধর্বকুলে ডেকে এনেছি তাই নিজেই নিজের সর্বনাশ,
‎তুমি কি সেই পারিজাত
‎ভেবেছিলে লোহিত চন্দনে লেখা হবে ইতিহাস তোমার?
‎আমাকে দেখ
‎পারস্য তটে সিন্ধু ভুলেছি, ইন্দো আর্যে দ্রাবিড়,
‎ইতিহাস বিধৌত বাংলাদেশ যদি হয় আমার
‎টগর বুকে ‘বিজয়া’ লিখে…
‎শারদ স্মরণীয়তায় পারিজাত বুকে শেষ চুম্বন আমার!

গাঁয়ের মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
গাঁয়ের মানুষ

দুখু হুমায়ুন
বনের ধারে মাঠের পাশে ছোট্ট পাতার ঘর,
সবাই মিলে বসত সেথা কেউ নয়তো পর।
সবুজ বনে শিতল ছায়া জুড়ায় মন প্রান,
আসলে সেথা সবুজ গাঁয়ে পাবে ফুলের ঘ্রাণ।
শস্য শ্যামল মাঠের পাশে আমরা করি বাস,
সুখের ধারা বহে সেথায় বুকে নির্মল শ্বাস।
মাঠের মাঝে ডুবার জলে মাছের মেলা বসে,
মটরশুটি বিছায় মাদুর মেঠো পথের পাশে।
হরেক রকম চৈতালী আর সোনা ধানের মাঠে,
নয়ন ভরা সজীব সবুজ গাঁয়ের মাঠে বাটে।
স্বর্গ সেথায় হাওয়া বিলায় পল্লী গাঁয়ের বুকে,
সহজ প্রান গাঁয়ের মানুষ লুটায় স্বর্গ সুখে।
নদীর ঘাটে স্নানের কালে নামে মানব ঢল,
সকল জাতি করছে গোসল নাইতো মনে ছল।
হিজল তমাল বট পাকুড়ে আরো ফলজ শাখে,
কত রকম পাখির কুজন কেবা হিসেব রাখে!
ফুল ফসলে তরুর তলে বলবো বলো কতো।
সুখের ধারা গাঁয়ের পথে ছড়িয়ে কতো শত।

হাটের দিনে সার বাধিয়া কৃষক হাটে ছোটে,
সন্ধ্যায় ফেরে সদাই নিয়ে আপন গৃহ বাটে।
জীবিকা লাগি গাঁয়ের মানুষ কত পেশায় রতো,
অন্যের দুঃখে সবাই ছোটে হোকনা কষ্ট যতো।

নিবন্ধ/সন্তান- শিক্ষার্থী -অভিভাবক ও শিক্ষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ণ
নিবন্ধ/সন্তান- শিক্ষার্থী -অভিভাবক ও শিক্ষক

জয়ন্ত কুমার চঞ্চল।
অতি স্নেহে শুধু সন্তান নয় সন্তানসম শিক্ষার্থীও বিপথগামী হতে পারে। আর এজন্য আপছোস ও মনখারাপের একটাই সুস্বাদু রেসিপি হলো ‘’গুজব”। কদর কে শ্রদ্ধার ও সম্মানের ডিসম্যেনু না বানিয়ে কিংবা অপরাগতার দুয়ারে কড়া না নাড়িয়ে যদি পারিবারিক শিক্ষা ও নৈতিকতা থেকে চূড়ান্ত অনুভবের করা যায় তবে তাহবে উপযোগী। মনের গভীরের আকুতি মিনতি যদি নিষ্ঠা ও সততা থেকে আসে তবে এটাও সত্য যে আদর্শ ও আদব জয়ী হবেই। শক্ত হলে নিষ্ঠুর, নমনীয় হলে ভিতু এবং মধ্যমায় সুযোগবাদী এটাই স্বাভাবিক ধর্তব্য। তবে আনন্দহীন শিক্ষা ও নৈতিকতা বিরোধী উপদেশে উচ্ছুন্নে যাওয়ার হাত থেকে রেহাই দিতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবশ্যই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবোধ ও আত্মসচেতন এর বিশুদ্ধ বীজ বপন করতেই হবে। এখনই সময় একথা মেনে নেয়ার যে অভিভাবক ও শিক্ষকদের উভয়েই উভয়কে পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। এখনই আরো উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে শিক্ষককে নিজেকে অভিভাবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আবার অভিভাবককে শিক্ষকের সহায়তায় একমাত্র সুষম শিক্ষা ও নৈতিকতার পথে নিয়ে আসা সম্ভব।
শিক্ষক -অভিভাবক বৈরী ও বিরুপ মন্তব্য চালাচালির মতো ঘৃণ্য এবং বেপোরোয়া আচরণের মধ্যে থাকলে বদনাম ও বিপদের সমূহ সম্ভাবনা থাকে। একদিকে ডিভাইস আসক্তি অন্যদিকে সামাজিক লিডারশিপের অভাবের তাড়না আকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছে কে দারুনভাবে নিরূৎসাহিত করছে। এক্ষেত্রে শিক্ষক শিক্ষার্থী অভিভাবক সবাই ক্ষেত্রবিশেষে দায় এড়াতে পারিনা। সন্তানের সামনে অভিভাবক, অভিভাবক -শিক্ষক একসাথে, শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষক এই সমস্যা অর্থাৎ আসক্তি বিরাজমান।
পরিশেষে বলবো আমি বা আমরা একাধারে শিক্ষক , অভিভাবক আবার শিক্ষার্থী। আমাদের সমাজের বাস্তবতা ও পরিহাস কে একসাথে পরিমাপের মতো ভুল করলে হবেনা। পরিশ্রম -সাধনা- অনুশীলন ও ঐকান্তিক গভীর ভক্তি শ্রদ্ধার সমন্বয় নিজেরাই ঘটিয়ে নিতে হবে। গতি ও আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক হলে হবে না আদৌও।