শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি ও ট্র্যাকিং জোরদার হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি ও ট্র্যাকিং জোরদার হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং গুজব রোধে সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কোনো চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে রাজধানীর মিরপুর ও মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর এলাকার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজকের পরীক্ষায় পরিবেশ নিয়ে আমি শতভাগ সন্তুষ্ট। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, শিক্ষার মাঠ প্রশাসন এবং সামাজিক কমিউনিটি— সবাই এবার শতভাগ সহযোগিতা করছে। এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে কেউ কাউকে বিরক্ত করছে না, সবাই চায় শিক্ষার্থীরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিক।

মন্ত্রী বলেন, প্রশ্নফাঁসকারী বা গুজব রটনাকারীরা যে ধরনের আধুনিক যন্ত্র বা প্রযুক্তি ব্যবহার করে, তা প্রতিহত করার মতো উন্নত কারিগরি সক্ষমতা ও টেকনিক্যাল হ্যান্ড আমাদের রয়েছে। সাইবার ক্রাইম স্পেশালিস্টদের সাথে আমরা নিয়মিত সমন্বয় করছি। তিনি আরো জানান, প্রশ্নপত্র পরিবহন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার মোবাইল নম্বর সাইবার ক্রাইম অথরিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যদি কোথাও কোনো অপ্রীতিকর বা সন্দেহজনক ঘটনা ঘটে, তবে আমাদের সাইবার টিম মুহূর্তের মধ্যেই ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সেই লোকেশন শনাক্ত করতে সক্ষম। আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছি।

এ বছরই প্রথমবারের মতো প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রশ্নপত্র পরিবহনে ‘ডিজিটাল ট্র্যাকিং’ পদ্ধতি ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমি সশরীরে কেন্দ্রগুলোয় গিয়ে সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছি। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে ফুটেজগুলো ডিজিটাল ড্রাইভে সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যাতে কোনো অভিযোগ উঠলে তা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

কারিকুলাম ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিকুলাম নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই সরাসরি সুপারভিশন শুরু করেছি। সামনের দিনগুলোতে এটি ননস্টপ (ধারাবাহিক) চলবে। আমরা ক্লাসরুম লেভেলে গিয়ে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের চেষ্টা করছি।

আকস্মিক কেন্দ্র পরিদর্শনের কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, আমি আগে থেকে জানিয়ে বা প্রোটোকল নিয়ে কেন্দ্রে যেতে চাই না। তাতে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায় না। আমি সরাসরি ক্লাসরুম ও বাথরুমের পরিবেশ পর্যন্ত দেখছি, যাতে আমাদের আগামী দিনের ত্রুটিগুলো সংশোধন করা সহজ হয়।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

Ads small one

বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় জোরপূর্বক জমি দখল ও সেখানে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বাড়ির সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পুকুরে ফেলে দেওয়ারও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভিযুক্ত মিজানুর লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে পুনরায় নির্মাণকাজ চালাতে থাকেন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের অসহযোগিতায় তিনি এই সুযোগ পেয়েছেন দাবি করে ভুক্তভোগী গত ৮ অক্টোবর আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে আদালত আশাশুনি থানাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, একই এলাকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী অভিযোগ করেন, তিনি সুশীল কর্মকারের নিকট থেকে ১৯৯৭ সালে জমি কিনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন এবং বাড়ির সীমানায় নিরাপদে গ্রেডবিম নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু গত ১০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে অভিযুক্ত মিজানুর লোকজন নিয়ে এসে তাঁর সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এ ঘটনায় তিনি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত আশাশুনি থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এসআই লিটন কুমার ঘোষ তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

এই ভূমিদস্যুর হাত থেকে রক্ষা পেতে ও পৈতৃক বা কেনা সম্পত্তি রক্ষায় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ক্রমবর্ধমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। দলীয় কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১০টা থেকে শ্যামনগর পৌরসভার নকিপুর বাজারসহ জনবহুল এলাকাগুলোতে এই প্রচারপত্র বিলি করা হয়।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অংশ নেন পৌর জামায়াতের আমির হারুন-অর রশীদ সাচ্চু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মঈনুদ্দীন, গোলাম মোস্তফা, যুব বিভাগের সাঈদী হাসান বুলবুল এবং ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এর আগে সকালে জামায়াতের একটি দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
কর্মসূচিপালনের সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, যা সাধারণ মানুষের জনজীবন ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে হলে নিজের আঙিনাসহ চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে ডেঙ্গু লক্ষণে ভয় না পেয়ে চিকিৎসকের পরমর্শ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ সেবন ও মানসিক শক্তি ধরে রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

 

পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের দুপাশে ঝোপঝাড়: পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের দুপাশে ঝোপঝাড়: পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের সরুলিয়া বাজার থেকে মুরারিকাটি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশ দীর্ঘদিন ধরে ঘন ঝোপঝাড়ে আচ্ছাদিত হয়ে আছে। এতে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি ডাকাতি, মাদকসেবন ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকা- বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এই রুটে চলাচলকারী যানবাহনচালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তালা ও কলারোয়াÑএই দুই উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ের কারণে বেশ কিছু স্থান দিনের বেলাতেও নির্জন ও আড়ালযুক্ত হয়ে থাকে। ফলে সেখানে অপরাধীরা সহজেই লুকিয়ে থাকে।

নিয়মিত যাতায়াতকারী ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি মাহমুদুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঝোপঝাড় পরিষ্কার না করায় পরিবেশ নষ্ট হয়েছে এবং উচ্ছৃঙ্খল যুবকরা এই জঙ্গলের আড়ালকে অপরাধের কাজে ব্যবহার করছে। ধানদিয়া চৌরাস্তা মোড়ের মুদি দোকানদার ফরিদুল ইসলাম জানান, বাইরের পথচারীরা প্রায়ই ছিনতাইয়ের শিকার হন। সন্ধ্যার পর ক্রেতাদের সুরক্ষায় বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়, কারণ অপরাধীরা লুটপাট করে দ্রুত জঙ্গলের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের ধরা সম্ভব হয় না।

স্থানীয়দের দাবি, সড়কের দুই পাশের আগাছা ও জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার করা হলে দৃশ্যমানতা বাড়বে এবং অপরাধীদের লুকিয়ে থাকার সুযোগ থাকবে না। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের চলাচলের আতঙ্ক কাটাতে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে এলজিআরডির এক কর্মকর্তা জানান, খুব দ্রুতই সড়কটির দুই পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হবে। তবে বর্ষাকাল হওয়ায় জঙ্গল দ্রুত বেড়ে ওঠে। পাটকেলঘাটা থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তার দুই পাশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। জনগণের জানমালের সুরক্ষা দিতে নিয়মিত পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে এবং আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে এই টহল আরও জোরদার করা হবে।