শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

বড়দের হাম হলে করণীয় কী?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
বড়দের হাম হলে করণীয় কী?

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা ‘মিজলস ভাইরাস’ দ্বারা ছড়ায়। উচ্চ জ্বর, কাশি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং সারা শরীরে লালচে র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি এর প্রধান লক্ষণ। এটি হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায় এবং মূলত শিশুদের প্রভাবিত করে।
তবে হামকে অনেকেই শুধু শিশুদের রোগ বলে মনে করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো বড়রাও হাম রোগে আক্রান্ত হতে পারেন এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের জটিলতাও হতে পারে আরো গুরুতর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভিন্নভাবে কাজ করে, ফলে হাম হলে বড়দের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি কম নয়।

বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন, সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. শামীমা ইয়াসমীন। তার মতে, ‘হাম শুধু শিশুদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যারা টিকা নেননি বা আগে কখনো আক্রান্ত হননি, তারা যেকোনো বয়সেই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন’।

বড়দের হাম কেন হয়?

অনেক বড় মানুষ ছোটবেলায় হাম টিকা নেননি বা তাদের শরীরে পর্যাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়নি। আবার কিছু ক্ষেত্রে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সুরক্ষা কমে যেতে পারে। ফলে ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে বড়রাও সহজেই আক্রান্ত হতে পারেন।

বিশেষ করে যারা-
> কখনও হাম টিকা নেননি
> আগে হাম হয়নি
> রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল
> ভিড় বা সংক্রমিত পরিবেশে থাকেন

বড়দের হাম হলে কী লক্ষণ দেখা যায়?

বড়দের ক্ষেত্রেও হামের লক্ষণ প্রায় একই থাকে, তবে অনেক সময় তা বেশি তীব্র হতে পারে-
> অতিরিক্ত জ্বর
> তীব্র মাথাব্যথা
> চোখ লাল হওয়া ও আলো সহ্য করতে না পারা
> কাশি ও গলা ব্যথা
> শরীরে লালচে ফুসকুড়ি
> অনেক ক্ষেত্রে ক্লান্তি ও দুর্বলতাও বেশি থাকে

বড়দের ক্ষেত্রে জটিলতা কতটা ভয়াবহ?

ডা. শামীমা ইয়াসমীন জানান, বড়দের হাম হলে জটিলতার ঝুঁকি কম নয়, বরং কখনো কখনো তা বেশি মারাত্মক হতে পারে। যেমন-
> নিউমোনিয়া
> লিভারের সমস্যা
> তীব্র ডিহাইড্রেশন
> এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কে সংক্রমণ)
> বিশেষ করে গর্ভবতী নারী বা দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা ব্যক্তিদের জন্য এটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ

বড়দের হাম হলে কী করবেন?

> দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। হামের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
> বিশ্রাম ও আইসোলেশন নিশ্চিত করুন। হাম খুব সংক্রামক, তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা জরুরি। এতে পরিবারের অন্য সদস্যদের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা যায়।
> পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ। শরীরের শক্তি বজায় রাখতে পানি, স্যুপ, ফল ও সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে।
> চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জ্বর কমানোর ওষুধ এবং অন্যান্য উপসর্গের চিকিৎসা নিতে হবে।
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।
> ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ গ্রহণ করলে রোগের তীব্রতা কিছুটা কমানো সম্ভব।

প্রতিরোধে কী করবেন?

হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা। যারা নিশ্চিত নন যে তারা টিকা নিয়েছেন কি না, তারা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজন হলে টিকা নিতে পারেন।

অবহেলা নয়, সচেতনতাই জরুরি

হামকে শুধু শিশুদের রোগ মনে করে অবহেলা করলে বিপদ হতে পারে। বড়দের ক্ষেত্রেও এটি গুরুতর জটিলতার কারণ হতে পারে। তাই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

সবশেষে ডা. শামীমা ইয়াসমীন বলেন, ‘সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসাই হাম থেকে রক্ষা পাওয়ার সবচেয়ে বড় উপায়’। নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষায় তাই এখনই সতর্ক হোন, কারণ সামান্য অবহেলাই বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কুশখালি, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম এবং মদ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৯ হাজার টাকার ভারতীয় মদ আটক করে।
এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বারেকের মোড় হতে ১৬ হাজার ৭৭৮ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭৮ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কয়রার বেদকাশী কাছারীবাড়ী ঐতিহ্যবাহী বটতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাই মিলে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে ও পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাই। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় সহ পরিবেশের বায়ুদূষণ, বন্যা, খরতাপ, নদীভাঙ্গন রোধ, বজ্রপাত প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি সবুজায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, কয়রা-পাইকগাছার অর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক ছোঁয়া শুধুই নয় অত্যাধুনিক ভাবে এই অঞ্চল কে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের জন্য ইতিমধ্যে হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, স্কুল, কলেজের নতুন নতুন ভবনের বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয় জাতীয়করনে কাজ করছি, অনেক গুলোর যৌক্তিকতার আলোকে চিঠি ইস্যু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

বৃক্ষ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর বেদকাশি ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ মেলা ২৬ বছর ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি শতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এরপরে তিনি কয়রার সেন্ট্রাল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং কয়রা উপজেলা জামে মসজিদে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মাসুদ রানা: ‎বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার অন্তর্গত স্কুল বিভাগের উদ্যোগে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।

‎শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮:৩০ মিনিটে স্কুল বিভাগের পরিচালক তাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি রেদোয়ান কবির তাজিমের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শহর শাখার প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাসুদুজ্জামান।

‎উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; সৎ, যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শারীরিক সুস্থতা ও মেধা বিকাশের বিকল্প নেই। মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক চরিত্রের পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইসলামী ছাত্রশিবির সর্বদা এ ধরনের গঠনমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।”

‎উদ্বোধনী ম্যাচে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর দলগুলো উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেয়। খেলা দেখতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের উপস্থিতি মাঠে এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি করে