মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

পাইকগাছায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে নাজেহাল সরকারী কর্মকর্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে নাজেহাল সরকারী কর্মকর্তারা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ নিয়ে সরকারী নির্দেশনা অনুরণ করতে যেয়ে নাজেহাল সরকারী কর্মকর্তারা। ফ্যামিলি কার্ডের জরিপ কাজে নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পর ক্ষোভের মুখে অবশেষে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় স্থগিত হলো ঘোষিত ফলাফল। প্রত্যহার করা হলো আন্দোলনের কর্মসুচী। পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণরা নিরব।

সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য খানা জরিপে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদের দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। যাতে ১ হাজার ১০০ অধিক আবেদন জমা পড়ে। আবেদনকারীরা গত ২৫ ও ২৬ জুলাই প্রথম এবং ৪ আগস্ট দ্বিতীয়বার মৌখিক পরীক্ষা অংশ নেন। ৮ আগস্ট চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সুপারিশকৃতদের সবগুলো নাম ফলাফলে প্রকাশ পায়নি। এজন্য বিএনপি ও জামায়াতের একটি অংশ বিক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় ফেটে পড়ে। তারা জানায় যাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা প্রায় সবাই ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও আত্মীয় স্বজনরা। তারা আওয়ামী লীগ দোসর মুক্ত তালিকা চায়। এজন্য তারা রোববার ইউএনও দপ্তর ঘেরাও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন অবগত হয়ে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শুক্রবার ঘোষিত ফলাফল স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করতে যেয়ে নাজেহাল সরকারী কর্মকর্তারা এমনটি জানালেন প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস জানানা, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। নিয়োগ বোর্ডের কর্মকর্তারা সরকারী নীতিমালা অনুসরণ করে পরীক্ষা নিয়েছেন, যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ফলাফলে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারি নীতিমালার বাইরে কোন প্রকার পন্থা অবলম্বন করলে তাদেরকে শাস্তির আওতায় নেয়া হবে এমন কথা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে। আমরা কোনভাবেই সরকারের এই মহাৎ উদ্যোগকে ব্যহত করতে পারিনা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পরিপত্রের আলোকে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের কাছে পরীক্ষা দিলে, বোর্ডে থাকা ৩ কর্মকর্তা তাদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নম্বর প্রদান করেন। ভাইভা বোর্ডে প্রার্থী বা তার পরিবারের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা সংক্রান্ত প্রশ্ন করার সুযোগ থাকেনা। ৩ কর্মকর্তার মূল্যায়নে প্রদত্ত নম্বরের যোগফলে সর্বাধিক নম্বর প্রাপ্তকে নিয়োগ দেয়া হয়।

যেহেতু বিসিএস, সামরিক বাহিনী বা আরো কিছু নিয়োগের ন্যায় বিশেষ সংস্থাকে নিয়োগকারী মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রার্থীদের বিষয়ে ভেরিফিকেশনের জন্য বলা হয়নি, তাই বিশেষ সংস্থা কর্তৃক প্রার্থী বা তাদের পরিবার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভেরিফাইড অফিসিয়াল তথ্য পাওয়া যায়নি। এর প্রেক্ষিতে বোর্ডে থাকা ৩ কর্মকর্তার মূল্যায়নের ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশের পর সারা দেশের বিভিন্ন স্থানের মত এখানেও বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের উর্ধতন কর্মকর্তাদের আলোচনার ভিত্তিতে উপজেলা পর্যায়ে যদি কোন বিরুপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার ফল স্থগিত করতে পারবে মর্মে শনিবার জানানো হয়। এই প্রেক্ষিতে সদস্য সচিবের স্বাক্ষরে ফলাফল স্থগিত করা হয়। এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পর কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আহ্বানকারীরা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী নির্দেশনা মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে।

 

 

 

Ads small one

এমপির সামনে গ্রামের নারীরা ১৭ বিষয়ে উন্নয়ন চাইলেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
এমপির সামনে গ্রামের নারীরা ১৭ বিষয়ে উন্নয়ন চাইলেন

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের যুগিপোতা গ্রাম চারদিকে সবুজে ঘেরা। গ্রামের মেঠোপথ পেরিয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে যুগিপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা গেল, সারি সারি চেয়ারে বসে আছেন গ্রামের নারী-পুরুষ। সামনে ছোট একটি মঞ্চ।

 

সেখানে চলছিল যুগিপোতা উন্নয়ন সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভা। সভায় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসনসহ গ্রামের উন্নয়নে ১৭ দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের সদস্য সিমা ম-ল ও চম্পা ম-ল। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে শিবেরডাঙ্গী খাল খনন, সুপেয় পানির প্ল্যান্ট স্থাপন, কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ, লবণাক্ত পানি ঠেকানো, হাঁস পালনের যৌথ খামার, ধান ও মাছ চাষের সুযোগ তৈরি, পলি অপসারণ, সুইচগেট নির্মাণ, রাস্তা সংস্কার ও কালভার্ট নির্মাণ। এ ছাড়া জৈব সার ব্যবহার, ভূমি ও পানির ব্যবস্থাপনায় নারীর অংশগ্রহণ এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির বিষয়ও রয়েছে।

গ্রামের বাসিন্দারা জানান, বর্ষায় গ্রামের নিচু এলাকা সাত থেকে আট মাস পানিতে ডুবে থাকে। এতে সময়মতো বীজতলা করা যায় না, ব্যাহত হয় ফসলের চাষ। পানি সরাতে নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন বাড়ির পানি মাটির নিচ দিয়ে পাইপের মাধ্যমে নেহালপুর খালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন তাঁরা। কয়েকটি চেম্বারও তৈরি করা হয়েছে। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য শিবেরডাঙ্গী খাল খননের দাবি তাঁদের।

যুগিপোতা উন্নয়ন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রবিউল ইসলাম বলেন, ‘খালটা পুরোপুরি ভরাট হয়ে গেছে। খালটি সংস্কার না করলে বর্ষায় সাত থেকে আট মাস জলাবদ্ধতা থাকে। মাঠে ফসল করা যায় না, সময়মতো বীজতলাও করা যায় না।’ রবিউল ইসলাম বলেন, যুগিপোতা, সুখদেবপুর, পুরুষোত্তমপুর, বয়রবাতান ও দুর্গডাঙ্গাসহ কয়েকটি এলাকার পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ পথ শিবেরডাঙ্গী খাল। খালটি খননের জন্য বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কয়েকবার আবেদন করেও আশানুরূপ সাড়া পাননি তাঁরা।

 

জলাবদ্ধতার পাশাপাশি গ্রামের মানুষ একটি সাইক্লোন শেল্টার কাম স্কুল নির্মাণেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য, দুর্যোগপ্রবণ এ এলাকায় এমন একটি স্থাপনা হলে একদিকে শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয়ের সংকট কমবে, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ের সময় আশ্রয়ের ব্যবস্থা হবে।

দুই বছর আগে ১৭৬টি পরিবার নিয়ে গড়ে ওঠা যুগিপোতা উন্নয়ন সংগঠনটি নিজেদের উদ্যোগেও বেশ কিছু কাজ করেছে। সংগঠনের উদ্যোগে একটি ডোবা ভরাট করে বিদ্যালয়ের মাঠ তৈরি করা হয়েছে, রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে এবং গত বছর প্রায় ৭০০ গাছ লাগানো হয়েছে। এ ছাড়া ৪২ জন হতদরিদ্র, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে প্রায় ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
সংগঠনের সদস্য চম্পা ম-ল বলেন, ২০১৪ সালে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের জন্য জমি দেওয়া হলেও এখনো সেখানে ক্লিনিক হয়নি। গ্রামের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

সভায় বেসরকারি সংস্থা উত্তরণ কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান জমাদ্দার বলেন, তাঁদের প্রকল্পের অর্থ দিয়ে স্থানীয় মানুষ নিজেরাই এলাকার অগ্রাধিকার ঠিক করে উন্নয়নকাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘কোন কাজ হবে, কী হবে না—সেই সিদ্ধান্ত তাঁরাই নেন।’

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বিভাগ-২-এর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বলেন, যুগিপোতা ও আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়েছে। সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাভুক্ত কোনো কাজ করার সুযোগ থাকলে তাঁরা সহযোগিতা করবেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, যে এলাকার প্রয়োজন বেশি, সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার চেষ্টা করবেন। তিনি বলেন, ‘যে কাজটা আগে হওয়া দরকার, যে এলাকা বেশি অবহেলিত, যার হক আগে, সেটাকে আগে দেওয়ার চেষ্টা করব।’

সংগঠনের দাবিগুলো লিখিতভাবে তাঁর কাছে পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, সরকারি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করবেন। জলাবদ্ধতার জন্য পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে বাড়িঘর নির্মাণ বা বাঁধ দেওয়ার প্রবণতাকেও দায়ী করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘একজন বা দুইজন মানুষের জন্য শত মানুষ কষ্ট পাবে, এটা হতে দেওয়া যাবে না।’ প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলায় প্রথম পুস্কার পেল সাতক্ষীরা নার্সারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলায় প্রথম পুস্কার পেল সাতক্ষীরা নার্সারি

সংবাদদাতা: ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ হোক বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগের আয়োজনে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে ১০ দিনব্যাপী এ বৃক্ষমেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যুগ্মসহকারী বন সংরক্ষক প্রিয়াঙ্কা হালদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, সামাজিক বনাঞ্চল জোন সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জি এম মারুফ বিল্লাহ ও সাতক্ষীরা জেলা নার্সারির মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ নূরুল আমিন।

মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন সাতক্ষীরা নার্সারি, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে সাঈদ নার্সারি ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে সরদার নার্সারি।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডেপুটি রেঞ্জার মোহাম্মদ আওছাফুর রহমান।

 

কলারোয়ায় পুলিশের অভিযানে প্রতিবন্ধীসহ ২ জন গ্রেপ্তার, ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় পুলিশের অভিযানে প্রতিবন্ধীসহ ২ জন গ্রেপ্তার, ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের নিকট থেকে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কলারোয়া থানার ব্রজবাকসা মোল্যাপাড়ার বদরউদ্দীন এর ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ রানা হোসেন (৩৯) ও একই থানার লাঙ্গলঝাড়া কারিকরপাড়ার মৃত আবুল হোসেন কারিকর এর ছেলে মোঃ মিনারুল ইসলাম ওরফে মিনা (২৩)।

অভিযান পরিচালনাকারী দল জানায়, কলারোয়া থানাধীন লাঙ্গলঝাড়া পূর্বপাড়া গ্রামস্থ জনৈক আরশাদ আলীর চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর এবং কলারোয়া থানাধীন দক্ষিণ দিগং গ্রামস্থ জনৈক আমিনুর হুজুরের বাড়ীর সামনে ব্রজবাকসা-কাজীরহাটগামী পাকা রাস্তার উপর হতে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকালে তাদের নিকট থেকে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম শাহীন জানান, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক মামলার দুই এজাহারনামীয় আসামিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মঙ্গলবার (১১/০৮/২০২৬ খ্রিঃ) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কলারোয়া থানা পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।