বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

কলারোয়ায় ফসলি জমির মাটি বিক্রির মহোৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ফসলি জমির মাটি বিক্রির মহোৎসব

সংবাদদাতা: কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির ধুম পড়েছে। পুকুর বা ঘের খননের নামে অবৈধ ভেকু মেশিন দিয়ে দিনরাত কাটা হচ্ছে তিন ফসলি জমির মাটি। এসব মাটি ড্রামট্রাক ও ট্রাক্টরে করে চলে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। এতে একদিকে যেমন কৃষিজমি কমছে, অন্যদিকে ধুলাবালি ও কাদায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের তদারকির অভাবে ‘মাটিখেকো’ চক্রটি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে গোপন আঁতাতের মাধ্যমে এই অবৈধ কারবার চালিয়ে চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
সরেজমিনে কেরালকাতা ইউনিয়নের নাকিলা উত্তরপাড়া ও বহুড়া দক্ষিণপাড়া গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, অন্তত তিনটি স্থানে বড় বড় গর্ত করে মাটি কাটা হচ্ছে। ৮ থেকে ১২ ফুট গভীর করে মাটি তোলায় পাশের জমিগুলোও এখন ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, যশোরের শার্শা উপজেলার বেলতলা এলাকার নূর ইসলাম, নাকিলা গ্রামের কিতাব আলী ও পুটুনি গ্রামের রাশেদসহ একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
মাটি বহনের কাজে ব্যবহৃত অবৈধ ট্রাক্টরের কারণে গ্রামের কাঁচা-পাকা রাস্তাগুলোর কঙ্কালসার অবস্থা। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব রাস্তা কাদায় সয়লাব হয়ে যায়, যার ফলে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলার কারণে রাস্তায় চলাচল করা দায় হয়ে পড়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন কৃষক বলেন, আইন থাকলেও তার কোনো প্রয়োগ নেই। চোখের সামনে তিন ফসলি জমিগুলো পুকুর হয়ে যাচ্ছে। জমির উর্বর শক্তি নষ্ট হওয়ায় ভবিষ্যতে এলাকায় খাদ্যঘাটতির আশঙ্কা করছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরিফুল ইসলাম বলেন, “ফসলি জমি নষ্ট করে বা ঘের খননের নামে অবৈধভাবে মাটি বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। এই চক্রের সঙ্গে যারা জড়িত, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় দশ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় দশ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ

পত্রদূত ডেস্ক: বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ঘোনা, কুশখালি, কালিয়ানী বিওপি ও বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, উইনসেরেক্স কাশির সিরাপ এবং ইয়াবা আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, ঘোনা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদরের দাঁতভাঙ্গা হতে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট আটক করে। কুশখালি বিওপির আভিযানে মক্তোব মোড় হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কালিয়ানী বিওপির আভিযানে এই এলাকাহতে ৮ হাজার টাকার ভারতীয় উইনসেরেক্স কাশির সিরাপ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে বাঁশতলা হতে ২ লাখ ১৬ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৯ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।
বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়।

 

এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

দেবহাটা থানা পুলিশে অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
দেবহাটা থানা পুলিশে অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, (৩ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার অনুমানিক সকাল ১০ টায় দেবহাটা থানার এসআই আল-আমিন সংগীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে দেবহাটা থানাধীন পলগাদা এলাকা হতে ধর্ষণ মামলা আসামী হাড়দ্দা গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে সজিব হোসেন গ্রেপ্তার করেন।

এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামীকে ৩ সেপ্টেম্বর যথাযথ পুলিশ প্রহরার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরে শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনার কাজ বন্ধ করে জায়গাটি দখলমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। দুপুর ২টায় শ্যামনগর থানা গেটের সামনে পরিচালিত এ উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান। এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পত্তি পরিদর্শন করেন।

পরে তিনি শ্যামনগরের নীলডুমুর ডাকবাংলো, চন্ডিপুর ২২ বিঘা পুকুর, আকাশনীলা ইকোপার্কসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জেলা পরিষদের সম্পত্তির অবস্থা সরেজমিনে দেখেন। এসব সম্পত্তি কীভাবে অবৈধ দখলমুক্ত করে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “শ্যামনগর উপজেলায় জেলা পরিষদের যেসব সম্পত্তি বিভিন্ন সময়ে দখল হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এসব সম্পত্তি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উদ্ধার অভিযান ও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশেক এলাহী মুন্না, জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আল-আমিন, শ্যামনগর থানার ওসি, সাংবাদিক মারুফ হুসাইন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।