বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। ডাঃ অর্ণব ঘোষের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ সুজন কুমার সরকার, ডাঃ সঞ্জয় কুমার মন্ডল, ডাঃ জহিরুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী শেখ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান, রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি জি এম মিজানুর রহমান, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দীন, সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, ক্যাশিয়ার দেবব্রত সরকার, পরিসংখ্যানবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলমসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিকাশে সুষম খাদ্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

 

Ads small one

কলারোয়ায় মৎস্য চাষে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় মৎস্য চাষে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের(৩য় পর্যায়) আওতায় প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার কলারো উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত এ উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলল বিভাগীয় সহকারী পরিচালক মঞ্জুরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য অফিসার জিএম সেলিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা। ঘেরে বাগদা ও গলদা চিংড়ি চাষ পদ্ধতি বিষয়ে মৎস্যচাষিদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শেষে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে এই প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ করা হয়।

খুলনায় তিন দিনের মাশরুম মেলা: পুষ্টি ও সমৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
খুলনায় তিন দিনের মাশরুম মেলা: পুষ্টি ও সমৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা

পত্রদূত ডেস্ক: মাশরুমÑএক সময় যা ছিল কেবল দামী রেস্টুরেন্টের মেন্যুতে সীমাবদ্ধ, তা এখন সাধারণ মানুষের পাতে পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে কৃষি বিভাগ। মাশরুম চাষের সম্প্রসারণ, পুষ্টির উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে আঞ্চলিক মাশরুম মেলা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) খুলনা শহীদ হাদিস পার্কে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, “অল্প শ্রম, সামান্য পুঁজি আর খুব অল্প জায়গাতেই মাশরুমের লাভজনক ফলন সম্ভব। এই মেলার মাধ্যমে আমরা নতুন এক বার্তা পেলাম। এখন আর শুধু স্যুপ নয়, মাশরুম থেকে কেক, চিপস ও পাউডার তৈরি করে বাজারজাত করা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, মাশরুমের রয়েছে ব্যাপক ঔষধি গুণ। এটি চাষ করে বিশেষ করে নারীরা স্বাবলম্বী হতে পারেন, যা দারিদ্র্য বিমোচনে বড় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ‘কৃষক কার্ড’ কৃষিতে নতুন বিপ্লব ঘটাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত এই মেলায় খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা উদ্যোক্তারা অংশ নিয়েছেন। মেলায় স্টল সংখ্যা ২২টি। তাজা মাশরুমের পাশাপাশি মাশরুম দিয়ে তৈরি নানা প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও প্রসাধনী। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ (কী-নোট পেপার) উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মোছা. আক্তার জাহান কাঁকন। তিনি মাশরুমের পুষ্টিগুণ ও চাষ পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক দিকগুলো তুলে ধরেন। হর্টিকালচার উইং-এর পরিচালক ড. মো. হজরত আলী মাশরুমকে ভবিষ্যতের ‘সুপার ফুড’ হিসেবে আখ্যা দেন।

খুলনা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোল্যা কবীর হোসেনসহ সফল মাশরুম উদ্যোক্তারা। উদ্বোধনের আগে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মাশরুম চাষে আগ্রহ বাড়াতে মেলা প্রাঙ্গণে দর্শকদের জন্য হাতে-কলমে তথ্য প্রদানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

 

 

 

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত আশাশুনি: ১০৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ও টেকসই বাঁধের ওপর গুরুত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত আশাশুনি: ১০৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ও টেকসই বাঁধের ওপর গুরুত্ব

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: উপকূলীয় জনপদ আশাশুনিতে দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নামছে প্রশাসন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় উঠে এসেছে আগাম প্রস্তুতির এক বিস্তারিত চিত্র।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জানানো হয়, দুর্যোগকালীন জরুরি আশ্রয়ের জন্য উপজেলায় বর্তমানে ১০৮টি আশ্রয়কেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো তাদের নিজ নিজ প্রস্তুতি ও সক্ষমতার কথা তুলে ধরে।
উপকূলীয় এলাকার মানুষের প্রধান দুশ্চিন্তা জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ। সভায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো দ্রুত সংস্কারের দাবি জানানো হয়। সভাপতি তার নির্দেশনায় বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো শিথিলতা সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আনুলিয়া ইউনিয়নের মতো প্লাবনঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় সরকারি ৫০টি দপ্তরের প্রতিনিধি ছাড়াও অংশ নেন বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলো হলোÑ ব্র্যাক, সুশীলন, আইডিয়াল, কারিতাস, বারসিক, উত্তরন ও ইএসডি। মূল আলোচনায় ২৭টি ওয়ার্ডে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং কমিউনিটির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সভায় উপস্থাপন করা হয়। সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নিতিশ কুমার গোলদারসহ কৃষি, মৎস্য, ফায়ার সার্ভিস ও শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। দুর্যোগপ্রবণ এই এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ এবং সময়োপযোগী উদ্ধার তৎপরতাই সাধারণ মানুষের জানমালের রক্ষা কবচ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।