শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় জামায়াতের আগাম প্রস্তুতি; মেয়র ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় জামায়াতের আগাম প্রস্তুতি; মেয়র ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা অনেক আগে থেকেই মাঠে ময়দানে কাজ শুরু করেছেন। তবে একমাত্র বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অন্য কোন রাজনৈতিক দল থেকে এখনো দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেনি।

 

ইতোমধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, মেয়র এবং ৯ টি ইউনিয়ন পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দল থেকে নাম ঘোষণার পর নির্বাচনী তৎপরতা বেড়েছে প্রার্থীদের মধ্যে। ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন প্রার্থীরা। তারা একদিকে যেমন নিজ এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সংযোগ বাড়িয়েছেন অন্যদিকে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সবার নজর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে। সাধারণ মানুষ যেমন একটি সুন্দর নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে, তেমনি রাজনৈতিক দলগুলো ও নিচ্ছেন ভিন্ন ভিন্ন পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি। জেলার গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা পাইকগাছা ১০ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। সরকারি দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এখনো তাদের কোন প্রার্থী ঘোষণা করেনি।

 

তবে দলটির সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে ময়দানে কাজ করছেন। নির্বাচন কবে হবে সেটি এখনো নির্ধারণ না হলেও বসে নেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় সরকারের ৩ টি নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি। দলটির পক্ষ থেকে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

 

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আমিনুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ সভাপতি মাওলানা কামাল হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পৌর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি শাহানারা খাতুন, পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হিসেবে জামায়াত নেতা এডভোকেট মোর্তজা জামান আলমগীর রুলুর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

 

১০ টি ইউনিয়নের মধ্যে হরিঢালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মুফতি মাওলানা আব্দুল হান্নান, কপিলমুনির চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা বুলবুল আহমেদ, দেলুটিতে ইউনিয়ন আমীর গোলাম মোস্তফা, সোলাদানায় উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ মাওলানা নুরে আলম, লস্করে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান, গদাইপুরে ইসলামি ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাড়ুলিতে জেলা জামায়াতের ইউনিট সদস্য সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মোমিন সানা, চাঁদখালীতে ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আসগর হোসাইন ওরফে জাহাঙ্গীর ও গড়ইখালীতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামায়াত নেতা প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার।

 

উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান বলেন একমাত্র লতা ইউনিয়ন বাদে উপজেলা, পৌরসভা এবং ৯ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থীরা সবাই ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে এলাকায় কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান।

Ads small one

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত কয়েকদিন ধরে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গত পাচ দিনে নতুন করে জেলায় ৭২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময় প্রতিদিনই গড়ে প্রায় ১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাতক্ষীরায় মোট ২৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪১ জন রোগী। এ সময় উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ৭ জন রোগীকে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪১ জন। তবে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদরের হাসপাতালভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় নতুন করে ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। এর পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ৭ জন। এছাড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন, শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন এবং দেবহাটা ও কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন করে রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক ১৪৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এছাড়া সদর হাসপাতালে ৪০ জন এবং তালায় ২৯ এবং শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া আশাশুনিতে ৫ জন, দেবহাটায় ১২ জন এবং কলারোয়া ও কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৬ জন করে রোগী ভর্তি হয়েছেন।

সূত্র অনুযায়ী, গত চার দিনের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ জনের মতো রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে গত ৬ সেপ্টেম্বর ১৫ জন, ৭ সেপ্টেম্বর ১৩ জন, ৮ সেপ্টেম্বর ২৩ জন এবং ৯ সেপ্টেম্বর ১৯ জন, ১০ সেপ্টেম্বর ১৯ জন এবং ১১ সেপ্টেম্বর ২ জন ডেঙ্গু রোগী নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার জানান, “জেলার ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে নতুন করে ১৫ জনের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। ফলে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিদিন রোগী বাড়ায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। তবে আক্রান্তদের প্রয়োজন অনুযায়ী জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় এডিস মশার বিস্তার এবং বৃষ্টির পর জমে থাকা পানিকে ডেঙ্গু সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বাড়ির আশপাশে, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত পাত্র ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার প্রজনন হতে পারে।”

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইকবাল মাহমুদ পিয়াল জানান, ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা।

সাতক্ষীরা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাধারণ মানুষের সচেতনতা এবং মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। অন্যথায় আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”

গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ভর্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ভর্তি

পত্রদূত রিপোর্ট: ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের জটিলতাজনিত কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি শেখ আব্দুল আলিম। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে রাজধানী ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতাল সূত্র ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ফুসফুস বিশেষজ্ঞ টিমের তত্ত্বাবধানে শেখ আব্দুল আলিমের অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি নিজ জেলা সাতক্ষীরায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার কাক্সিক্ষত কোনো উন্নতি হয়নি, বরং শারীরিক জটিলতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তাঁকে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং রাজধানীর ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। শেখ আব্দুল আলিম সাতক্ষীরার স্থানীয় সাংবাদিকতা অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। তিনি সামাজিক ও পেশাগত ক্ষেত্রেও একজন পরিচিত মুখ। তাঁর হঠাৎ এমন গুরুতর অসুস্থতার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সাতক্ষীরার গণমাধ্যমকর্মী, সুশীল সমাজ ও স্বজনদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পরিবার ও তাঁর সহকর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী নিবিড় চিকিৎসার প্রক্রিয়া অত্যন্ত সংবেদনশীল। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য (শেফায়ে কামেলা) কামনায় সব সহকর্মী, আত্মীয়স্বজন, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীর কাছে বিনীতভাবে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছেন।

কোটিপতি বাবার একমাত্র সন্তান, মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক যুবক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
কোটিপতি বাবার একমাত্র সন্তান, মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক যুবক

মামুনুর রশিদ খান, মণিরামপুর (যশোর): যশোরের মণিরামপুরে মাদক বিক্রি ও সরবরাহের অভিযোগে মো. বিল্লাল হোসেন (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ৫ নম্বর হরিদাসকাটি ইউনিয়নের চান্দুয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকদ্রব্য, বিশেষ করে গাঁজা কেনাবেচা ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বাবা বিত্তশালী এবং তিনি পরিবারের একমাত্র সন্তান হওয়া সত্ত্বেও মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েছেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে চান্দুয়া গ্রামে গাঁজা বিক্রির সময় এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। স্থানীয়দের দাবি, সে সময় তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা ১২টি পোটলায় ভাগ করা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশ সূত্রে মাদকদ্রব্যের একটি পোটলা উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিল্লালকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা বলেন, তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে মাদক বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক যুবকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।