মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সনদ বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সনদ বিতরণ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে নজরুল বর্ষ-২০২৬-২৭ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বর্ষ-২০২৬-২৭ উপলক্ষে কবিতা আবৃত্তি, নজরুল সঙ্গীত, হামদ না’ত, একক অভিনয় ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১১০ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেস্ট গিফট বক্স ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেন।

উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিমল কুমার কুন্ডু’র অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ।

Ads small one

বিশ্ব তুলা দিবস: সাদা তন্তুর বিশ্ব অর্থনীতির বুনন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
বিশ্ব তুলা দিবস: সাদা তন্তুর বিশ্ব অর্থনীতির বুনন

সাকিবুর রহমান বাবলা

তুলা শুধু একটি প্রাকৃতিক তন্তু বা পোশাক তৈরির কাঁচামাল নয়; বিশ্ব অর্থনীতি, কৃষি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য। সাদা রঙের এই আঁশ তাই বিশ্বজুড়ে ‘সাদা সোনা’ নামে পরিচিত। প্রতি বছর ৭ অক্টোবর বিশ্ব তুলা দিবস পালিত হয়। তুলা উৎপাদনকারী কৃষক, শ্রমিক, শিল্পোদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর অবদান তুলে ধরা এবং তুলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও উন্নয়নের সুযোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই এ দিবসের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

বিশ্ব তুলা দিবসের উদ্যোগের পেছনে রয়েছে আফ্রিকার চারটি তুলা উৎপাদনকারী দেশ—বেনিন, বুরকিনা ফাসো, চাদ ও মালি। সম্মিলিতভাবে পরিচিত ‘কটন ফোর’ দেশগুলো তুলার বৈশ্বিক গুরুত্ব তুলে ধরতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তরে প্রথম বিশ্ব তুলা দিবস পালিত হয়। পরে ২০২১ সালের আগস্টে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৭৫/৩১৮ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে ৭ অক্টোবরকে বিশ্ব তুলা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ফলে দিবসটি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক দিবসের ক্যালেন্ডারে স্থায়ী স্থান পায়।

বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে তুলা চাষ হয়। প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ মিলিয়ন টন তুলা উৎপাদিত হয়। চীন, ভারত, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের প্রধান তুলা উৎপাদক দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। কাঁচা তুলার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তুলা চাষ ও এর সঙ্গে যুক্ত সরবরাহব্যবস্থায় বিশ্বের বিপুলসংখ্যক কৃষক, শ্রমিক ও পরিবার জীবিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

তুলার ব্যবহারও বহুমুখী। পোশাক ও বস্ত্রশিল্পে তুলার আঁশ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হলেও তুলাবীজ থেকে তেল ও পশুখাদ্য উৎপাদিত হয়। চিকিৎসা ও কাগজ শিল্পেও তুলার ব্যবহার রয়েছে। ফলে তুলা একটি কৃষিপণ্য থেকে জিনিং, সুতা উৎপাদন, বয়ন, পোশাক তৈরি ও রপ্তানি পর্যন্ত দীর্ঘ শিল্পকৃঙ্খল তৈরি করেছে। এ কৃঙ্খলে কৃষক থেকে শুরু করে শিল্পশ্রমিক—বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

তুলা উৎপাদনের সঙ্গে কৃষকের জীবন ও শ্রম সরাসরি যুক্ত। বীজ বপন, পরিচর্যা, আগাছা নিয়ন্ত্রণ, রোগ-পোকা দমন এবং তুলা সংগ্রহ-প্রতিটি ধাপে শ্রমের প্রয়োজন হয়। একই সঙ্গে তুলা উৎপাদনে উন্নত বীজ, সেচ, সার, নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহার, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ এবং আধুনিক কৃষিপদ্ধতির গুরুত্ব রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, খরা, পানির প্রাপ্যতা ও উৎপাদন ব্যয় তুলা চাষের ওপর প্রভাব ফেলছে। তুলার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও জৈব তুলা উৎপাদনের প্রতিও বিশ্বে আগ্রহ বাড়ছে।

বাংলাদেশের জন্য বিশ্ব তুলা দিবসের গুরুত্ব বিশেষ। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কিন্তু বিশাল এই শিল্পের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল তুলার বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। দেশে প্রতিবছর প্রায় ৮৫ লাখ বেল তুলার চাহিদার বিপরীতে স্থানীয় উৎপাদন প্রায় ২ লাখ বেল। ফলে দেশের চাহিদার মাত্র প্রায় ৩ শতাংশ স্থানীয় উৎপাদন থেকে আসে এবং প্রায় ৯৭ শতাংশ চাহিদা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়।

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে তুলা চাষ হয়। যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, ঠাকুরগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে তুলা চাষের বিস্তার রয়েছে। ঝিনাইদহ দেশের অন্যতম প্রধান তুলা উৎপাদনকারী জেলা। দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি তুলা চাষের জন্য উপযোগী। সাধারণত আগস্ট-সেপ্টেম্বরে বীজ বপন এবং জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে তুলা সংগ্রহ করা হয়।

দেশে তুলা উৎপাদন বৃদ্ধির দায়িত্বে রয়েছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড। ১৯৭২ সালে গঠিত এ প্রতিষ্ঠান দেশীয় তুলা উৎপাদন সম্প্রসারণ, উন্নত জাতের বীজ সরবরাহ, কৃষকদের প্রশিক্ষণ এবং গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চরাঞ্চল, বরেন্দ্র অঞ্চল ও উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকায় তুলা চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে উন্নত বীজ, আধুনিক প্রযুক্তি, কৃষক প্রশিক্ষণ ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হলেও তুলা উৎপাদনে অবস্থান তুলনামূলকভাবে নিচে। দেশের স্পিনিং ও টেক্সটাইল শিল্পের প্রয়োজন মেটাতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ কাঁচা তুলা আমদানি করা হয়। ব্রাজিল, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের তুলার অন্যতম উৎস। এ আমদানিতে প্রতিবছর কয়েক বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়।

তুলা শিল্পের সঙ্গে শ্রমিকের জীবনও নিবিড়ভাবে জড়িত। মাঠের কৃষিশ্রমিক থেকে জিনিং, স্পিনিং ও টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক-বিস্তৃত কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে এ খাতে। শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ, কর্মঘন্টা, ন্যায্য মজুরি এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। তুলার ধুলাবালি ও কৃষিতে ব্যবহৃত রাসায়নিকের সংস্পর্শে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম, নিরাপদ কর্মপদ্ধতি ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বিশ্ব তুলা দিবস তাই শুধু একটি কৃষিপণ্যের দিবস নয়; এটি কৃষক, শ্রমিক, শিল্প, বাণিজ্য ও অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত একটি বৈশ্বিক দিবস। তুলার ন্যায্য মূল্য, কৃষকের উৎপাদন সক্ষমতা, শ্রমিকের অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থার গুরুত্ব এ দিবসে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশের জন্যও এ দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। দেশীয় তুলা উৎপাদন বাড়ানো, অনাবাদি ও বিকল্প জমিতে চাষ সম্প্রসারণ, উন্নত জাতের বীজ ও প্রযুক্তি ব্যবহার, কৃষকের প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা জোরদারের মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। তুলা উৎপাদন বাড়লে দেশের কৃষক যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি বস্ত্র ও পোশাকশিল্পের কাঁচামাল সরবরাহেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। আর সেই সম্ভাবনার কেন্দ্রেই রয়েছে সাদা তুলার ছোট্ট আঁশ-
যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে কৃষকের শ্রম, শ্রমিকের জীবন, শিল্পের গতি এবং বিশ্ব অর্থনীতির বিশাল এক প্রবাহ।

কেশবপুর জবাই করা ছাগলের পেটে দুই বাচ্চা, কসাই উধাও

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুর জবাই করা ছাগলের পেটে দুই বাচ্চা, কসাই উধাও

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে জবাই করা ধাড়ী ছাগলের পেটে দুইটা বাচ্চা পাওয়া গেছে। কেউ দেখার আগে কসাই মতিয়ার রহমান বাচ্চা দুটো বালতির ভিতরে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। বাজারের লোকজন দেখতে পেয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।

 

অবস্থা বেগতিক দেখে কসাই মতিয়ার কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে, কেশবপুর পৌরসভার গরু-ছাগল জবাই করার বাজারে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ আব্দুর রহমান শেখ, সাংবাদিক, পুলিশ, পৌরসভার সেনেটারি অফিসার, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উপস্থিত হন।

 

তারা কসাই মতিয়ারকে না পেয়ে জবাই করা ছাগল ও বাচ্চা দুটি জব্দ করে মাটির তলে পুতে রাখার আদেশ দেন। সহকারী কমিশনার ভূমি কসাই মতিয়ারের লাইসেন্স বাতিল করার ঘোষণা দেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেশবপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

শ্যামনগরে ৭১টি মন্ডপে শারদীয়া দুর্গোৎসব, রং দেওয়ার প্রস্ততি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ৭১টি মন্ডপে শারদীয়া দুর্গোৎসব, রং দেওয়ার প্রস্ততি

রনজিৎ বর্মন, সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর): শ্যামনগর উপজেলায় ৭১টি মন্ডপে শারদীয়া দুর্গোৎসবের প্রস্ততি চলছে। মন্ডপে মন্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরী শিল্পীদের ব্যস্ততা। বর্তমানে প্রতিমার গায়ে তুলির মাধ্যমে খড়ি মাটির কাজ চলমান রয়েছে। শিল্পীদের ভাষ্য অনুযায়ী আরও দু’একদিন পরই রং দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।

বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এড.কৃষ্ণ পদ মন্ডল জানান, চলতি বছরে উপজেলার বারটি ইউনিয়নে ৭১টি মন্ডপে শারদীয়া দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের চেয়ে এবার দুর্গা পুজার মন্ডপ সংখ্যা বেড়েছে। গতবার মন্ডপ সংখ্যা ছিল ৭০টি। এবার নতুনভাবে পূজা হচ্ছে ৪টি মন্ডপে। আর গতবারে অনুষ্টিত পূজা মন্ডপ থেকে ৩টি কমে গেছে বলে জানান সাধারণ সম্পাদক ।

শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন মন্ডপে আকর্ষণীয় করার লক্ষে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে মন্ডপ গুলোতে। যেমন উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া রাস মন্দির প্রাঙ্গনে কর্নফুলী ট্যানেলের অনুরুপ ট্যানেলের মধ্য দিয়ে শিবদূতী মহামায়া দেবী দুর্গা প্রতিমা দর্শন, হরিনগর বাজার সার্বজনীন দুর্গা মন্ডপে আকর্ষণ ডিজিটাল লাইটিং ও ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি দ্বারা সমৃদ্ধ সজ্জা, সোনাখালী ভৈরবনগর সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্ডপে থাকছে আধুনিক আলোকসজ্জা সহ চলন্ত প্রতিমা। এছাড়া বিভিন্ন মন্ডপে ধর্মীয় আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সম্পাদক আরও বলেন, উপজেলার বৃহৎ মন্ডপগুলি হল নকিপুর হরিতলা সার্বজনীন দুর্গা পূজা মন্ডপ, আড়পাঙ্গাশিয়া রাস মন্দির দুর্গা পূজা মন্ডপ, হরিনগর বাজার দুর্গা পূজা মন্ডপ, মধ্য কুলতলী দুর্গা পূজা মন্ডপ, নওয়াবেঁকী দুর্গা পূজা মন্ডপ, কুপট বৈদ্য বাড়ী ও মন্দিরঘাট দুর্গা পূজা মন্ডপ, ধূমঘাট শীলতলা দুর্গা পূজা মন্ডপ, ভেটখালী দক্ষিণপাড়া দুর্গা পূজা মন্ডপ।

এদিকে দুর্গা পূজা মন্ডপগুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে এখন থেকেই। প্রত্যেক মন্ডপ গুলিতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, বিকল্প বিদ্যুৎ জেনারেটর ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখাসহ অন্যান্য ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
জানা যায় এবার দুর্গা পূজার সময়সূচী অনুযায়ী আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার দুর্গা দেবীর বোধন, পূজা আরম্ভ এবং ২১ অক্টোবর বুধবার দশমী পূজা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বিশেষ করে হিন্দুধর্মালম্বীদের পরিবারে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। বাজারে পোষাকের দোকানগুলোতে নতুন পোষাক ক্রয় বিক্রয়ের ভীড়ও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে চলছে দুর্গোৎসবের প্রস্ততি।