সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেন ঢামেক হাসপাতাল পরিচালক তালার কৃতি সন্তান ব্রিগেডিয়ার আসাদুজ্জামান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেন ঢামেক হাসপাতাল পরিচালক তালার কৃতি সন্তান ব্রিগেডিয়ার আসাদুজ্জামান

 

তালা প্রতিনিধি: চিকিৎসাবিদ্যায় গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পেয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল। হাসপাতালের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের শিরাশুনী গ্রামের কৃতি সন্তান। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আবু তালেব মোড়লের কনিষ্ঠ পুত্র। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ পদক তুলে দেন। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা ও গবেষণার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ঐতিহ্যবাহী এ হাসপাতালে বর্তমানে ৪২টি বিভাগ এবং দুই হাজার ৬০০ শয্যাবিশিষ্ট অন্তঃবিভাগ রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার রোগী বহির্বিভাগে এবং প্রায় এক হাজার ৭০০ রোগী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। এছাড়া অন্তঃবিভাগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় চার হাজার রোগী ভর্তি থাকেন।
জানা গেছে, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে হাসপাতালটির চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আহতদের চিকিৎসা ও সহায়তা দিয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় তিন হাজার আহত ব্যক্তিকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পাশাপাশি কোভিড-১৯ মহামারীতেও হাসপাতালটি নিরবচ্ছিন্নভাবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষায় ভূমিকা রেখেছে। এ বছর স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ এর জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

Ads small one

সেবায় অনন্য সবার জন্য ব্রত নিয়ে সাতক্ষীরায় স্পন্দন হাসপাতালের যাত্রা শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
সেবায় অনন্য সবার জন্য ব্রত নিয়ে সাতক্ষীরায় স্পন্দন হাসপাতালের যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সেবায় অনন্য সবার জন্য এই ব্রতকে সামনে নিয়ে দোয়া ও মোনাজাত এর মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় স্পন্দন হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

 

সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় স্পন্দন হাসপাতালের সিইও আলহাজ্ব সাবের রেজা জাকির এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে স্পন্দন হাসপাতালের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ভালোবাসা দিয়ে উন্নত সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। সেবার নামে কাউকে হয়রানি করা যাবেনা। অযথা পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে দিয়ে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করা যাবে না। সেবা করলে মহান আল্লাহ তায়ালা রাজী খুশী হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান রাসেল, স্পন্দন হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুর রহমান, বাইতুল আকসা জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা তামিম হোসেন প্রমুখ।

 

এসময় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্পন্দন হাসপাতালের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্পন্দন হাসপাতালের ডিএমডি মোঃ ইসরাইল হোসাইন।

 

 

টিআরএম বাস্তবায়নে সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী যুব ক্যাম্পেইন শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
টিআরএম বাস্তবায়নে সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী যুব ক্যাম্পেইন শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার বেতনা ও মরিচ্চাপ অববাহিকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মৃতপ্রায় নদীগুলোকে বাঁচাতে টিআরএম (টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট) জোয়ারাধার পদ্ধতি বাস্তবায়নের দাবিতে শুরু হওয়া বিশেষ জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনটি আজ দ্বিতীয় দিনে পদার্পণ করেছে।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল থেকে ক্যাম্পেইনের টিমটি সদর উপজেলার বিভিন্ন জলাবদ্ধতা প্রবণ ও নদী তীরবর্তী এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে।

‘সাস্টেইনেবল রিভার বেসিন ম্যানেজমেন্ট (এসআরএম): অ্যাডাপ্টিং ক্লাইমেট চেঞ্জ ইন দ্য সাউথওয়েস্ট বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় জনমানুষের মাঝে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এই প্রচারণার আয়োজন করা হয়েছে।

এর আগে রবিবার (১৪ জুন) শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক চত্বরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘উত্তরণ’ এবং ‘সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব পানি কমিটি’র যৌথ উদ্যোগে এই মাঠপর্যায়ের ক্যাম্পেইনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল হামিদ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: শফিকুল ইসলাম।

সাতক্ষীরা যুব পানি কমিটির সভাপতি মো. হোসেন আলীর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি মো. মফিজুর রহমান, সদর উপজেলা পানি কমিটির সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম, তালা উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, সদর উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রউফ বাবু, দপ্তর সম্পাদক মহুয়া মঞ্জুয়ারা, সদস্য আব্দুল জব্বার মাস্টার, উত্তরণের প্রজেক্ট অফিসার দিলীপ কুমার সাহা, মনিটরিং অফিসার আল-আমীন মোল্যা, ফিল্ড অফিসার গোলাম হোসেন, যুব পানি কমিটির সহসভাপতি হাফিজা আফরোজ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করিমন নেছা শান্তা, প্রচার সম্পাদক মো. মোকাররম বিল্লাহ ইমনসহ পানি কমিটি ও যুব পানি কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আজ দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রমে যুব পানি কমিটির সদস্যরা বিভিন্ন গ্রাম ও নদী অববাহিকা ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করছেন। তারা তুলে ধরছেন, উপকূলীয় অঞ্চলে সনাতনী পদ্ধতিতে নদী বা খাল খনন করে জলাবদ্ধতার কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। সংকটের মূল কারণ নদীতে অতিরিক্ত পলি জমা, যা একমাত্র টিআরএম বা জোয়ারাধার পদ্ধতি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দূর করা সম্ভব।

আর এই টিআরএম আন্দোলনকে সফল করতে হলে স্থানীয় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি। লিফলেট বিতরণ ও পথসভার মাধ্যমে টিআরএম-এর বৈজ্ঞানিক ও স্থানীয় সুফল সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।

ক্যাম্পেইন চলাকালে যুব পানি কমিটির সভাপতি মো. হোসেন আলী বলেন, উপকূলের নদী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হলে টিআরএম বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। এই বার্তাটিই আমরা তরুণদের হাত ধরে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছি। স্থানীয় জনগণ যখন টিআরএম-এর সুফল পুরোপুরি বুঝতে পারবেন, তখন এই আন্দোলন আরও বেগবান হবে।

উত্তরণ ও যুব পানি কমিটির যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এই সচেতনতামূলক প্রচারণা ও গণসংযোগ কর্মসূচিটি আগামীকাল মঙ্গলবার সমাপনীর মাধ্যমে শেষ হবে।

 

 

কলারোয়ায় আড়াই বছরের ভোগান্তির অবসান: পশুহাট মোড়ের রাস্তা সংস্কার কাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আড়াই বছরের ভোগান্তির অবসান: পশুহাট মোড়ের রাস্তা সংস্কার কাজ শুরু

oppo_0

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সর্বসাধারণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসনে এগিয়ে এসেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম। তাঁরই উদ্যোগে কলারোয়া পশুহাট মোড়ের দীর্ঘদিন ধরে পানিতে ডুবে থাকা গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির সংস্কার কাজ অবশেষে শুরু হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কলারোয়া পশুহাট মোড়ের এই রাস্তাটি বিগত প্রায় দুই থেকে আড়াই বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি পানিতে ডুবে যেত, যার ফলে সাধারণ পথচারী, ব্যবসায়ী ও যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছিল।

 

দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসলেও কোনো সুরাহা হচ্ছিল না। ভোগান্তির বিষয়টি গত শনিবার দৈনিক পত্রদূতে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর এবং ইউএনও’র তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে দীর্ঘদিনের এই জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান হতে চলায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মাঝে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই জনদুর্ভোগ লাঘব করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলামকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন এলাকাবাসী ও সাধারণ পথচারীরা।

 

স্থানীয় জনসাধারণ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, কলারোয়ায় এমন একজন মানবিক ও কর্মতৎপর ইউএনও থাকলে এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়নসহ সরকারের সব ধরনের জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমুখী কার্যক্রম আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে।