রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

তীব্র দাবদাহে মৌসুমী ফল ও ফসল বিপর্যয়ের শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তীব্র দাবদাহে মৌসুমী ফল ও ফসল বিপর্যয়ের শঙ্কা

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে পাইকগাছায় ফসলি জমির ফসল পুড়েছে ও মৌসুমী ফল গাছ থেকে ঝরে পড়ছে। শুকিয়ে যাচ্ছে সবজি গাছ। আম, লিচু ও কাঁঠালের মুচি ও গুটি তীব্র গরমে শুকিয়ে ঝরে পড়ছে, যা বাগান মালিকদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ। তাপদাহ, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও সেচের পানির অভাবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৈশাখের শুরুতে প্রচন্ড তাপদাহ শুরু হয়েছে। তীব্র খরায় যেন পুড়ছে দেশ। খুলনার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে তাপপ্রবাহ। বৃষ্টির দেখা নেই। উপকূলে লবন হাওয়ায় তাপমাত্রা আরও বেশী অনুভূত হচ্ছে। বৃষ্টির অভাবে আমের গুটি, লিচু, কাঠালের মুচি ঝরে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষি ও বাগান মালিকরা। পাকগাছায় টানা প্রায় এক মাস ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। যার কারণে বিপর্যয় ক্রমশই বাড়ছে। ক্ষেতের করলা, শসা, লালশাক, পুঁইশাক, ঢেঁড়স, বেগুন, পটল, লাউ, ঝিঙ্গে, কচুসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ কারণে মৌসুমে ফলন বিপর্যয় দেখা দেওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে ধারণা করছে কৃষকরা।

তীব্র দাবদাহের কারণে পানির স্তর দিন দিন মাটির নিচে নেমে যাচ্ছে। জমিতে সেচ দিয়েও কৃষকরা তাদের ফসল রক্ষা করতে পারছেন না। অতিরিক্ত তাপের কারণে বোরো ধান চিটা হয়েছে, লেগছে মাজরা পোকা। উপজেলার হিতামপুর ব্লকের কৃষক রফিফুল বলেন, ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করি। ধানে ফুল আসার পরে পানির অভাবে ঠিক মত পানি দিতে পারিনি। গরমে ধানে মাজরা পোকা দেখা দেয়।ধানে চিটার পরিমান বেশী হয়েছে।

 

উপকূলের এলাকায় চিৎড়ি ঘেরর পরিমান বেশী। ত্ব্রী গরমে পুকুর ও মৎস্য ঘেরের অল্প পানিতে মাছ মরে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, দাবদাহের কারণে ফলের গুটি ঝরে যাচ্ছে। তাপমাত্রা বাড়ার পরেও গুটি যেটুকু ঝরছে সেটা স্বাভাবিক। গুটি বেশি ঝরছে মনে হলে এ সময় আমসহ বিভিন্ন ফল গাছের গোড়া মাটি দিয়ে গোল করে বেধে বেশি করে পানি দিলে আমের গুটি কম ঝরবে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় ০৫ মে তারিখ থেকে ০৫ জুন পর্যন্ত আম ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করে আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার এ ঘোষণা দেন। এসময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ, আম চাষি সমিতির নেতা লিয়াকত আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

ঘোষিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ০৫ মে-২৬ তারিখে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, গোলাপখাস, বৈশাখী, বোম্বাইসহ স্থানীয় জাতের আম ভাঙা হবে। এরপর ১৫ মে তারিখে হিমসাগর ও খিসরা, ২৭ মে তারিখে ল্যাংড়া ও ০৫ জুন তারিখে আম্্রপালি আম ভাঙার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এবিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম জানান, চাষিদের দাবি অনুযায়ী ল্যাংড়া ও আম্্রপালি আম ভাঙার সময় সামান্য এগিয়ে আনা হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে আমের পরিপক্কতা আসবে। তিনি অপরিপক্ক আম ভাঙা ও বাজারজাতকরণের বিষয়ে প্রশাসনিক নজরদারি থাকবে বলে হুশিয়ারী দেন।

১৪ বছর পর নারী কাবাডিতে ব্রোঞ্জ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
১৪ বছর পর নারী কাবাডিতে ব্রোঞ্জ

এশিয়ান বিচ গেমসে নারী কাবাডির সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হারলেও বড় এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে পৌঁছে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করার মাধ্যমে দীর্ঘ ১৪ বছর পর এই আসর থেকে পদক পুনরুদ্ধার করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ২০১২ সালের পর এশিয়ান বিচ গেমসের কাবাডিতে এটিই বাংলাদেশের প্রথম পদক।

চীনের সানিয়ায় এশিয়ান বিচ গেমস নারী কাবাডির ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ভারতের শক্তিশালী দেয়াল টপকাতে পারেনি বাংলাদেশ। সেমিফাইনালের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে ভারতের কাছে ৫০-৩১ পয়েন্টে পরাজিত হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে ফাইনালে পৌঁছাতে না পারলেও খালি হাতে ফিরছে না বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে খেলার নিয়ম অনুযায়ী নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের ব্রোঞ্জ পদক। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলা বাংলাদেশের নারী দলটি র‍্যাংকিংয়ে তৃতীয় স্থান নিয়ে আসর শেষ করেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই ভারতীয় ডিফেন্ডার ও রেইডারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়াই করার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর ছিল ভারত ২২, বাংলাদেশ ১৫। মাত্র ৭ পয়েন্টের ব্যবধান থাকায় বিরতি পর্যন্ত ম্যাচে ফেরার ভালো সম্ভাবনা ধরে রেখেছিল বাংলাদেশ।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে খেই হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ভারতের অভিজ্ঞ রেইডারদের পয়েন্ট সংগ্রহের ঝড়ে ব্যবধান দ্রুত বাড়তে থাকে। শেষ বাঁশি বাজার সময় স্কোরবোর্ডে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫০, আর বাংলাদেশ থামে ৩১ পয়েন্টে। শেষ পর্যন্ত ১৯ পয়েন্টের ব্যবধানে জয় নিয়ে ম্যাচ শেষ করে ভারত।

 

স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ইসলামাবাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ইসলামাবাদ

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে রবিবার সকাল থেকেই জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরিকল্পিত যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে কেন্দ্র করে গত এক সপ্তাহ ধরে জারি থাকা কঠোর নিরাপত্তা ও লকডাউন ব্যবস্থা শিথিল করেছে কর্তৃপক্ষ।

এই কড়াকড়ির ফলে ইসলামাবাদ এবং পাশের শহর রাওয়ালপিন্ডিতে লাখ লাখ মানুষের দৈনন্দিন জীবন চরমভাবে ব্যাহত হয়েছিল। যাত্রীদের দীর্ঘ পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়েছে, প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল কমে গিয়েছিল এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে পৌঁছানো নিয়ে অভিভাবকদের বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল।

রবিবার নাগাদ শহরের প্রধান সড়কগুলো থেকে ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং যান চলাচল ধীরে ধীরে বাড়ছে। কয়েক দিনের অচলাবস্থা ও অনিশ্চয়তার পর জনজীবনে স্বস্তি ফিরছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শনিবার রাতে সরকারের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে জানানো হয়েছে যে, পর্যটন কেন্দ্র, পার্ক এবং বাস টার্মিনালগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হচ্ছে।

তবে শহরের রেড জোনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও কঠোর রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোর অবস্থান এই এলাকায় এবং চলতি মাসের শুরুতে এখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সূত্র: এপি