সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

বর্ষায় পাইকগাছায় নার্সারিতে গাছের চারা বিক্রির ধুম পড়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
বর্ষায় পাইকগাছায় নার্সারিতে গাছের চারা বিক্রির ধুম পড়েছে

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): বর্ষার অনুকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে খুলনার পাইকগাছায় নার্সারিগুলোতে গাছের চারা বিক্রির ধুম পড়েছে। বিশেষ করে গদাইপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ও খুচরা নার্সারিগুলোতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা কিনতে ভিড় করছেন দেশের বিভিন্ন জেলার ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বর্ষা মৌসুমে শত কোটি টাকার চারা বিক্রির আশা করছেন।

উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে গড়ে তোলা নার্সারিগুলিতে বছরজুড়ে সব গাছের চারা পাওয়া যায়। এসব চারা বেচাকেনা হয় সব মৌসুমে। তবে চারা বিক্রির সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বর্ষাকালে। এই সময়টাতে রোপণ করা চারা শতভাগ জীবিত থাকে বলে চারারও চাহিদা বাড়ে দ্বিগুণ। অনেকে এই সময়টাতে তৈরি করেন ফলজ-বনজ বাগান। বেশির ভাগ মানুষ তাদের বসতবাড়িতে নানা প্রকারের চারা রোপণ করে থাকেন। এ বছরের আষাঢ়ের প্রথম দিন থেকে শুরু হয়েছে। এ সুযোগে নার্সারিগুলো গাছের চারার ব্যাপক চাহিদা বিক্রির ধুম পড়েছে।

উপজেলার গদাইপুরে বাণিজ্যিক ভাবে গড়ে উঠেছে তিন শতাধিক নার্সারি। তাছাড়া ১০ শতক থেকে এক বিঘা জমিতে গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক নার্সারি। গ্রামের চারদিকে যেন সবুজের সমাহার। গদাইপুরে ঢুকলে চোখে পড়ে ক্ষেতের পর ক্ষেত নার্সারি। বাড়ির সামনে-পেছনে ও আশপাশে নার্সারি গড়ে তুলেছেন সবাই। সব নার্সারির সামনে আছে সাইনবোর্ড লাগাানো। নানা রকমের ফুল, ফল ও মসলার চারা বাড়িগুলোর সামনে। বাড়ির ভেতরে গড়ে তোলা নার্সারিতে চারা কেনাবেচার দৃশ্যও নজর কাড়ে। গদাইপুর এলাকার তৈরী কলম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, রাজশাহী সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে।

নার্সারি মালিক সমিতি সুত্রে জানা গেছে, কেবল বর্ষা মৌসুমেই গদাইপুরের কয়েক শত নার্সারিতে প্রায় শত কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়। আর সারা বছরের বিক্রি হয় প্রায় আড়াই শত কোটি টাকার বেশি। এসময় চারা ক্রয়, বিক্রি ও পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন মালিক-শ্রমিকরা। রজনীগন্ধা নার্সারির মালিক সুকনাথ পাল বলেন, বর্ষায় চারার চাহিদা ও বিক্রি ভালো হচ্ছে।

উপজেলার গদাইপুর গ্রামের মেইন সড়কের দুই পাশে নার্সারিতে নানা প্রজাতির গাছের চারার দৃশ্য নজর কাড়ে। রাস্তার পাশে যতদূর দৃষ্টি যায় ফুল, ফল, মসলা ও বনজের চারা দেখা যায়। দেশী প্রজাতির পাশাপাশি বিদেশী ফলের চারারও উৎপাদন হয়। এখানে স্ট্রবেরি, রাম্বুটান, ড্রাগন, থাই পেয়ারাসহ ৩০-৪০ প্রজাতির বিদেশী ফলের চারা তৈরি হয়। এছাড়া দেশী প্রজাতির সকল ফলের চারা নার্সারিগুলোয় পাওয়া যায়। এসব ফলের প্যাকেট চারা বছরজুড়ে পাওয়া যায়। প্যাকেটে রোপণ করা চারার পাশাপাশি টবে লাগানো ফুল-ফলের চারাও এখানে বিক্রি হয়। চুই, লবঙ্গ, তেজপাতা, দারুচিনি, গোলমরিচ, এলাচসহ বেশ কয়েক প্রজাতির মসলার চারা উৎপাদন ও বিক্রি হয়।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, নার্সারি ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। কেউ পরিকল্পনা মাফিক নার্সারি করলে অনায়াসে তিনি স্বাবলম্বী হবেন। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্ষাকালে গাছের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। এসময় প্রচুর বৃষ্টি হয় এবং মাটির উর্বরা শক্তিবৃদ্ধি পায়। তাই এই সময়ে তিনি সবাইকে বৃক্ষরোপণ করার জন্য আহ্বান জানান।

 

 

Ads small one

ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়

আরিফ মাহমুদ: ভারত থেকে পুশইনের শিকার এক ভারতীয় নারীর বর্তমানে ঠায় হয়েছে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একটি কৃষক পরিবারে। ওই ভারতীয় নারীর নাম সাহিদা ফকির। তিনি ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা।

বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাদিয়ালি গ্রামের কৃষক আবুল বাশারের বাড়িতে অবস্থান করছেন। গত কয়েকদিন ধরে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

সাহিদার স্বামী জুম্মান ফকির পেশায় মোটরগাড়ির মেকানিক। শ্বশুরের নাম ইনছান ফকির। তার দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে গোবিন্দপুরে থাকেন এবং ছোট ছেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে গত ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতের মুম্বাইয়ে বসবাস করছেন।

সাহিদা ফকির জানান, গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের সানপাড়া এলাকায় সবজি কিনে সেখানকার ভাড়া বাসায় ফেরার পথে ভারতের সিআইবি সদস্যরা তাঁকে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করে। এ সময় তার কাছে থাকা ভারতীয় আই কার্ড (পরিচয়পত্র), প্যান কার্ড দেখালেও তারা আমলে নেননি। পরে ২দিন আটক রাখার পর প্লেনে করে আসাম সীমান্তে নিয়ে যায়। সেখানে আরো কয়েকদিন আটক রাখার পর তাকে আরো দুইজন ছেলে ও চারজন মেয়েসহ ফেনী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, পরে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে বেনাপোলে আবুল বাশার নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। মানবিক কারণে আবুল বাশার তাকে নিজের বাড়ি কলারোয়ার সোনাবাড়িয়তে নিয়ে আসেন।

সাহিদা ফকির বলেন, আমি আমার স্বামী-সন্তানের কাছে, আমার দেশে ফিরে যেতে চাই। আই কার্ড, প্যান কার্ড দেখানোর পরও আমার কথা শোনা হয়নি।

ভারতীয় নারীর আশ্রয়দাতা কৃষক আবুল বাশার জানান, চিকিৎসার জন্য তিনি বেনাপোল গিয়েছিলেন। ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার সময় ওই নারীর সঙ্গে তার দেখা হয়। সাহিদা ফকির তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা দিলে মানবিক বিবেচনায় তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

আবুল বাশারের স্ত্রী আরিফা খাতুন বলেন, আমার স্বামী ওই নারীকে সঙ্গে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে তার পুরো ঘটনা শুনেছি। তিনি এখন আমাদের বাড়িতেই আছেন। আমরা চাই তিনি নিরাপদে তার স্বামী-সন্তানের কাছে ফিরে যেতে পারেন।
এদিকে, গত কয়েকদিন সেখানে বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ওই বাড়িতে তাকে নজরদারিতে রেখেছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

তারা জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁর নিজ দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা উচিত।

ভারতের মুম্বাই শহর যারা চেনেন ও জানেন এমন কয়েকজন জানান, ভারতীয় নারী সাহিদা ফকির আটকের স্থান নবীমুম্বাইয়ের সানপাড়ার সেক্টর ৫ এলাকাটি যৌনপল্লী, বার ও বাঙালি এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।

সাতক্ষীরায় কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় অনুদানের চেক বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় অনুদানের চেক বিতরণ

সংবাদদাতা: নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ সাতক্ষীরা জেলার কোচ ও কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা এবং ট্রাউজার ও ট্রাকসুট বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস সাতক্ষীরার আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

 

এসময় জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আজকের কৃতি ক্ষুদে খেলোয়াড়রা আগামীর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। তারা একদিন দেশের হাল ধরবে। ভালো ক্রীড়া নৈপুণ্যের মাধ্যমে সাতক্ষীরার সুনাম বয়ে আনবে এবং জাতীয় দলে নেতৃত্ব দেবে ইনশাল্লাহ।”

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আলতাফ হোসেন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ প্রতিযোগিতায় ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হয়ে দ্রুততম মানব হওয়া সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের জাকির হোসেন’র পিতা মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

 

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ সাতক্ষীরা জেলার কোচ ও কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাউজারও ট্রাকসুট বিতরণ করা হয়। এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তা, কৃতি খেলোয়াড় ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান।

এদিকে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ হতে সাধারণ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অনুকূলে এককালীন অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয় সাতক্ষীরার আয়োজনে জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক এস এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে চেক বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শেখ আবুল কালাম আজাদ ও সুশান্ত কুমার মল্লিক প্রমুখ। এসময় জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সাতক্ষীরার পক্ষ থেকে ২৭টি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের মাঝে প্রায় ১৪ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান।

সাতক্ষীরায় সড়কের দুই ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সড়কের দুই ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় সড়কের দুই ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়নের ভাদড়া সড়কের দুই ধারে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসময় হাবিব বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সামাজিক বনায়নের অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ বছরে যে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন এরই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন সড়ক, গ্রাম ও বেড়িবাঁধ এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ সাতক্ষীরা গড়তে সদর উপজেলার কদমতলা মোড় থেকে বৈকারী অভিমুখী সড়কের দুই ধারে প্রায় ৫ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চলতি বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীতে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম মধুসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।