সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

নতুন গুঞ্জন হাওয়ায়, প্রেম করছেন কেয়া পায়েল!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
নতুন গুঞ্জন হাওয়ায়, প্রেম করছেন কেয়া পায়েল!

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের ব্যক্তিজীবন নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার তার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে এসব বিষয়ে তিনি কখনোই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। এবার মালদ্বীপে তার অবকাশযাপনের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিকমাধ্যম।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মালদ্বীপে এক তরুণের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন কেয়া পায়েল। কখনও তাদের গল্প করতে, আবার কখনও একটি রেস্তোরাঁয় ওই তরুণকে নিজের হাতে খাবার খাওয়াতে দেখা যায়। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা—কে এই তরুণ এবং তাঁর সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্ক কী?

অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রের দাবি, ওই তরুণের নাম প্রাচুর্য। তাদের পরিচয় দীর্ঘদিনের এবং সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। সূত্রগুলোর ভাষ্য, এর আগেও তাদের যুক্তরাজ্যে একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে।

 

এমনকি ঘনিষ্ঠজনদের মতে, কেয়া পায়েল ও প্রাচুর্য দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন এবং বিষয়টি দুই পরিবারও জানে। ভবিষ্যতে বিয়ের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা রয়েছে বলে দাবি করা হলেও এ বিষয়ে কোনোপক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ মেলেনি।

এদিকে মালদ্বীপের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের পর হয়তো এবার নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে প্রকাশ্যে আসতে পারেন এই অভিনেত্রী। তবে এখন পর্যন্ত কেয়া পায়েল বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Ads small one

সরকারি খাল ইজারা,উন্নয়ন নাকি স্থানীয়দের অধিকার হরণ?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
সরকারি খাল ইজারা,উন্নয়ন নাকি স্থানীয়দের অধিকার হরণ?

মো. খলিলুর রহমান

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি এবং জীববৈচিত্র্েযর অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো সরকারি উন্মুক্ত খালগুলো। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি খাল ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সাধারণ মানুষ, কৃষক এবং পরিবেশবাদীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জনসাধারণের মনে এখন একটাই প্রশ্ন সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত সরকারি খাল কেন ইজারা দেওয়া হবে?

ভূমি মন্ত্রণালয় তথ্যসুত্র বলছে, সরকারি জলমহাল বা খাল ইজারা দেওয়ার পেছনে মূলত কয়েকটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকে যেমন সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি,উন্মুক্ত খালগুলো থেকে মাছ চাষ বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানো। রক্ষণাবেক্ষণ ও অবৈধ দখল রোধ, ইজারা গ্রহীতা খালের দেখভাল করবেন, যার ফলে অনেকে মনে করেন এর মাধ্যমে খালের অবৈধ দখলদারিত্ব কমবে এবং খালের নাব্যতা বজায় থাকবে। পরিকল্পিত মৎস্য চাষ করে যুব সমাজ বা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিকে স্বাবলম্বী করতে অনেক সময় শর্তসাপেক্ষে খাল ইজারা দেওয়া হয়। প্রকৃত পক্ষে এসব উদ্দেশ্য কাগজে কলমে সীমাবব্ধ থাকে।

সরেজমিন পরিদর্শন কালে বিভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে সামনে কাগজে কলমে সরকারের রাজস্ব আদায় ও আইন শৃঙ্খলার উদ্দেশ্যটি ইতিবাচক মনে হলেও, মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অত্যন্ত জনদুর্ভোগপূর্ণ। ইজারা দেওয়ার পর উন্মুক্ত খালের চরিত্র বদলে সেটি একটি বাণিজ্যিক পুঁজিপতিদের ঘেরে পরিণত হয়, যার মাশুল দিতে হয় স্থানীয় লাখ লাখ সাধারণ মানুষকে।কৃত্রিম সেচ সংকট ও কৃষির অপূরণীয় ক্ষতিকোনো একটি খাল ইজারা হওয়ার পরপরই ইজারা গ্রহীতারা বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষের জন্য খালের বিভিন্ন পয়েন্টে আড়াআড়ি বাঁধ, নেট-পাটা বা বাঁশের ঘের তৈরি করেন। এর ফলে খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

 

শুষ্ক মৌসুমে (বোরো বা আমন চাষের সময়) যখন কৃষকদের জমিতে সেচের পানির তীব্র প্রয়োজন হয়, তখন ইজারাদাররা মাছের ক্ষতি হবে এই অজুহাতে কৃষকদের পাম্প বা সেচযন্ত্র দিয়ে খালের পানি নিতে বাধা দেয়। ফলে হাজার হাজার একর ফসলি জমি পানির অভাবে ফেটে চৌচির হয় এবং দেশের সার্বিক খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

বর্ষা মৌসুমে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার অভিশাপ ইজারাদারদের দেওয়া অবৈধ বাঁধ ও জাল-পাটার কারণ। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি বা উজান থেকে আসা পানি স্বাভাবিক গতিতে নামতে পারে না। পানি নিষ্কাশনের পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, আমন ধানের বীজতলা, সবজি ক্ষেত এবং মানুষের বাড়িঘর ও চলাচলের রাস্তা দিনের পর দিন পানির নিচে তলিয়ে থাকে। এই কৃত্রিম জলাবদ্ধতার কারণে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি হয় এবং মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে।

দরিদ্র ও প্রান্তিক মৎস্যজীবীরা উন্মুক্ত খালে প্রাকৃতিকভাবে বড় হওয়া মাছ ধরে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে সংসার চালাতেন, ইজারা প্রথার কারণে তারা আজ সম্পূর্ণ বেকার। ইজারা নেওয়ার পর খালের চারপাশ ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো পাহারা দেওয়া হয়। সাধারণ বা পেশাদার কোনো মৎস্যজীবীকেই খালের ধারেকাছে ঘেঁষতে দেওয়া হয় না। ফলে গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আমিষের সহজ লভ্যতা কমে যাচ্ছে এবং তারা চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়ছে।

দীর্ঘ লম্বা খালগুলো মহস্য সমিতির নামে ইজারা নিয়ে সে খাল গুলো খন্ড খন্ড করে ভাগ করে বিভিন্ন জনের নামে লিজ দেওয়া। যার ফল স্বরুপ হচ্ছে পানি চলাচলে বাঁধাগ্রস্থ। সেই ধবংস হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ।

সাধারণ মানুষ,কৃষক ও জেলে পরিবারের সাথে আলাপকালে তাদের উদ্বেগ ও বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সরকারি খাল ইজারা দেওয়ার ফলে স্থানীয় কৃষি ও জনজীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

একাধিক ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন,খাল ইজারা নেওয়ার পর ইজারাদাররা সেখানে বাঁধ বা জাল দিয়ে পানি আটকে রাখেন। ফলে শুষ্ক মৌসুমে সাধারণ কৃষকরা চাষাবাদের জন্য পানি পান না এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

দেশের বড় একটা জনগোষ্ঠী মৎস্যজীবী তারা জীবিকা নির্বাহ করে থাকে উন্মক্ত খাল থেতে মাছ শিকার করে। ইজারা দেওয়ার পর এসব মানুষের মাছ ধরার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়।

অর্থনৈতিক ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের বার্ষিক সামান্য কিছু টাকা রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে গ্রামীণ অঞ্চলের কোটি কোটি টাকার কৃষি, পরিবেশ এবং সর্বসাধারণের পানির প্রাকৃতিক অধিকারকে বন্ধক রাখা কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত বা টেকসই উন্নয়ন হতে পারে না। যেখানে রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে কৃষি বিভাগ বারবার ফসলি জমি রক্ষা এবং উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দিচ্ছেন, সেখানে সেচের প্রধান উৎস উন্মুক্ত খালগুলোকে ইজারা দেওয়া একটি আত্মঘাতী নীতি।

সরকারি খাল কোনো বাণিজ্যিক পণ্য নয়, এটি গ্রামীণ জীবনের লাইফলাইন বা জীবনরেখা। তাই রাজস্ব আদায়ের হিসাব-নিকাশ সরিয়ে রেখে, দেশের কৃষি খাতকে বাঁচাতে এবং সাধারণ মানুষের পানির প্রাকৃতিক অধিকার নিশ্চিত করতে সমস্ত সরকারি খাল ইজারা মুক্ত করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত রাখাই হবে রাষ্ট্রীয় কল্যাণের প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ।

কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

সভায় মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান পদক্ষেপ আরো জোরদার করা এবং শহরের যানজট, পরিচ্ছন্নতা, সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

 

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম, থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন, সাবেক সদরের সম্পাদক পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, পৌর জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহম্মদ আলি, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম এনামুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন নাহার আক্তার, ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ আলি গাজী, মাহবুবুর রহমান মফে, সোহেল রানা, বিশাখা তপন সাহা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান, কলারোয়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, যুগ্ম আহবায়ক এমএ সাজেদ, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ প্রমুখ।

দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা। সভায় দেবহাটা সহকারী কমিশনার (ভূমি) চৌধুরী আল মাহমুদ, দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল করিম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুতের দেবহাটা সাব-জোনাল অফিসের এজিএম মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, কুলিয়া ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাস মন্ডল, সখিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রতিনিধি সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাজু পারভিন, সখিপুর সরকারি কেবিএ কলেজের শিক্ষক আবু তালেব, দেবহাটা সরকারি বিবিএমপি ইনস্টিটিউশন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি উজ্জ্বল, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম রেজাউল করিম, টাউনশ্রীপুর বিজিবির খোরশেদ আলম, ছাত্রদল সভাপতি ইমরান ফরহাদ, জুলাই যোদ্ধা মুজাহিদ বিন ফিরোজ ও ইমরান হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় অংশ নেন।
সভায় দেবহাটার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত নিরাপত্তা, অপরাধ দমন এবং উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির পক্ষ থেকে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানানো হয়। একইসঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেবহাটার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে কোনোভাবেই অবনতি না ঘটে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মিলন সাহা বলেন, উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি দেবহাটার শান্তি, শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।