বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

নতুন নিয়মে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন কীভাবে করবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
নতুন নিয়মে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন কীভাবে করবেন

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর রবিবার (২৮ জুন) থেকে চালু হচ্ছে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এই ঘোষণা দেন ঢাকায় নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সম্প্রতি ভারতের ভিসা আবেদনে বেশকিছু নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। আবেদনের একদিন আগেই নিতে হয় অ্যাপয়েন্টমেন্ট। দেশের পাঁচটি ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে পর্যটন ভিসার আবেদন করা যাবে। এগুলো হলো, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা।

ভিসা আবেদন করবেন কীভাবে

ইন্ডিয়ার জন্য ভিসা আবেদন করতে হবে https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/Registration এই ঠিকানায়। এখানে আপনি আবেদন ফর্ম পূরণ, করতে পারবেন। সব ঘর সঠিকভাবে পূরণ করার পর ভিসা আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। এরপর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে।

কীভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন

যেদিন আপনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেবেন তার আগের দিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে। পরবর্তী কার্যদিবসের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট পূর্ববর্তী কার্যদিবসে প্রকাশ করা হয়। দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সাইন-আপ এবং ওয়েবফাইল আপলোড করা যাবে। শুধু যেসব আবেদনকারী সফলভাবে তাদের ওয়েবফাইল আপলোড করেছেন, তাদের জন্য একই দিন বিকাল ৫টা থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং শুরু হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিংয়ের জন্য https://appointment.ivacbd.com/ সাইনআপ বাটনে ক্লিক করে ভিসার ওয়েব ফাইলে থাকা ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়ে সাইনআপ করতে বলা হয়েছে। সাইনআপ করার একটি ওটিপি এসএমএসে যাবে এবং আরেকটি যাবে ইমেইলে। প্রথমে ইমেইলের ওটিপি এবং পরবর্তী সময়ে মোবাইল এসএমএসের ওটিপি সাবমিট করার মাধ্যমে ইমেইল এবং মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন করতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে সাইনআপ করতে হবে। বিকাল সাড়ে ৪টার আগে সাইনআপ না করলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা যাবে না।

সাইনআপ শেষ হলে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর মোবাইলে ওটিপি পাঠানো হবে। ওটিপি দিয়ে প্রবেশ করলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাতা চলে আসবে। সেখানে প্রথমে ডকুমেন্টগুলো আপলোড করতে হবে। ডকুমেন্টগুলো থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সিস্টেমে যুক্ত হবে। আপলোড করার পর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সন্ধ্যা ৬টায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট চালু হলে পুনরায় লগইন করতে হবে। লগইন করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী দিনের জন্য নির্বাচিত একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট দেখাবে। সেটি পরিবর্তন করতে চাইলে একবার বদলানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক হওয়ার পর ভিসা প্রসেসিং ফি পেমেন্ট করতে হবে।

আপলোড করা ওয়েবফাইল অবশ্যই মূল ভিসা আবেদনপত্রের পিডিএফ হতে হবে এবং ৩০ দিনের বেশি পুরোনো হওয়া চলবে না। পরিবর্তিত, সম্পাদিত বা বিকৃত ফাইল বাতিল করা হবে।

ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে

ভিসা আবেদনের সঙ্গে বেশকিছু কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

১. ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সময় ছয় মাস মেয়াদসহ মূল পাসপোর্ট কমপক্ষে দুই খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে। পাসপোর্টের কপি (প্রথম ৪ পাতা এবং মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন যদি থাকে) সঙ্গে দিতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।

২. পূর্ণ মুখমণ্ডল দেখা যায় এমন সাম্প্রতিক তোলা (৩ মাসের অধিক পুরোনো নয়) পাসপোর্ট সাইজ (২x২) রঙিন ছবি।

৩. জন্ম তারিখের প্রমাণ: জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

৪. আবাসন প্রমাণ: ইউটিলিটি বিল যেমন ইলেকট্রিসিটি, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিল (ছয় মাসের অধিক পুরোনো নয়)।

৫. পেশার প্রমাণ: যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন সেখানকার নিয়োগকর্তার চিঠি। ছাত্রদের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র সংগ্রহজনক করতে হবে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স লাগবে।

৬. আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ: প্রতিটি আবেদনপত্রের সঙ্গে ১৫০ ডলার সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা এনডোর্স বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের কপি বা পর্যাপ্ত ব্যালান্স দেখানোর প্রয়োজনে হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট।

৭. রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ অনলাইন ভিসা আবেদনপত্র।

৮. অনলাইন ভিসা আবেদনপত্রের প্রদত্ত জায়গায় আবেদনকারীর ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

৯. ভিসা আবেদনপত্রের সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে, এসব ছাড়া ভিসা আবেদন অসম্পূর্ণ বলে গণ্য হবে।

ভিসা ফি

ভিসা ফি ভারত নেয় না। তবে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ একটি চার্জ আছে। সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়াকরনের জন্য আইভ্যাক ১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। এটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করার সময় অনলাইনে পেমেন্ট করতে হয়।

পাসপোর্ট কীভাবে ফেরত পাবেন

আপনার ভিসা প্রক্রিয়াকরণ হয়ে গেলে আবেদনের সঙ্গে দেওয়া মোবাইল নম্বরে একটি এসএমএস দিয়ে জানানো হবে। সেই অনুযায়ী আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

Ads small one

বাল্য বিবাহরোধে বিভাগীয় কমিটির ত্রৈমাসিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
বাল্য বিবাহরোধে বিভাগীয় কমিটির ত্রৈমাসিক সভা

বাল্য বিবাহরোধে বিভাগীয় কমিটির ত্রৈমাসিক সভা বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন সভাপতিত্ব করেন।
সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বাল্যবিবাহ রোধে সরকারি-বেসরকারি উভয় দপ্তরকে সমন্বিতভাবে ডাটাবেইজ তৈরি করে কাজ করতে হবে এবং এসডিজি-কে আমলে নিয়ে যতটা সম্ভব কাজের আওতা বৃদ্ধি করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিটি জেলায় বিবাহ রেজিস্ট্রি এবং নোটারী পাবলিকের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে সভা করে তাদের এ বিষয়ে সতর্ক করতে হবে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহের এবং ডিজিটাল আসক্তির কুফল সম্পর্কে কিশোর-কিশোরী ও অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে। বাল্যবিবাহরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভিডিও কন্টেন্ট প্রচারের নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, কোন জেলায় বাল্যবিবাহ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং জেলা প্রশাসনকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
সভায় জানানো হয়, প্রতিটি থানায় একজন করে শিশুসুরক্ষা কর্মকর্তা রয়েছেন যার নিকট বাল্যবিবাহের তথ্য দিলে, বাল্যবিবাহ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে টোল ফি হটলাইন ১০৯,৯৯৯ ও ১০৯৮ নাম¦ারে যোগাযোগ করা যাবে।
সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো: মনজুর আলম, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়, মহিলা বিষয়ক দপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা, ইউনিসেফ খুলনার চিফ মো: কাওসার হোসাইন-সহ সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

সম্পাদকীয়: গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও টেকসই সমৃদ্ধির সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়: গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও টেকসই সমৃদ্ধির সম্ভাবনা

একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদের সড়কগুলোর আধুনিকায়ন কেবল মানুষের যাতায়াতকেই সহজ করে না, বরং গ্রামীণ অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। সম্প্রতি উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নে যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক খবর।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সাতক্ষীরা জেলায় বালু সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিটুমিনের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মতো নানাবিধ প্রতিকূলতা সত্ত্বেও লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যেখানে গত অর্থবছরে কাজের সামগ্রিক গড় অগ্রগতি ছিল মাত্র ৫৩ দশমিক ৫ শতাংশ, সেখানে এক বছরের ব্যবধানে এই বিপুল অগ্রগতি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মতৎপরতা ও মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকিরই প্রমাণ দেয়। জেলার প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকার শতাধিক সড়ক, যেমন—আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা-প্রতাপনগর, তালার দলুয়া-বুধহাটা, কিংবা শ্যামনগরের গ্যারেজ বাজার-হরিনগর বাজার সড়কগুলোর কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ হওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে স্থানীয় লাখ লাখ মানুষ।

পূর্বে যেখানে সড়ক উন্নয়নের নামে রাস্তা খুঁড়ে বছরের পর বছর ফেলে রাখার সংস্কৃতি ছিল, সেখানে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করা একটি প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত। এর ফলে শুধু যে জনগণের ভোগান্তি লাঘব হয়েছে তা-ই নয়, বরং কৃষিপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহনের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এই উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা সুন্দরবনাঞ্চলের পর্যটন, মৎস্য শিল্প এবং গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখবে।

তবে এই দৃশ্যমান সফলতার পাশাপাশি কিছু প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। এলজিইডির উপজেলা অফিসগুলোতে তীব্র জনবল সংকট এবং উপজেলা প্রকৌশলীদের সরকারি যানবাহনের অভাব নিয়মিত তদারকিকে বিঘিœত করছে। দেশের গ্রামীণ সড়কগুলোর স্থায়িত্ব ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে মাঠপর্যায়ের এই দাপ্তরিক সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। একই সঙ্গে, যেসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও কাজে অবহেলা করেছে বা অগ্রগতি দেখাতে পারেনি, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

আরেকটি দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক সময় যথাযথ কারিগরি জ্ঞান ছাড়াই সদ্য সমাপ্ত সড়কের গুণগত মান নিয়ে অহেতুক নেতিবাচক প্রচার চালানো হয়। কার্পেটিংয়ের পর পিচ জমাট বাঁধার নির্দিষ্ট সময় দেওয়ার আগেই অতি-উৎসাহী আচরণ অনেক সময় মাঠপর্যায়ের কাজের পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করে। এই ক্ষেত্রে স্থানীয় জনসাধারণের সচেতনতা ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব একান্ত কাম্য।

উন্নয়নের এই ধারাকে টেকসই করতে হলে শুধু রাস্তা নির্মাণ করলেই চলবে না, বরং এর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে। আমরা আশা করি, সাতক্ষীরা এলজিইডি সব সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জেলার গ্রামীণ জনপদের এই উন্নয়নের গতি ধরে রাখবে এবং একটি সমৃদ্ধ, টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

 

এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল চুরি, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল চেহারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল চুরি, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল চেহারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে এক এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলের মালিক মো. তৌহিদুজ্জামান সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়িত যুব-নেতৃত্বে দুর্যোগের ওপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) ও আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে সিডোর প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তৌহিদুজ্জামান তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে রেখে সভায় যোগ দেন। অনুষ্ঠান শেষে বাইরে এসে তিনি দেখতে পান মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান না পেয়ে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্তকে অবহিত করেন। ইউএনওর পরামর্শে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি মো. তৌহিদুজ্জামানের নামে নিবন্ধিত একটি হিরো স্পেন্ডার। এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর সাতক্ষীরা-হ-১৪-৯৬১৫। অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা উপজেলা পরিষদের নিচতলা থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছে বলে জিডি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় জিডি নং-১৫৬৫, তারিখ ২৩ জুন ২০২৬ দাখিল করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ও বিভিন্ন দোকানে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তির স্পষ্ট চেহারা দেখা গেছে। পুলিশ ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।
এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর ও আশপাশের এলাকায় মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচুরির ঘটনা বেড়েছে। বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও কার্যকর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।