আল মুতাসিম বিল্লাহ সুমন
সকালবেলা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে খবরের কাগজের পাতায় চোখ বোলানো আমাদের নাগরিক জীবনের এক চিরচেনা অভ্যাস। একজন সচেতন সাতক্ষীরা বাসী যখন তাঁর নিজের জেলার একটি দৈনিক পত্রিকা হাতে তুলে নেন, তখন তাঁর মনে স্বাভাবিক কিছু প্রত্যাশা থাকে। তিনি জানতে চান, তাঁর শহরের ভাঙা রাস্তাটি কবে মেরামত হবে, শহরের পেটের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রাণসায়ের খালের চারপাশের যানজট কবে কমবে, কিংবা কবে নাগাদ সাতক্ষীরার মাটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু হবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, পত্রিকার পাতা উল্টাতেই পাঠকের সেই প্রত্যাশা মুহূর্তেই হতাশায় রূপ নেয়। জন দুর্ভোগ বা জেলার উন্নয়নের খবরের বদলে সেখানে জ্বলজ্বল করে বিভিন্ন সভার ফটো সেশন, গুরুত্বহীন খবর আর ব্যক্তিগত প্রচার।
একটি জেলার স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো হলো সেই অঞ্চলের দর্পণ বা আয়না। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সংবাদপত্রের কাজ কেবল ঘটমান তথ্যের পরিবেশন নয়, বরং জনমত গঠন করা, প্রশাসনের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া এবং এলাকার ন্যায্য দাবিগুলো নীতিনির্ধারকদের কানে নিয়মিত পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু সাতক্ষীরার প্রেক্ষাপটে আমাদের স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো সেই দায়িত্ব কতটুকু পালন করছে? খুব সহজ ও সোজাসাপ্টা ভাষায় উত্তর দিতে গেলে বলতে হয়, সাতক্ষীরার সামগ্রিক উন্নয়নে এখানকার স্থানীয় দৈনিকগুলোর অবদান আজ প্রায় শূন্যের কোঠায়। এক অদ্ভুত উদাসীনতা, দায়সারা ভাব, এবং ব্যক্তি বন্দনার বৃত্তে আটকে পড়েছে আমাদের জেলার সাংবাদিকতা।
সাতক্ষীরা শহরের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করলে সবার আগে যে সমস্যাটি সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলে ছাড়ছে, তা হলো তীব্র যানজট। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শহরের খুলনা রোড মোড়, পাকাপোল ব্রিজ, নিউ মার্কেট মোড়, কিংবা বড় বাজার, কোথাও স্বস্তিতে এক কদম ফেলার জো নেই। ছোট ও সরু সড়কে অনিয়ন্ত্রিত ইজিবাইক, ভ্যান, অটোরিকশা, ফুটপাত দখল এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার চরম দুর্বলতায় গোটা শহর যেন এক স্থবির জনপদে পরিণত হয়েছে।
অথচ প্রদীপের নিচে অন্ধকারের মতো এই ভয়াবহ নাগরিক সংকটটি সাতক্ষীরার স্থানীয় পত্রিকাগুলোর চোখে যেন তেমনভাবে পড়েই না! সবচেয়ে লজ্জার এবং একই সঙ্গে ভাবনার বিষয় হলো, সাতক্ষীরা শহরের এই অসহনীয় যানজট নিয়ে দেশের কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং টেলিভিশন চ্যানেল একাধিকবার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও সাতক্ষীরার পত্রিকা গুলো এদিক থেকে নির্বিকার। ঢাকা থেকে পরিচালিত গণমাধ্যমগুলো যদি সাতক্ষীরার মানুষের এই প্রতিদিনের যন্ত্রণা বুঝতে পারে এবং তা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে পারে, তবে সাতক্ষীরার মাটিতে বসে প্রকাশিত দৈনিকগুলোর নীরবতার কারণ কী?
জেলায় প্রকাশিত দু-একটি পত্রিকা মাঝেমধ্যে এই যানজট নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য এবং চরম অনিয়মিত। একটি প্রধান নাগরিক সমস্যা সমাধানের জন্য যে ধরনের ধারাবাহিক বা ফলোআপ রিপোর্টিং প্রয়োজন, তার ছিটেফোঁটাও এদের পাতায় দেখা যায় না। তবু মন্দের ভালো হিসেবে ‘দৈনিক পত্রদূত’-কে কিছুটা সাধুবাদ জানানো যায়, কারণ তারা অন্তত যানজট ও নাগরিক সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সচেতন লেখক ও কলামিস্টদের প্রবন্ধ বা মতামত প্রকাশ করার জায়গা করে দিয়েছে। কিন্তু বাকি পত্রিকাগুলো সেদিক থেকেও যোজন যোজন পিছিয়ে। না আছে তাদের নিজস্ব কোনো জোরালো প্রতিবেদন, না আছে কোনো বিশ্লেষণধর্মী লেখার আয়োজন। যেন শহরের মানুষ যানজটে পিষ্ট হলেও তাতে পত্রিকাগুলোর কিছু যায় আসে না। তাদের কাজ সারাদিন খবরের কপি-পেস্ট করা।
সাতক্ষীরা কেবল একটি সীমান্তবর্তী জেলাই নয়, দেশের অর্থনীতিতে এই জেলার অবদান অপরিসীম। ভোমরা স্থলবন্দর থেকে সরকার প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব পায়। সাদা সোনাখ্যাত চিংড়ি, মধু, আম এবং সুন্দরবনের পর্যটন মিলিয়ে সাতক্ষীরা এক সম্ভাবনাময় জনপদ। কিন্তু স্বাধীনতার এত বছর পরেও এই জেলার মানুষ তাদের প্রাপ্য উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। আর এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো কণ্ঠস্বর হওয়ার কথা ছিল আমাদের স্থানীয় সংবাদপত্রগুলোর।
ধরা যাক সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথাই। দীর্ঘ আন্দোলনের পর আইন পাস হলেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃশ্যমান কার্যক্রম আজও ফাইল বন্দি। জমি অধিগ্রহণ, উপাচার্য নিয়োগ কিংবা অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই। একই অবস্থা সাতক্ষীরা বাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন নাভারণ-সাতক্ষীরা রেললাইন প্রকল্পের। বছরের পর বছর শুধু আশ্বাসের বাণী শোনা গেছে, কিন্তু মাটিতে একটি পাথরও পড়েনি।
একসময় সাতক্ষীরার অর্থনীতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ছিল সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস। হাজারো শ্রমিকের কোলাহলে মুখর থাকা সেই মিলটি আজ পরিত্যক্ত, যন্ত্রপাতিতে মরিচা ধরে নষ্ট হচ্ছে। এটি পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবিটি কেবল সুশীল সমাজের মানববন্ধনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়, পত্রিকার প্রথম পাতার মূল শিরোনাম হয়ে প্রশাসনের ঘুম ভাঙাতে পারে না। একইভাবে সাতক্ষীরায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি নার্সিং কলেজ স্থাপন, আধুনিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করে তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করা, কিংবা শহরের ড্রেনেজ, বিশুদ্ধ পানি, ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন কেন্দ্র, আধুনিক শিশু পার্কের মতো অত্যন্ত জরুরি ইস্যুগুলো নিয়ে স্থানীয় দৈনিকগুলোর কোনো নিজস্ব এজেন্ডা বা লেখা নেই বললেই চলে।
সাংবাদিকতার একটি মৌলিক কাজ হলো জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কি না, তার ওপর নজরদারি করা। সাতক্ষীরায় যখন নতুন কোনো সড়ক নির্মাণ বা উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, তখন সাধারণ মানুষের জানার অধিকার থাকে যে প্রকল্পটির বিস্তারিত তথ্য সম্পর্কে। রাস্তাটি কত কিলোমিটার হবে, এর প্রস্থ কত থাকবে, প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় কত, এবং কবে নাগাদ কাজ শেষ হবে ইত্যাদি তথ্যগুলো মানুষ সংবাদপত্রের মাধ্যমেই জানতে চায়।
কিন্তু সাতক্ষীরার কোনো দৈনিক পত্রিকাকে আজ পর্যন্ত কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের এমন বিস্তারিত বা ব্যবচ্ছেদমূলক তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করতে দেখা যায়নি। এলজিইডি, সড়ক ও জনপথ বিভাগ কিংবা পৌরসভার অধীনে কোটি কোটি টাকার কাজ হয়, কিন্তু আমাদের পত্রিকায় তার কোনও খবর আসে না।
সাতক্ষীরা থেকে শ্যামনগর পর্যন্ত নতুন মহাসড়ক নির্মাণ হচ্ছে। এটির তথ্য নিয়ে সাতক্ষীরার কোন পত্রিকা রিপোর্ট করেছে? এই রাস্তার দুর্নীতি ও কাজের অনিয়ম নিয়ে কোন সংবাদপত্র অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছে? কেউ করেনি। পাঁচ শতাধিক কোটি টাকার বিশাল এই প্রকল্প এবং এর বিস্তারিত তথ্য-উপাথ্য নিয়ে সাতক্ষীরার কোনও পত্রিকা আজ পর্যন্ত কোনও রিপোর্ট করেনি।
শোনা যাচ্ছে শহরের পাকাপোল থেকে আলিপুর চেকপোস্ট পর্যন্ত ফোর-লেন হবে। এই সড়ক কবে শুরু হবে, এর ডিজাইন কেমন হবে, এর প্রশস্ততা কত হবে, এর মূল পরিকল্পনা কেমন ইত্যাদি নিয়ে আজ পর্যন্ত কোনও স্থানীয় পত্রিকা কোনও খবর প্রচার করেনি। কোনও পত্রিকা সড়ক ও জনপদ অফিসে গিয়ে এই বিষয়ে বা শহরের সড়ক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে একটি সাক্ষাতকার প্রকাশ করার মতো উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেনি।
সাতক্ষীরার স্থানীয় পত্রিকাগুলোর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা বা হাস্যকর দিকটি ফুটে ওঠে যখন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সংসদ সদস্যদের মতবিনিময়, পৌরসভা কিংবা অন্য কোনো সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণী সভা অনুষ্ঠিত হয়। একটি গুরুত্বপূর্ণ সভার পর সাধারণ পাঠক পরের দিন পত্রিকা খুলে জানতে চান গতকালের সভায় সাতক্ষীরার মানুষের জন্য কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো? কোন সমস্যাটি কবে সমাধান হবে বলে কর্তৃপক্ষ কথা দিয়েছে? সভার আলোচ্য বিষয় কি ছিল? অথচ সাতক্ষীরার পত্রিকা গুলো খুললেই দেখা যায় উক্ত সভায় কে কে উপস্থিত ছিলেন এবং কি তাদের পদ পদবী। সভার মূল কার্যপ্রণালী বা কী সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো, তা এই খবরের মধ্যে পাওয়া যায় না। খবর পড়লে মনে হয় খবরের মাঝে ব্যক্তির প্রচার করায় প্রধান লক্ষ।
আমরা যদি জাতীয় দৈনিকগুলোর দিকে তাকাই, তবে সম্পূর্ণ বিপরীত ও পেশাদার এক চিত্র দেখতে পায়। জাতীয় পর্যায়ে যখন একনেক বৈঠক, মন্ত্রীসভার বৈঠক বা কোনো মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সভা হয়, তখন জাতীয় পত্রিকাগুলো ব্যক্তি প্রচারের ধার ধারে না। সেখানে কেবল প্রধানমন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর নামটুকু প্রাসঙ্গিক ভাবে উল্লেখ করেই পুরো সংবাদের ৯০ শতাংশ জুড়ে তুলে ধরা হয় সভার কার্যপ্রণালী, গৃহীত সিদ্ধান্ত এবং সেই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মানুষের কী লাভ বা ক্ষতি হবে তার বিশ্লেষণ। সভায় কোন কোন সচিব, অতিরিক্ত সচিব বা মেম্বার উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের নামের তালিকা ছাপিয়ে জাতীয় পত্রিকাগুলো কাগজের জায়গা নষ্ট করে না। কারণ তারা জানে, পাঠক উপস্থিতির হাজিরা খাতা পড়তে টাকা দিয়ে পত্রিকা কেনেন না, পাঠক কেনেন সিদ্ধান্তের খবর জানতে। সাতক্ষীরার পত্রিকাগুলোর সম্পাদক ও সাংবাদিকরা এই সহজ সত্যটি কবে অনুধাবন করবেন?
সাতক্ষীরার বাইরে দেশের অন্যান্য জেলার দিকে তাকালে আমাদের স্থানীয় সাংবাদিকতার এই দৈন্যদশা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পাশের জেলা খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া কিংবা দেশের অন্যান্য প্রান্তের স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রতিদিন নিজেদের এলাকার রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পৌরসভার অনিয়ম এবং জন দুর্ভোগ নিয়ে একাধিক সমস্যামূলক প্রতিবেদন ও কর্তৃপক্ষের সাক্ষাতকার প্রকাশ করে।
অন্যান্য জেলায় স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিকরা জন দুর্ভোগের পেছনে লেগে থাকেন। একটি ভাঙা কালভার্ট বা একটি অকেজো টিউবওয়েলের খবরও সেখানে গুরুত্ব পায়, যতক্ষণ না প্রশাসন সেটি মেরামত করছে। আর আমাদের সাতক্ষীরায় পত্রিকাগুলোর পাতা ভরে থাকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের অতিথিদের নামের তালিকায়। নিজস্ব উদ্যোগে জন-সমস্যা খুঁজে বের করে প্রতিবেদন তৈরির প্রবণতা এখানে হতাশাজনক ভাবে কম। অবস্থা এমন, সাতক্ষীরার সাংবাদিকরা বাইরে চোখ বন্ধ করে চলেন আর অফিসে এসে অন্যের থেকে খবর কপি-পেস্ট করেন।
সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ তাঁদের নিজেদের জেলার পত্রিকাগুলোকে ভালোবাসতে চান, নিজেদের সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে পেতে চান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই অবাধ তথ্যের যুগে মানুষ এখন অনেক সচেতন। কে কোন সভায় উপস্থিত ছিলেন, সেই ছবি মানুষ ফেসবুকেই দেখে ফেলছে। পরের দিন সকালে মানুষ পত্রিকায় চায় সেই সভার ভেতরের খবর, সিদ্ধান্তের চুলচেরা বিশ্লেষণ এবং উন্নয়নের সঠিক খতিয়ান।
সাতক্ষীরার উন্নয়নে গতি আনতে হলে আমাদের স্থানীয় সংবাদপত্রগুলোকে তাদের চিরচেনা খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। ব্যক্তি বন্দনা, তোষামোদি এবং নামের তালিকা ছাপানোর সংস্কৃতি বাদ দিয়ে জনস্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দিতে হবে। শহরের যানজট নিরসন, ফোর লেন সড়কের কাজ দ্রুত ও মানসম্মত ভাবে শেষ করা, বিশ্ববিদ্যালয় ও রেললাইনের দাবিকে রাজপথ থেকে সংসদে পৌঁছে দেওয়া এবং প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পত্রিকাগুলোকে প্রতিদিন ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে।
সংবাদপত্র যখন তোষামোদ ছেড়ে প্রশ্নের তীর ছুড়তে শুরু করবে, কেবল তখনই প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং সাতক্ষীরা একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। এখনই সময় এসেছে, সাতক্ষীরার সাংবাদিক ও সম্পাদকদের আত্ম-সমালোচনা করার।
লেখক: আল মুতাসিম বিল্লাহ সুমন, রাজারবাগান, সাতক্ষীরা