মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ায় অলংকারের নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দামে ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ১৬০ টাকা।

বাংলা কিউআরে লেনদেনের চার্জ শূন্য বাংলা কিউআরে লেনদেনের চার্জ শূন্য
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৯টায় বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। একই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা স্বর্ণালংকারের প্রতি গ্রামের ভ্যাটসহ বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ১৬০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ১৯ হাজার ২৫৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ১৬ হাজার ৫৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৫০৫ টাকা।

স্বর্ণের পাশাপাশি বেড়েছে রৌপ্যালংকারের দামও। ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা রৌপ্যালংকারের প্রতি গ্রাম ভ্যাটসহ বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ৩৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম রৌপ্যালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭০ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ ও রৌপ্যের (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিজাইন অনুযায়ী আলাদা মজুরি

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা ও ডিজাইনের ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারের বিনিময় (এক্সচেঞ্জ) ও ক্রয়ের (পারচেজ) ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই নতুন বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এসব তথ্য জানানো হয়।

Ads small one

ভোমরা স্থলবন্দরের যানজট নিরসনকল্পে সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
ভোমরা স্থলবন্দরের যানজট নিরসনকল্পে সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ সভা

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দরের যানজট নিরসনকল্পে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দর কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে সংগঠনের সহ-সভাপতি আব্দুল মোমেন খান চৌধুরী (সান্টু) এর সভাপতিত্বে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু মুছার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রউফ, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভিআইপি ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আজিজ বাবু, ভোমরা স্থলবন্দর ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি রেজিঃ নং-৮৭/সাতঃ এর সভাপতি রেজাউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রমজান আলী, ভোমরা হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ ১৭২২) এর সভাপতি আব্দুস সাত্তার জুয়েল, নারকেলতলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজনু সরদার, ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি লুৎফর রহমান মন্টু প্রমুখ।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দরের যানজট নিরসনকল্পে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এসময় ভোমরা সি এন্ড এফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা, ট্রাক মালিক সমিতি, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন, ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি ও বিভিন্ন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

 

কালিগঞ্জে ব্র্যাকের যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে ব্র্যাকের যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার যুব উদ্যোক্তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই উন্নয়ন এর লক্ষ্যে আনলকিং ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশন’স ফর ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় ব্র্যাকের আয়োজনে কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাকিল আহমেদ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হক, ব্র্যাক দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির ম্যানেজার অপারেশন’স জেরিন তাসনিন, ব্র্যাকের জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ গোলাম রসুলসহ আরো অনেকে।

এ ছাড়াও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, স্থানীয় ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, প্রকল্পের ক্লায়েন্ট ও মেন্টর, ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির কর্মকর্তাসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, প্রকল্পটি ১ অক্টোবর ২০২৩ থেকে যাত্রা শুরু করে এবং সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় শুধু কালিগঞ্জ উপজেলায় ১৫০ জন যুব উদ্যোক্তা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও আর্থিক সেবার সুযোগ পেয়ে উপকৃত হয়েছেন। সমাপনী সভায় ৫০ জন যুব উদ্যোক্তা অংশ নেন।

সভায় প্রকল্পের কার্যক্রম, অর্জন, অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি যুব উদ্যোক্তাদের জন্য আর্থিক সেবার পরিধি বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই উদ্যোক্তা পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, সরকারি,বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ে যুব উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ অর্থায়ন ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

 

 

জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে জেলায় শীর্ষে সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে জেলায় শীর্ষে সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা

সংবাদদাতা: ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা। গত বছর দাখিল ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে সাতক্ষীরা জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি। এবারও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে সেই সাফল্যের ধারা ধরে রেখেছে ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে মোট ৬৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৩৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জন জিপিএ-৫ এবং ৯ জন এ গ্রেড অর্জন করেছে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকরা জানান, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফলেই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত বছর জেলার সেরা ফলাফল অর্জনের পর এবারও সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতে পাঠদানের মান আরও উন্নত করে সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা শিক্ষা ও ফলাফলের ক্ষেত্রে আরও সাফল্য অর্জন করবে।