শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

দেবহাটায় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

দেবহাটা প্রতিনিধি: বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা, লাঠি ও সাপ খেলাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ সকাল সাড়ে ৮টায় এক আনন্দঘন পরিবেশে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

 

র‌্যালিটি ঘোড়ার গাড়ি ও নানা রংয়ের ফেস্টুন ব্যানারসহ উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নির্ধারিত বনবিবির বটতলায় গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

পরে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। এতে বক্তারা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর তাৎপর্য, বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে সংস্কৃতি চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

 

বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের নেতা সখিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন ময়না, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

এতে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ কে বরণ করে নেন। পরে লাঠি ও সাপ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বাংলা নববর্ষের এই শুভক্ষণে আগত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

 

Ads small one

এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

অরুণ সান্যাল
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা
এখানে সুখের চেয়ে
চোখের জলের মাত্রা বেশি দাগা।
মানুষের বুকে নেই মানুষের টান,
স্বার্থের বাজারে বিক্রি হয় পবিত্র সব মান।

স্নেহের আলো নিভে যায় স্বার্থের ঝড়ে
বিশ্বাস হারিয়ে যায় শূন্যতার ঘরে।
চোখের পলকে আপন মানুষ অচেনা হয়ে যায়,
ভালোবাসা শুধু আজ বেদনার খেলায় হারায়।

তবুও মানুষ বাঁচে মিথ্যে আশার টানে,
অশ্রু লুকিয়ে রাখে মলিন হাসির গানে।
ক্ষতের ওপর প্রলেপ মেখে পথ চলে একা,
ভাগ্যের সাথে যেন নেই কোনো সুখের লেখা।
তবুও তো এই ধরায় কোনো এক কোণে,
ভালোবাসা বেঁচে থাকে নিঃস্ব মানুষের মনে।

“কথার ভার”

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
“কথার ভার”

 

 

বাপী নাগ
রাগ-অভিমান ভুলে একবার এসো, জমে থাকা কথাগুলো একটু ভাগ করে নিই।
কী হলো, শুনতে পাচ্ছ? এখনও কিছু না-বলা কথা রয়ে গেছে— সময়ের ভাঁজে, নীরবতার আড়ালে।
না না, ভয় নেই! আমার শত দুঃখের ভার তোমায় নিতে হবে না, তোমার সুখের অংশও আমায় দিতে হবে না। শুধু কিছু কথার বিনিময়— হয়তো এতেই মনটা একটু হালকা হবে।
রাগ কোরো না, তোমার রোজনামচায় জমে থাকা কিছু কথা আজ নির্দ্বিধায় আমায় বলতে পারো। আমিও প্রতিদিনের বুকের ভেতর জমে থাকা কিছু অপ্রকাশিত কথা নিঃসংকোচে তোমার হাতে তুলে দিতে চাই।
বাকশক্তি থাকা কালীন কথা বিনিময় ছাড়া বেঁচে থাকা বোধহয় অসম্ভব। কারণ, কিছু নীরবতা শব্দের অপেক্ষায়ই বেঁচে থাকে।
আজ নিরবে, নিঃশব্দে, জমে থাকা অনেক কথা বলতে চাই। নেবে কি আমার কথার ভার? শুনবে কি আমার হৃদয়ের দীর্ঘদিনের নীরব স্বীকারোক্তি?
বিশ্বাস করো, সব কথা অভিযোগ নয়, কিছু কথা শুধু মানুষ হয়ে মানুষের পাশে বসার আকুতি। কিছু কথা ক্ষমা চায়, কিছু কথা ফিরে পেতে চায় হারিয়ে যাওয়া সেই সহজ সম্পর্ক।
হয়তো কথা বললেই দুঃখের যন্ত্রণা পুরোপুরি মুছে যাবে না, তবু বুকের ভারটা একটু হালকা হবে। কারণ, না-বলা কথার চেয়ে বলা কথার আফসোস অনেক কম।
তাই একবার এসো— শুধু কিছুক্ষণ সময় নিয়ে। আজ কথা হোক, কারণ একদিন হয়তো সময় থাকবে, কিন্তু বলার মতো মানুষটি আর থাকবে না।
কথারা কখনও দূরত্ব বাড়ায় না, দূরত্ব বাড়ায় শুধু নীরবতা। তাই এসো, অভিমানের দেয়াল ভেঙে একবার কথা বলি… হিসেব-নিকেশ নয়,আজ শুধু হৃদয়ের দরজাটা খুলে দিই। যদি কিছুই ফিরে না পাই,তবু এই তৃপ্তিটুকু থাকবে—চেষ্টা করেছিলাম,নীরবতাকে হারিয়েকথার আলোয় ফিরে আসতে।
শেষবারের মতো বলছি- এসো, একবার কথা হোক।
হয়তো সব অভিমান মুছে যাবে না, সব প্রশ্নের উত্তরও মিলবে না। তবু কিছু নীরবতার অবসান হবে, কিছু দীর্ঘশ্বাস ফিরে পাবে মুক্তির পথ।
জীবন তো অনিশ্চিত— কে কখন কোন মোড়ে হারিয়ে যায়, তা কেউ জানে না। তাই সময় থাকতে কথাগুলো বলে নিই, ক্ষমাগুলো চেয়ে নিই, ভালোবাসাগুলো জানিয়ে দিই।
কারণ, একদিন হয়তো মানুষ থাকবে না, শুধু থেকে যাবে— না-বলা কিছু কথা….. আর বুকভরা একরাশ আফসোস।

শ্রাবণের বর্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
শ্রাবণের বর্ষা

দুখু হুমায়ুন
শ্রাবণ মেঘে বরষা নামে
বাংলার পল্লী-গাঁয়,
টিনের চালে মজার তালে
নূপুর বেজে যায়।
তালের পাতা শালের পাতা
বৃক্ষ-লতা যত,
নাচছে হেলে রূপের ছন্দে
দক্ষ পটুয়ার মতো।
হঠাৎ ফাঁকে থামলো বৃষ্টি
সূর্য আঁখি খোলে,
উঠলো হেসে পল্লী বাংলা
অরূপ রূপের কোলে।

আকাশকোণে ফিনকি দিয়ে
রংধনুটা হাসে,
ছড়িয়ে পড়ে রূপের ছটা
সাতটি রঙের পাশে।

হঠাৎ আবার আসলো ধেয়ে
ঝমঝমিয়ে ঢল,
একটুখানি জিরিয়ে বুঝি
ফিরে পেল বল।
শ্রাবণ দিনে এমনি চলে
রূপের লুকোচুরি,
বাংলার বুকে বর্ষা সাজায়
হাজার রূপের ডালি।