রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

নওয়াপাড়ায় ভিজিডব্লিউবি প্রকল্পের চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
নওয়াপাড়ায় ভিজিডব্লিউবি প্রকল্পের চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

Oplus_131072

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার ৪নং নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডব্লিউবি প্রকল্পের আওতায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (০৭ জুন ২০২৬) দুপুর ১টায় ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ৪নং নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ মোনায়েম হোসেন। এ সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ মোনায়েম হোসেন বলেন, “সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভিজিডব্লিউবি প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকৃত উপকারভোগীদের মাঝে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে এই খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ৪নং নওয়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজিব হোসেন রাজু, ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আজগর আলী, ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ নুরুজ্জামান সরদার, ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আসমাতুল্লাহ গাজী, ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ শওকত হোসেন, ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মাহমুদ হোসেন, ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ জাকির হোসেন, ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মনিরুল ইসলাম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছাঃ ফরিদা পারভীন (১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ড), মোছাঃ খাদিজা পারভীন (৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড), মোছাঃ রাহিলা পারভীন (৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড), ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার মোঃ আজিজুল ইসলাম এবং ইউনিয়নের সকল গ্রাম পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ সময় উপকারভোগীরা সরকারের এ সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

 

 

Ads small one

এবার মোদি সরকারের পতনের ডাক দিলেন রাহুল গান্ধী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:২৩ পূর্বাহ্ণ
এবার মোদি সরকারের পতনের ডাক দিলেন রাহুল গান্ধী

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর এবার নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে আরও জোরালো অবস্থান নিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, ‘এবার এই সরকারকে সরানোর সময় এসেছে।’ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

রাহুল গান্ধী আরও লিখেছেন, ‘এখনও দুটি দাবি রয়েছে, যা পূরণ হয়নি। আর তা হলো- শিক্ষার্থী এবং ভারতের ভবিষ্যৎকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমা চাওয়া এবং শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতার জন্য দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘সমাজের অন্যান্য অংশ, যাদের এই সরকার দমন ও নিষ্পেষণ করেছে (কৃষক, শ্রমিক, দরিদ্র) তাদের এখন সংবিধানসম্মত উপায়ে সাহস নিয়ে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার সময়। এই সরকারকে সরানোর সময় এসেছে। ভয় পাবেন না!’

এর আগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সব দাবি মেনে নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এরপরই আন্দোলন প্রত্যাহার করেছে ছাত্ররা।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে অবস্থান-বিক্ষোভ প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক বৈঠক করার পর সিজেপি জানিয়েছে, তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তারপরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তাদের আবেদন, এত দিন যে শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলছিল, তা তুলে নিন।

শনিবারও কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন সিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা। বৈঠক শেষে নড্ডাদের সঙ্গে একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করে অবস্থান প্রত্যাহারের কথা জানান তাঁরা।

১২ বছরে তৃতীয়বার পিছু হটলো মোদি সরকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
১২ বছরে তৃতীয়বার পিছু হটলো মোদি সরকার

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ শুধু একজন মন্ত্রীর বিদায় নয়, বরং গত ১২ বছরে গণআন্দোলনের মুখে নরেন্দ্র মোদি সরকারের তৃতীয় বড় ধরনের পিছু হটার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এনআরসি ইস্যু এবং কৃষি আইনবিরোধী আন্দোলনের চাপেও সরকার অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, তিনটি ঘটনার মধ্যেই একটি অভিন্ন ধারা দেখা যায়। সরকার শুরুতে আন্দোলনের নৈতিক শক্তিকে গুরুত্ব না দিয়ে যতটা সম্ভব অনড় অবস্থানে থাকে। তবে রাজনৈতিক মূল্য বাড়তে শুরু করলে শেষ পর্যন্ত অবস্থান বদলায়।

সিএএ-এনআরসি আন্দোলন

প্রথম বড় ঘটনা ছিল সিএএবিরোধী আন্দোলনের সময়। সে সময় জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থেকে সরকার প্রকাশ্যে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়। যদিও দেশজুড়ে এনআরসি চালুর কোনও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি, রাজনৈতিকভাবে সরকারের অবস্থান পরিবর্তন স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রকাশ্যে বলেন, এনআরসি নিয়ে সরকার কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। অথচ এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেশব্যাপী এনআরসি বাস্তবায়নের কথা একাধিকবার বলেছিলেন এবং সরকারের পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত স্থগিত হয়ে যায়। সরকারের উপলব্ধি হয়, প্রশাসনিক উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপিত বিষয়টি রাজনৈতিক দায়ে পরিণত হয়েছে।

কৃষক আন্দোলন

দ্বিতীয়বার সরকারকে পিছু হটতে হয় কৃষক আন্দোলনের মুখে। প্রায় এক বছর আন্দোলন চলার পর সরকার তিনটি কৃষি আইন বাতিল করে।

শুরুতে সরকার আন্দোলনকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য বলে মনে করেছিল। আন্দোলনকে ভৌগোলিকভাবে সীমিত এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত বলেও তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কৃষকেরা আন্দোলন চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মোদি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন এবং কৃষকদের কাছে ক্ষমা চান। এটিকে সরকারের ওপর আন্দোলনের চাপের স্বীকৃতি হিসেবেই দেখা হয়।

প্রশ্নপত্র ফাঁসবিরোধী আন্দোলন

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পেছনে থাকা প্রশ্নপত্র ফাঁসবিরোধী আন্দোলনকে এই ধারাবাহিকতার তৃতীয় ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য ছিল ভিন্ন।

এটি কোনও নির্দিষ্ট মতাদর্শভিত্তিক সংগঠন বা একক নেতৃত্বের অধীনে গড়ে ওঠেনি। আন্দোলন ছিল বিকেন্দ্রীভূত এবং নেতৃত্বনির্ভর নয়। ফলে কয়েকজন নেতার সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচলিত রাজনৈতিক কৌশল কার্যকর হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মিম ও ইনস্টাগ্রাম রিল আন্দোলনে নতুন গতি এনে দেয়। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ হলেও আন্দোলনটি ছিল সুসংগঠিত, যা সরকারের জন্য মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

আগের আন্দোলনগুলোর চেয়ে কেন আলাদা

এর আগে আন্দোলনের ক্ষেত্রে বিজেপি সাধারণত আন্দোলনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করা, নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা, আন্দোলনকারীদের বিভক্ত করা কিংবা সময়ক্ষেপণের কৌশল নিয়েছিল।

কিন্তু এবার আন্দোলনের বয়ান সরকারের পাল্টা বক্তব্যের চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধী দলও এ আন্দোলনের প্রধান চালিকাশক্তি ছিল না।

২০ জুলাইয়ের দমন-পীড়নের পর আন্দোলনকারীরা পিছিয়ে না গিয়ে আরও দৃঢ় অবস্থান নেয়। এমনকি সোনম ওয়াংচুক নিজের অবস্থান কিছুটা নমনীয় করলেও আন্দোলনকারীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি থেকে সরে আসেননি। এতে স্পষ্ট হয়, আন্দোলনের নেতৃত্ব ছিল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এবং কোনও এক ব্যক্তির সঙ্গে সমঝোতা করে আন্দোলন থামানো সম্ভব নয়।

কেন অস্বস্তিতে বিজেপি

বিজেপির সূত্রগুলোর মতে, এবার আন্দোলন সরকারকে আরও বেশি অস্বস্তিতে ফেলেছে অন্য একটি কারণে। সিএএবিরোধী আন্দোলন বা কৃষক আন্দোলনের বিপরীতে এবার আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও তরুণদের বড় অংশই বিজেপির নিজস্ব সামাজিক ভিত্তির মধ্যে থেকে এসেছে।

একজন বিজেপি নেতা বলেন, ঘোষিত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের আন্দোলনের চেয়ে এটি বেশি বিপজ্জনক। কারণ, মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের যেসব শিক্ষার্থী সাধারণত বিজেপির সমর্থক বা সমর্থকগোষ্ঠীর কাছাকাছি বলে বিবেচিত, তাদের ক্ষোভকে সহজে বিরোধী রাজনীতির অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায় না।

এতে সরকারের সামনে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, রাষ্ট্রের প্রতি অসন্তোষ এখন শুধু প্রচলিত বিরোধী শিবিরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।

গণচাপের মুখে আরেক মন্ত্রীর বিদায়

মোদি সরকারের আমলে জনগণের চাপের মুখে পদত্যাগ করা আরেক মন্ত্রী ছিলেন তৎকালীন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর। #মিটু আন্দোলনের সময় যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর ব্যাপক জনচাপের মুখে তিনি পদত্যাগ করেন। তবে সেটি সরকারি নীতি বা সরকারের বৈধতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলন ছিল না।

সরকারের সামনে যে চ্যালেঞ্জ

সিএএ-এনআরসি, কৃষি আইন এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস—এই তিনটি আন্দোলন মোদি সরকারের রাজনৈতিক চরিত্রও তুলে ধরেছে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকার রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ন্ত্রণ এবং শক্তির প্রদর্শনে দক্ষ হলেও দীর্ঘস্থায়ী মতবিরোধের সঙ্গে গণতান্ত্রিকভাবে ধারাবাহিক সংলাপ চালিয়ে যেতে তুলনামূলকভাবে দুর্বল। সমালোচকদের মতে, সরকার সাধারণত মতভেদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনায় না গিয়ে রাজনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হলে তবেই অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে। অর্থাৎ, যুক্তির চেয়ে রাজনৈতিক চাপই সরকারের সিদ্ধান্তে বেশি প্রভাব ফেলে।

তবে সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছিল পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কৌশলগত সিদ্ধান্ত। সরকারের বিশ্বাস, এতে তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে এবং একই সঙ্গে সরকারের সামগ্রিক কর্তৃত্বও অক্ষুণ্ন রাখা গেছে।

একজন বিজেপি নেতা বলেন, তরুণদের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তা প্রশমিত করাই এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য। যদিও শুধু পদত্যাগে সমস্যার সমাধান হবে বলে সরকার মনে করে না। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি দাবি করেন।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আশাশুনিতে স্বামীর মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী হেফাজতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে স্বামীর মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী হেফাজতে

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ডুমুরপোতা কালিবাড়ি গ্রামে গলায় ফিতা পেঁচানো অবস্থায় রতন সানা (৩২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর মা অমরী রানী সানা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে স্ত্রী চন্দ্রা বাছাড়ের (২২) সঙ্গে অন্য এক ব্যক্তির মুঠোফোনে কথা বলা নিয়ে রতনের ঝগড়া হয়। শনিবার ভোরে মাঠে যাওয়ার আগে ছেলে সাড়া না দিলে ঘরে গিয়ে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
আশাশুনি থানার কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমদ খান জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। লিখিত এজাহার পাওয়া গেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী চন্দ্রাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।