মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় দুর্নীতি প্রতিরোধে বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় দুর্নীতি প্রতিরোধে বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা শুরু

পত্রদূত ডেস্ক: ‘দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ে সপ্তাহব্যাপী দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, খুলনার আয়োজনে এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় এ আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও সমাজসেবক আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা।

 

প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, দুর্নীতির অন্যতম কারণ মানুষের মধ্যে লোভের বিস্তার। লোভের বশবর্তী হয়েই মানুষ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে। নৈতিকতার বিকাশ ঘটলে মানুষের চিন্তা ও মূল্যবোধেরও উন্নতি হবে, তখন দুর্নীতি থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন্নাহার, এনডিসি নাফিউল ইসলাম ও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেন। বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সহযোগী অধ্যাপক মো. অলিউর রহমান, সহকারী অধ্যাপক শাহেদ মোস্তফা চৌধুরী ও প্রভাষক ওমর ফারুক। উদ্বোধনী বিতর্কের বিষয় ছিল-‘দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপে সরকারের দায়বদ্ধতাই বেশি’।

 

এতে পক্ষে অংশ নেয় বৈকারী কুশখালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং বিপক্ষে অংশ নেয় বাকাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্ক পরিচালনা করেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য মো. সাকিবুর রহমান। সময় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানে জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য রেবেকা সুলতানা, জিএম নাজমুল আরিফ, মো. শহিদুর রহমান, অ্যাডভোকেট মুহা. মুনির উদ্দীন, মো. নাজমুল হক, অধ্যাপক আব্দুল ওহাব আজাদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

জেলার ৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সপ্তাহব্যাপী এ বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান।

 

Ads small one

কেশবপুরে বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান ক্ষুধার তাড়নায় হানা দিচ্ছে লোকালয়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান ক্ষুধার তাড়নায় হানা দিচ্ছে লোকালয়ে

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে খাদ্য সংকটে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান। পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে তারা লোকালয়ে ঢুকে বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হানা দিচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্যের সন্ধানে বেরিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একাধিক হনুমান মারা যাচ্ছে। আবার কেউবা আহত হয়ে মানুষের দারস্থ হচ্ছে চিকিৎসা নিতে।

হনুমানের খাদ্য সরবরাহের সাথে সংশ্লিষ্টরা বলেন, হনুমানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্য সংকট বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে হনুমানের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণে আনুষ্ঠানিক গণনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্র ও বন বিভাগের ধারণা অনুযায়ী, বর্তমানে কেশবপুরে প্রায় চার শতাধিক কালোমুখো হনুমান রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক গণনা না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে কেশবপুর ও আশ-পাশের অন্তত ১২টি এলাকায় হনুমানের বিচরণ বেশি দেখা যাচ্ছে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে ভোগতী, বালিয়াডাঙ্গা, মধ্যকুল, ক্ষতিয়াখালী, সুজাপুর, ব্রহ্মকাটি, আলতাপোল, বায়সা, রামচন্দ্রপুর, মাগুরাডাঙ্গা এবং মণিরামপুর উপজেলার মুজগুন্নী ও দুর্গাপুর। বনজ সম্পদের পরিমাণ কমে যাওয়ায় হনুমানগুলো আশপাশের নতুন এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ছে।

বন বিভাগ থেকে প্রতিদিন কালোমুখো হনুমানের জন্য ৪৭ কেজি ২০০ গ্রাম কলা, ৬ কেজি ৭০০ গ্রাম পাউরুটি, ৭ কেজি ৩৫০ গ্রাম বাদাম এবং ৭ কেজি সবজি সরবরাহ করা হয়। তবে এই খাদ্য প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে দাবি স্থানীয়দের। হনুমানের সংখ্যার তুলনায় খাদ্যের স্বল্পতার কারণে সব এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব হয় না।

খাদ্য সরবরাহকারী ভ্যানচালকআতিয়ার রহমান বলেয়ব্দুর রহমান কাছে যেতেই হনুমানটি তার কাঁধে চড়ে বসে।পরে তিনিটি চলে য সেটিকে পাশের একটি ফার্মেসিতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে হনুমনটি চলে যায়। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তাদের মতে, সঠিকভাবে হনুমান গণনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হলে এমন পরিস্থিতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি হনুমানের মৃত্যুর তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি আহত হনুমানের চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে। উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা সমীরণ বিশ্বাস বলেন, সম্প্রতি কেশবপুরে হনুমানের সংখ্যা বেড়েছে। উপজেলা সদর ও হাসপাতাল এলাকায় বিচরণকারী অধিকাংশ মা হনুমানের কোলে শাবক দেখা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে কেশবপুরে চার শতাধিক হনুমান রয়েছে। আনুষ্ঠানিক গণনা করা হলে প্রকৃত সংখ্যা জানা সম্ভব হবে।

 

 

কেশবপুর দিলীপ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে হোসেন ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
কেশবপুর দিলীপ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে হোসেন ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যু

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে দিলীপ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে ফোঁড়া অপারেশনেই রোগীর মৃত্যু । ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার রাতে।

তথ্যসূত্রে জানা গেছে, মনিরামপুর উপজেলার মুজগুনি গ্রামের মতিয়ার মোড়লের স্ত্রী আছিয়া বেগম ৭৫ কে পরিবারের লোকজন একটি ফোঁড়ার জন্য ডাক্তার দিলীপ রায়ের কাছে দেখাতে নিয়ে যায় তিনি তাদেরকে পরামর্শ দেন অপারেশন ছাড়া এটা ভালো হওয়া সম্ভব নয় অপারেশনের জন্য ৭ হাজার টাকা দিতে হবে।

 

রোগীর লোকেরা রাজি হলে তৎক্ষণিকভাবে তাকে হোসেন ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন সেই মোতাবেক রোগী হোসেন ক্লিনিকে ভর্তি হয়। রাত দশটায় অপারেশন করার কথা থাকলেও তিনি রাত ৮ টায় ফোঁড়া অপারেশন করেন। রোগীর সজনরা জানান রোগীর হার্টের সমস্যা আছে ডাক্তারকে বারবার অবহিত করা হলেও তিনি বলেন এটা একটা সিম্পল অপারেশন হার্ট পর্যন্ত যাওয়া লাগবেনা।

 

অপারেশন এর পরে রোগী যখন ঘামতে শুরু করে পরবর্তীতে মরণাপন্ন অবস্থায় তাকে খুলনায় নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন চুকনগরে পৌঁছানোর আগেই রোগী মৃত্যুবরণ করেন। এ বিষয়ে ডাক্তার দিলীপ বাবু বলেন রোগীর হার্টের সমস্যা ছিল সেই কারণে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছিল পৌঁছানোর আগেই রোগীটি মারা যায়।

এ বিষয়ে ক্লিনিক মালিক হামিদুজ্জামান বলেন রোগীটা আমাদের ক্লিনিকে ছিল, তবে ডাক্তার দিলীপ রায়ের রোগী তিনি ট্রিটমেন্ট দিবেন তিনি সবকিছু করবেন আমরা মাত্র সেবা দাতা। রোগীর অবস্থা খারাপ হওয়ার কারনে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় নেওয়ার পথে পথিমধ্যেই মারা যান।।

এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার রেহনেওয়াজ বলেন আমি শুনেছি রোগীদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ আসলে ক্লিনিকের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

শ্যামনগরে অ্যাডভোকেসি গ্রুপের পরিকল্পনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে অ্যাডভোকেসি গ্রুপের পরিকল্পনা সভা

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার তরুণদের উদ্যোগে গাবুরাও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের এ্যাডভোকেসি গ্রুপের সদস্যদের নিয়ে পরিকল্পনা পরিকল্পনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় সিএনআরএস এর প্রকল্প অফিসে অনুষ্ঠিয় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলায় এডভোকেসি গ্রুপের সদস্য সচীব পীযুষ বাউলিয়া পিন্টু।

গভর্ন্যান্স ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্রকল্পের অ্যাডভোকেসি গ্রুপের পরিকল্পনা সভা সহায়ক হিসেবে আলোচনা করেন জিফোরসিআর প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার নাজিমউদ্দীন আহম্মেদ, ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মোস্তাক আহম্মেদ ও মায়া রানী। সিডিও ইয়ুথ টিমের নির্বাহী পরিচালক গাজী আল ইমরান, ফিল্ড অর্গানাইজার শিরীন সীমা ও মিনারুল ইসলাম প্রমুখ।

ক্লাইমেট জাস্টিস রেজিলিয়েন্স ফান্ডের আর্থিক সহযোগিতায় গভর্ন্যান্স ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্রকল্পের আওতায় অ্যাডভোকেসি গ্রুপের সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি পরিকল্পনা সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইউনিয়ন ভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, অগ্রাধিকারভিত্তিক ইস্যু নির্বাচন, কার্যকর অ্যাডভোকেসি কৌশল প্রণয়ন, দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।