বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

দোলাচলে ৯ মাস, নির্ধারিত দামে এলপিজি মেলে না বাজারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
দোলাচলে ৯ মাস, নির্ধারিত দামে এলপিজি মেলে না বাজারে

সরকারি হিসাবে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। কিন্তু বাজারে সেই সিলিন্ডার কিনতে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার ১৫০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে ভোক্তাকে দিতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫৬৫ টাকা বেশি। অথচ বছরের শুরু থেকে এলপিজির দাম কখনও বেড়েছে, কখনও কমেছে। বিইআরসি প্রতি মাসে নতুন দাম নির্ধারণ করলেও বাজারে সেই দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না।

এর মধ্যে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কমে গেছে। এলপিজি আমদানিতে জাহাজ ভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে এলপিজি সরবরাহে সংকটের কথা মানতে নারাজ বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।

৯ মাসে দামের দোলাচল

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম চার দফায় বাড়িয়েছে বিইআরসি। এর মধ্যে এপ্রিলে এক মাসেই দুই দফায় দাম বাড়ানো হয়। আবার জানুয়ারি, জুন, জুলাই ও সেপ্টেম্বরে দাম কমানো হয়েছে।

বিইআরসির নির্ধারিত দামের হিসাবে, জানুয়ারি মাসে প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। এরপর ফেব্রুয়ারিতে জানুয়ারির তুলনায় ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম করা হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। পরে ভ্যাট কমায় দাম সিলিন্ডারে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। মার্চে দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়।

এরপর এপ্রিলে দুই দফায় মোট ৫৯৯ টাকা বাড়িয়ে দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৪০ টাকা। মে মাসে এই দাম অপরিবর্তিত ছিল। জুনে ৫৫ টাকা কমিয়ে দাম ১ হাজার ৮৮৫ টাকা এবং জুলাইয়ে আরও ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। আগস্টে আবার ৭০ টাকা বাড়িয়ে দাম করা হয় ১ হাজার ৫৯৮ টাকা। সর্বশেষ সেপ্টেম্বরে ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ হিসাবে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম বেড়েছে ৩৩২ টাকা। তবে এ সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ১ হাজার ৯৪০ টাকা, যা এপ্রিল ও মে মাসে কার্যকর ছিল।

‘সরকার যে দামের কথা বলে, সে দামে কখনোই পাইনি’

বিইআরসি প্রতি মাসের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারের এলপিজির দাম ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করলেও খুচরা বাজারে সেই দামে এলপিজি পাওয়া যায় না কখনোই। সর্বশেষ চলতি মাস অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও বর্তমানে বাজারে তা ২ হাজার ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরা থেকে রুশিয়া মিলি জানান, গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এলপিজি ব্যবহার করছেন। কিন্তু সরকার যে দামের কথা বলে, বাজারে সে দামে কখনোই এলপিজি পাননি। সব সময় বাড়তি দামেই এলপিজি কিনতে হয়। চলতি মাসেও প্রায় ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে গ্যাস কিনতে হয়েছে।

একই অভিযোগ করেন শান্তিনগরের বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ। তিনি বলেন, নতুন বাড়ি হওয়ায় গ্যাসের লাইন নেই। শুরু থেকেই এলপিজি ব্যবহার করেন। এলপিজি নিয়ে সব সময়ই ভোগান্তিতে পড়েন। কখনও দোকানদার বলেন, গ্যাস পাচ্ছেন না, বেশি দামে কিনে আনতে হয়, তাই বেশি দামেই নিতে হবে। না হলে নিয়েন না। আবার বলেন, সিলিন্ডারসহ নিতে হবে। আবার বলেন, সরকার যা-ই বলুক, তিনি এই দামেই বিক্রি করবেন। ‘আপনি নিলে নেন, না নিলে নাই। যাচ্ছেতাই অবস্থা এই এলপিজিতে। দেখার কেউ নেই। ভোগান্তি শুধু আমাদের মতো সাধারণ মানুষের।’

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম?

এদিকে কাঁঠালবাগান বাজারের এক ডিলার জানান, তারা চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি পান না। পেলেও বাড়তি দাম দিয়ে আনতে হয়। ‘আমরা তো আর লস দিয়ে বিক্রি করবো না।’

বড় খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, পরিবেশকদের কাছে চাহিদাপত্র দিয়েও আগের তুলনায় কম পরিমাণ এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে। আগে ৫০০ সিলিন্ডারের চাহিদা দিলে পুরোটা পাওয়া গেলেও এখন ২৫০টি দেওয়া হচ্ছে। আগে চাহিদাপত্র দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহ পাওয়া গেলেও এখন অন্তত সাত দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

জাহাজের প্রিমিয়াম বেড়ে সরবরাহে চাপ

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এলপিজি আমদানিতে জাহাজ ভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। আমদানিকারকরা বিইআরসিকে জানিয়েছেন, বর্তমানে টনপ্রতি এ খরচ ৩০০ ডলারে পৌঁছেছে। অথচ সেপ্টেম্বরের জন্য বিইআরসি এ খাতে ১৬০ ডলার নির্ধারণ করেছিল। আমদানিকারকদের দাবি, গত মাসে এই খরচ ১২০ থেকে ১৬০ ডলারের মধ্যে ছিল।

বাড়তি ব্যয়ে এলপিজি আমদানি করলেও সেই অতিরিক্ত খরচ তাৎক্ষণিকভাবে বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ নেই। বিইআরসি প্রিমিয়ামের পরিমাণ না বাড়ানো পর্যন্ত আমদানিকারকরা বাড়তি খরচ বিক্রয়মূল্যে সমন্বয় করতে পারেন না। এ কারণে নতুন চালান আনতে আমদানিকারকদের কেউ কেউ আগ্রহ হারাচ্ছেন।

তবে এলপিজি সরবরাহে সংকটের কথা মানতে নারাজ বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, প্রতি মাসে দেশে ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টন এলপিজি আসে। আগস্টে এসেছে ১ লাখ ৫৭ হাজার টন এবং সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত এসেছে ১ লাখ ১৯ হাজার টন।

আমদানিকারকরা প্রিমিয়াম বেড়ে ৩০০ ডলারে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে কমিশনের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির বিষয়ে তিনি বলেন, তারা বাজার মনিটরিং করেন। অভিযোগ পেলে অভিযানও পরিচালনা করেন। এছাড়া ভোক্তা অধিকার নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বলে তিনি জানান।

Ads small one

সম্পাদকীয়/ সড়ক নিরাপত্তায় জনসচেতনতা: বিআরটিএর ইতিবাচক উদ্যোগ ও আমাদের করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৩ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সড়ক নিরাপত্তায় জনসচেতনতা: বিআরটিএর ইতিবাচক উদ্যোগ ও আমাদের করণীয়

সড়ক দুর্ঘটনা বর্তমান সময়ের অন্যতম সামাজিক ও জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও চালক ও পথচারীদের অসাবধানতা কিংবা ট্রাফিক আইন না মানার কারণে অকালে ঝরে পড়ছে মূল্যবান প্রাণ। এ প্রেক্ষাপটে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের সাম্প্রতিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
সম্প্রতি ‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি কমাবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত কর্মশালা এবং শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বিআরটিএ, ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘রোড শো’ সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ বার্তা বহন করে। এ কর্মসূচির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলোÑসড়কে দুর্ঘটনা রোধে কেবল চালকদের ওপর দায় না চাপিয়ে শিক্ষার্থী, যাত্রী এবং সাধারণ পথচারীদেরও দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আমাদের সমাজে একটি সাধারণ প্রবণতা হলো, সড়ক দুর্ঘটনার পর পুরো দায় চালকের ওপর অর্পণ করা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সড়ক ব্যবহারকারী প্রত্যেকটি মানুষের সামান্যতম অসাবধানতাও বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। পথচারীদের জেব্রা ক্রসিং কিংবা ফুটওভারব্রিজ ব্যবহার না করা, চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে হঠাৎ রাস্তা পার হওয়া, হাঁটার সময় মোবাইলে মনোযোগ দেওয়া কিংবা বেপরোয়াভাবে যানবাহন ওভারটেক করাÑএসব অনিয়মই দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৈশব থেকেই সড়ক ব্যবহারের নিয়মকানুন ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা এবং সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কিশোর-কিশোরীদের নিজেদের যেমন নিরাপদ রাখবে, তেমনি তারা পরিবার ও সমাজের অন্য সদস্যদের মধ্যেও এই সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারবে। অন্যদিকে, মোটরযানের অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ ও মানসম্মত হেলমেট ব্যবহারের গুরুত্ব সম্পর্কে নিয়মিত বার্তা প্রচার চালক ও আরোহীদের জীবনের নিরাপত্তা বিধানে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
সাতক্ষীরায় বিআরটিএর পক্ষ থেকে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় এই ধারাবাহিক সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, কেবল একটি উদ্যোগ বা একদিনের রোড শো দিয়ে রাতারাতি সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দরকার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিয়মিত তদারকি।
আমরা মনে করি, বিআরটিএর এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমকে শুধু জেলা শহর নয়, গ্রামীণ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন টার্মিনালগুলোতেও সম্প্রসারিত করা উচিত। পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে আইনের সঠিক প্রয়োগ বাস্তবায়িত হলে তবেই দেশের সড়কগুলো সত্যিই নিরাপদ ও শঙ্কামুক্ত হয়ে উঠবে।

আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় দুটি মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামি আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর আবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। বুধবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতের বারান্দা থেকে তিনি পালিয়ে যান। গ্রেপ্তার আসামির নাম শফিকুল ইসলাম (৩২)। তিনি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার রাড়িপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ শফিকুলকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। জামিনে মুক্তির পর ২০২৫ সাল থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। এ ছাড়া পাটকেলঘাটা থানার অপর একটি মাদক মামলায় তাঁর দুই বছরের সাজা হয়। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার দুপুরে আদালতের ভবনে নেওয়ার সময় হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শফিকুল।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক জানান, পালিয়ে যাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের পাশের একটি অটোস্ট্যান্ড থেকে বিকেল চারটার দিকে শফিকুলকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। সাড়ে পাঁচটার দিকে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের মানিকখালী ব্রিজ থেকে বড়দল সড়কের ফকরাবাদ এলাকায় রাস্তার পাশে একটি বড় শিশু-চটকা গাছ দীর্ঘদিন ধরে শুকিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড় সংলগ্ন ওই সড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহন চলাচল করে। মরা গাছটির বড় দুটি ডাল হেলে থাকায় যেকোনো সময় তা ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও ইটভাটা ব্যবসায়ী এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জেলা পরিষদকে জানানো হলেও গাছটি অপসারণ করা হয়নি। আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় দ্রুত গাছটি কেটে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।