শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে

সংবাদদাতা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী নতুন মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ১৫ জুন থেকে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য ধাপে ধাপে উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পেরিয়ে সরাসরি অধিদপ্তরে পৌঁছাবে। এ জন্য হোয়াটসঅ্যাপভিত্তিক একটি কেন্দ্রীয় নজরদারি কাঠামো গড়ে তোলার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন স্বাক্ষরিত নির্দেশনাটি দেশের সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান অনেকাংশে নির্ভর করে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা এবং শিক্ষকদের সময়মতো উপস্থিতির ওপর।

 

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। এ প্রেক্ষাপটে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় শিক্ষক উপস্থিতি মনিটরিং জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি উপজেলার ক্লাস্টারভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে একটি করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ গঠন করা হবে।

 

সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা (এইউপিইও/এটিপিইও) ওই গ্রুপের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিদিন কর্মদিবসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সকাল ৯টা ২০ মিনিটের মধ্যে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে ক্লাস্টার গ্রুপে পাঠাতে হবে। ঢাকা মহানগরের ক্ষেত্রে এ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। সরকারিভাবে বিদ্যালয়ের সময়সূচি পরিবর্তন হলে বিদ্যালয় শুরু হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে তথ্য পাঠাতে হবে।

 

উপস্থিতি প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের অনুমোদিত শিক্ষক পদ, কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা, নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা, বিভিন্ন ধরনের অনুমোদিত ছুটিতে থাকা শিক্ষক, প্রশিক্ষণে থাকা শিক্ষক, সংযুক্ত শিক্ষক এবং বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে। ক্লাস্টার পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পর সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সমন্বিত প্রতিবেদন পাঠাবেন। উপজেলা পর্যায়ে সব ক্লাস্টারের তথ্য একত্র করে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হবে।

 

এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে বিভাগীয় উপপরিচালকের কাছে জেলার সারসংক্ষেপ পাঠাবেন। বিভাগীয় উপপরিচালকরা বিভাগের সব জেলার তথ্য একত্র করে দুপুর ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত এক্সেল শিটে তথ্য সংযোজন করে ই-মেইলেও প্রেরণ করতে হবে। অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ প্রতিদিন দেশের সব বিভাগের তথ্য সমন্বয় করে জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষক উপস্থিতি প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে এবং তা মহাপরিচালকের কাছে উপস্থাপন করবে।

 

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষকদের শুধু উপস্থিতির তথ্য পাঠালেই হবে না, শিক্ষক হাজিরা খাতার সংশ্লিষ্ট অংশের ছবিও তুলে সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। এসব ছবি উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এ ছাড়া উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে তথ্য সন্নিবেশনের জন্য অধিদপ্তর থেকে সরবরাহ করা নির্ধারিত এক্সেল শিট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকদের নামের তালিকাও ওই শিটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

 

নির্দেশনায় সতর্ক করে বলা হয়েছে, শিক্ষক উপস্থিতি-সংক্রান্ত তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে প্রদান করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষককে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বাড়বে, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। নতুন এই মনিটরিং ব্যবস্থা সেই লক্ষ্য অর্জনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 

 

 

Ads small one

আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কনফারেন্স কক্ষে এ প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
“মেধা-বিজ্ঞান উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে” এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোের্ট স্কিম, এসইডিপি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু। একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ হাসানুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের এমপি, মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের প্রতিনিধি ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাও. নূরুল আফসার মুর্তাজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাজহারুল ইসলাম মুকুল। অন্যদের মধ্যে আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষক এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক লিংকন আসলাম, কোষাধ্যক্ষ এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষক মুস্তাহিদুর রহমানসহ উপজেলার ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ ১২টি বিদ্যালয়ের “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী আইডিয়া উপস্থাপনকৃত মেলার স্টল ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে, সরাপপুর ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে, গুনাকরকাটি শাহ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা সদরের ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এক কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়াস্থ আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে এ শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারি মো. শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠিত শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য শহীদুল ইসলাম মুকুল।
এছাড়াও বিভিন্ন সেশনে বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসেন,জেলা জামায়াতের শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আনিছুর রহমান, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা উসমান গনি, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মনিরুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি আলী আহসান আল মুজাহিদ প্রমুখ।

তালায় শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
তালায় শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় উৎসবমুখর পরিবেশে শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে তালা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়ের সামনের মাঠে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক এস.এম নজরুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খ-কালীন শিক্ষক রিজাউল ইসলাম সানা সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা প্রেসক্লাবের জ্যেষ্ঠ কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম হাসান আলী বাচ্চু, আব্দুল লতিফ শেখ ও মুকুল সরদারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে আয়োজকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলাফীল গাজী, শাওন শেখ, সামিউল খাঁ, রিয়াব খাঁ, আবু সাইদসহ শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্যরা।
উদ্বোধনী খেলায় মুখোমুখি হয় শাহাপুর ফুটবল একাদশ ও মহল্লাপাড়া ফুটবল একাদশ। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় উভয় দল ১-১ গোলে সমতায় থাকায় খেলার ফলাফল নির্ধারণে ট্রাইব্রেকারের আশ্রয় নেওয়া হয়। রুদ্ধশ্বাস ট্রাইব্রেকারে মহল্লাপাড়া ফুটবল একাদশ ৫-৪ গোলের ব্যবধানে শাহাপুর ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে জয়লাভ করে।