শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রকৃতির ঘড়িতেই আগে পাকছে সাতক্ষীরার আম, এবারও কি বদলাবে আম ক্যালেন্ডার?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
প্রকৃতির ঘড়িতেই আগে পাকছে সাতক্ষীরার আম, এবারও কি বদলাবে আম ক্যালেন্ডার?

পত্রদূত রিপোর্ট: দেশের মানচিত্রে আমের স্বাদ আর গন্ধে সবার আগে যে জেলাটির নাম উঠে আসে, তা হলো সাতক্ষীরা। ভৌগোলিক অবস্থান আর মাটির গুণাগুণের কারণে উত্তরের জেলাগুলোর অন্তত ১৫ দিন আগেই এখানে আম পাকে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে ‘আম ক্যালেন্ডার’ বা আম পাড়ার নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে চাষি ও প্রশাসনের মধ্যে এক ধরনের স্নায়ুযুদ্ধ চলছে। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে আম আগে পেকে গেলেও ক্যালেন্ডারের গেরোয় পড়ে অনেক সময় চাষিদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে, ২০২৬ সালেও কি গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় আম পাড়ার সময় আরও এগিয়ে আসবে?

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার জেলায় আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭০ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি। সাতক্ষীরার আম কেন আগে পাকে-এ নিয়ে কৃষি বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা বেশ পরিষ্কার। তাঁরা বলছেন, এখানকার গড় তাপমাত্রা উত্তরের চেয়ে কিছুটা বেশি এবং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবও আগে পড়ে। ফলে আম্রপালি বা হিমসাগর সাতক্ষীরায় যখন পেকে হলদে হয়, তখন রাজশাহীতে তা কেবল আঁটি বাঁধে।

অথচ অপরিপক্ব আমে রাসায়নিক মিশিয়ে বাজারজাত করা রোধে গত কয়েক বছর ধরে প্রশাসন আম পাড়ার একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করে দিচ্ছে। কিন্তু গত তিন বছরের উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ক্যালেন্ডারের সেই তারিখ বারবার প্রকৃতির কাছে হার মেনেছে।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প্রতিবছরই আম পাড়ার তারিখ ৪ থেকে ৫ দিন করে এগিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছে প্রশাসন।
২০২৩ সালে স্থানীয় জাতের আম পাড়ার সময় ছিল ১২ মে। ২০২৪ সালে সেই সময় ৩ দিন এগিয়ে নির্ধারণ করা হয় ৯ মে। ২০২৫ সালে আরও ৪ দিন কমিয়ে আনা হয় ৫ মে-তে। পরে আরো এক দফা কমানো হিমসাগর আম পাড়ার সময়।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০২৩ সালে সাতক্ষীরা জেলার আম ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গোপালভোগ, বোম্বাই, গোলাপখাস, গোবিন্দভোগ, বৈশাখীসহ স্থানীয় জাতের আম পাড়ার সময় নির্ধারিত ছিল ১২ মে, হিমসাগর ২৫ মে, ন্যাংড়া ১ জুন এবং আম্রপলি ১৫ জুন।

সূত্রমতে, ২০২৪ সালে সময়সীমা আগের বছরের চেয়ে এগিয়ে এনে গোপালভোগ, বোম্বাই, গোলাপখাস, বৈশাখীসহ স্থানীয় জাতের আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করা হয় ৯ মে, গোবিন্দভোগ ১১ মে, হিমসাগর ২২ মে, ন্যাংড়া ২৯ মে এবং আম্রপলি ১০ জুন।

সর্বশেষ গত ২০২৫ সালে সময়সীমা আরো এগিয়ে এনে গোপালভোগ, বোম্বাই, গোলাপখাস, গোবিন্দভোগ, বৈশাখীসহ স্থানীয় জাতের আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করা হয় ৫ মে থেকে। হিমসাগর ২০ মে, ন্যাংড়া ২৭ মে এবং আম্রপলি পাড়ার সময় নির্ধারণ করা হয় ৫ জুন থেকে। কিন্তু ক্যালেন্ডারের সময়সীমার আগেই বিভিন্নস্থানে গাছের আম পেকে মাটিতে পড়তে থাকে। একপর্যায়ে গত বছর ১৪ মে সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন জরুরি সভা ডেকে পরদিন ১৫ মে থেকে হিমসাগর আমর পাড়ার সময় এগিয়ে আনার ঘোষণা দেয়।

তিন বছরের এই আম ক্যালেন্ডার পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রতিবছরই পূর্বের চেয়ে আম পাড়ার সময় এগিয়ে আনা হয়েছে। তারপরও আম নিয়ে সমস্যা থেকেই গেছে।

গত বছর এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী হিমসাগর পাড়ার কথা ছিল ২০ মে, কিন্তু গাছে আম পেকে ঝরতে শুরু করায় চাষিদের চাপে ১৪ মে জরুরি সভা ডেকে ১৫ মে থেকে হিমসাগর পাড়ার অনুমতি দেয় জেলা প্রশাসন। অর্থাৎ প্রশাসনের নির্ধারিত ক্যালেন্ডার শেষ পর্যন্ত বাস্তবতার মুখে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
চাষিদের মূল উদ্বেগ কেবল আম পাকা নিয়ে নয়, বরং উপকূলে নিয়মিত আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় নিয়ে। এপ্রিল-মে মাস মানেই সাতক্ষীরায় কালবৈশাখী ও সাইক্লোনের আতঙ্ক। চাষিদের দাবি, আম পেকে গেলেও যদি ক্যালেন্ডারের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তবে যেকোনো এক ঝড়ে বছরের সব পরিশ্রম মাটিতে মিশে যেতে পারে। বিশেষ করে তীব্র গরম পড়লে আম দ্রুত পাকে, যা অনেক সময় ক্যালেন্ডার রচয়িতারা বিবেচনায় নেন না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একই জাতের আম এলাকাভেদে পাকার ক্ষেত্রে দুই মাস পর্যন্ত ব্যবধান হতে পারে। এটি আম গাছে মুকুল আসার সময় এবং মাটির তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। আবার একটি আমগাছে সম্পূর্ণ মুকুল আসতে প্রায় ২০ দিন সময় লাগে। যে মুকুলটি শুরুতে আসে আর যেটি শেষে আসে-এই দুই মুকুলের আম একসঙ্গে পাকে না। বিজ্ঞানীদের মতে, “জাতের চেয়ে আবহাওয়া ও পরিবেশই আম পাকার মূল কারিগর।” সাতক্ষীরার তপ্ত মাটি আর নোনা বাতাসের ছোঁয়া আমকে আগেভাগেই রসালো করে তোলে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর এখনো ক্যালেন্ডার চূড়ান্ত হয়নি। তবে চাষিদের দাবি, তারিখ যেন কেবল খাতা-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে বাগানের বাস্তব পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আগামী ২৯ এপ্রিল দেশের কৃষিবিদদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় আম হারবেস্ট বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “আমি স্থানীয় আমচাষীদের সাথেও কথা বলেছি। তবে এখনো পর্যন্ত জেলার আম পরিপক্ক হয়নি।” ১০ মে নাগাদ আম সংগ্রহ করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সাতক্ষীরার আমের সুনাম এখন বিশ্বজুড়ে। সেই সুনাম ধরে রাখতে যেমন রাসায়নিকমুক্ত আম নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তেমনি প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সঠিক সময়ে আম বাজারজাত করার সুযোগ পাওয়া চাষিদের ন্যায্য অধিকার। প্রশাসনের পরবর্তী সভার দিকেই এখন চেয়ে আছেন জেলার হাজার হাজার আম চাষি ও ব্যবসায়ী।

 

 

Ads small one

শাবনূরের অনুরোধে সিডনির রাস্তায় গান গাইলেন রবি চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
শাবনূরের অনুরোধে সিডনির রাস্তায় গান গাইলেন রবি চৌধুরী

দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা রবি চৌধুরী ও শাবনূর। একজন গায়ক, অন্যজন অভিনেত্রী। তবে দুজনের মধ্যে রয়েছে বন্ধুত্ব। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সেই বন্ধুত্বের দৃশ্য আবারও দেখা গেল। ফেসবুকের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সিডনির রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছেন অভিনেত্রী, পাশে বসে গান শোনাচ্ছিলেন গায়ক। পেছনের আসনে শাবনূরের একমাত্র ছেলে আইজান নেহান।

শাবনূর দীর্ঘদিন ধরেই অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। এদিকে সম্প্রতি স্টেজ শোতে গাইতে সেখানে গেছেন রবি চৌধুরী। তার আসার খবরে শাবনূর আগেই থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন একসঙ্গে ঘুরবেন। শুক্রবার সেই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিলো। সিডনির বিভিন্ন মনোরম জায়গা রবিকে ঘুরিয়ে দেখালেন তিনি।

এ সময় শাবনূরের অনুরোধে তার খুব পছন্দের গান ‘যেভাবেই তুমি সকাল দেখো’ গেয়ে শোনান রবি চৌধুরী। পরে গাড়ি থেকে নেমে শাবনূরের অনুরোধে গেয়ে ওঠেন ‘ভালোবাসি তোমাকে’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’।

শাবনূর ও রবি চৌধুরীর জন্মদিনও একই দিনে—১৭ ডিসেম্বর। এর আগে শাবনূর ঢাকায় এলে রবি চৌধুরীর বাসায় একসঙ্গে জন্মদিন উদযাপন করেছেন তারা। সময়ের সঙ্গে দুজনের জীবনের গতিপথ বদলেছে, বদলে গেছে ঠিকানাও; কিন্তু বন্ধুত্ব রয়ে গেছে আগের মতোই।

সামাজিক মাধ্যমে সিডনিতে কাটানো সময়ের ভিডিও প্রকাশ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘সিডনিতে প্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীকে কাছে পেয়ে ফিরে গেলাম ‘ভালোবাসি তোমাকে’ চলচ্চিত্রের সেই মধুর স্মৃতিতে। ছবিটির জনপ্রিয় গান ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’, যার মূল শিল্পী ছিলেন খালিদ হাসান মিলু ও কনকচাঁপা।

প্রিয় রবি চৌধুরীর কণ্ঠে আজ সেই গানটির দুই লাইন শুনে নস্টালজিয়ায় ডুবে গেলাম। বাংলা আধুনিক গানের জনপ্রিয় এই শিল্পীর সঙ্গে সিডনিতে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

ভালোবাসি তোমাকে ছবিটির পরিচালক মহম্মদ হান্নান আর গানটির গীতিকার ও সুরকার ছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

ভারতের ২৪৯ রান টপকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবিশ্বাস্য জয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
ভারতের ২৪৯ রান টপকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবিশ্বাস্য জয়

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয়ের জন্য প্রয়োজন ২৫০। এমন কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জোড়া ধাক্কা খেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শাই হোপের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি আর শেরফান রাদারফোর্ডের বিধ্বংসী ইনিংসে সব হিসাব পাল্টে দিলো ক্যারিবীয়রা। শুক্রবার রাঁচিতে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই তাদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়।

পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সফল রান তাড়ার তালিকায় অবশ্য এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৫৯ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার ভারতের ২৪৯ রান পেরিয়ে সেই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই বিপাকে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পেসার মায়াঙ্ক যাদব পরপর দুই বলে ফেরান কামিল পুরান ও শিমরন হেটমায়ারকে। পরে ২৪ রান করা রোভম্যান পাওয়েলকেও ফিরিয়ে দেন তিনি।

এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হোপ ও রাদারফোর্ড। চতুর্থ উইকেটে ১২০ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে ভারতীয় বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালান তারা।

৩৮ রানে থাকতে মায়াঙ্ক যাদবের সহজ ক্যাচে জীবন পান রাদারফোর্ড। জীবন পেয়ে পরে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন রাদারফোর্ড। মাত্র ৩৭ বলে ৮৪ রান করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কুলদীপ যাদবের বলে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৭টি ছয়।

তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে রান তোলার গতি ঠিকই ধরে রাখেন হোপ। রোমারিও শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। ৪৫ বলে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন হোপ। তার ইনিংসে ভর করেই ৯ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৯টি ছয়।

এর আগে স্যামসনের ৪১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তুলেছিল ভারত। ইনিংসের শুরুতে অভিষেক শর্মা ও স্যামসনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র চার ওভারের কম সময়ে ৪২ রান তুলে ফেলে স্বাগতিকরা।

তবে সেই ঝড়ো শুরু থামান রোস্টন চেজ। অভিষেককে (২০) ফেরানোর পর ৪৩ রান করা ঈশান কিষান ও শিবম দুবেকেও (৭) আউট করেন তিনি। শামার স্প্রিঙ্গারের শিকার হন স্যামসন (৮২)।

শেষ দিকে আবারও রান তোলার গতি বাড়ায় ভারত। শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক বর্মা মাত্র ৩২ বলে ৮৩ রানের জুটি গড়েন। আইয়ার ১৮ বলে করেন ৪০ রান। ইনিংসের শেষ ওভারের আগের বলে আউট হন তিনি। তাতে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ২৪৯ রান। তিলক ১৮ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্যারিবীয়দের হয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন রোস্টন চেজ। ৬৪ রানে দুটি নেন শামার স্প্রিঙ্গার।

সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে রবিবার।

শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আন্তর্জাতিক আইনের প্রখ্যাত প্রবক্তা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী’ ও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত কৌঁসুলি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে, পিল্লাইয়ের এমন মন্তব্যের জের ধরে এ প্রতিক্রিয়া জানায় দেশটি।

শুক্রবার পিল্লাইয়ের নোবেল বিজয়ের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, নোবেল প্রাইজ কমিটি তাদের নৈতিক দিকনির্দেশনা হারিয়ে ফেলেছে। তারা এমন একজন কট্টর বর্ণবাদীকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেছে, যিনি একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও অপপ্রচার চালিয়ে ক্যারিয়ার গড়েছেন।

একই সঙ্গে পিল্লাই ইহুদিদের প্রতি বিদ্বেষ ও কুৎসা রটাতে উসকানি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব ইনকোয়ারি অন দ্য অকুপাইড প্যালেনস্টাইন টেরিটরি-এর প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেন ৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাই। অবশ্য এই কমিশনটি জাতিসংঘের মূল প্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি কথা বলে না। তবে গত বছর এক প্রতিবেদনে কমিশনটি উল্লেখ করে যে, ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা সংঘটিত করছে।

সূত্র: এএফপি