মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়

আরিফ মাহমুদ: ভারত থেকে পুশইনের শিকার এক ভারতীয় নারীর বর্তমানে ঠায় হয়েছে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একটি কৃষক পরিবারে। ওই ভারতীয় নারীর নাম সাহিদা ফকির। তিনি ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা।

বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাদিয়ালি গ্রামের কৃষক আবুল বাশারের বাড়িতে অবস্থান করছেন। গত কয়েকদিন ধরে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

সাহিদার স্বামী জুম্মান ফকির পেশায় মোটরগাড়ির মেকানিক। শ্বশুরের নাম ইনছান ফকির। তার দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে গোবিন্দপুরে থাকেন এবং ছোট ছেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে গত ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতের মুম্বাইয়ে বসবাস করছেন।

সাহিদা ফকির জানান, গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের সানপাড়া এলাকায় সবজি কিনে সেখানকার ভাড়া বাসায় ফেরার পথে ভারতের সিআইবি সদস্যরা তাঁকে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করে। এ সময় তার কাছে থাকা ভারতীয় আই কার্ড (পরিচয়পত্র), প্যান কার্ড দেখালেও তারা আমলে নেননি। পরে ২দিন আটক রাখার পর প্লেনে করে আসাম সীমান্তে নিয়ে যায়। সেখানে আরো কয়েকদিন আটক রাখার পর তাকে আরো দুইজন ছেলে ও চারজন মেয়েসহ ফেনী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, পরে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে বেনাপোলে আবুল বাশার নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। মানবিক কারণে আবুল বাশার তাকে নিজের বাড়ি কলারোয়ার সোনাবাড়িয়তে নিয়ে আসেন।

সাহিদা ফকির বলেন, আমি আমার স্বামী-সন্তানের কাছে, আমার দেশে ফিরে যেতে চাই। আই কার্ড, প্যান কার্ড দেখানোর পরও আমার কথা শোনা হয়নি।

ভারতীয় নারীর আশ্রয়দাতা কৃষক আবুল বাশার জানান, চিকিৎসার জন্য তিনি বেনাপোল গিয়েছিলেন। ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার সময় ওই নারীর সঙ্গে তার দেখা হয়। সাহিদা ফকির তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা দিলে মানবিক বিবেচনায় তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

আবুল বাশারের স্ত্রী আরিফা খাতুন বলেন, আমার স্বামী ওই নারীকে সঙ্গে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে তার পুরো ঘটনা শুনেছি। তিনি এখন আমাদের বাড়িতেই আছেন। আমরা চাই তিনি নিরাপদে তার স্বামী-সন্তানের কাছে ফিরে যেতে পারেন।
এদিকে, গত কয়েকদিন সেখানে বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ওই বাড়িতে তাকে নজরদারিতে রেখেছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

তারা জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁর নিজ দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা উচিত।

ভারতের মুম্বাই শহর যারা চেনেন ও জানেন এমন কয়েকজন জানান, ভারতীয় নারী সাহিদা ফকির আটকের স্থান নবীমুম্বাইয়ের সানপাড়ার সেক্টর ৫ এলাকাটি যৌনপল্লী, বার ও বাঙালি এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।

Ads small one

কয়রায় বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
কয়রায় বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে দেশীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, শিল্প ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা। এই উৎসব মানুষের মধ্যে ভালবাসা, সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৪টা থেকে কয়রা উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্দিরে ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ে করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, মনিরুজ্জামান বেল্টু, আবু সাঈদ বিশ্বাস, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, এড. আব্দুর রশিদ, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, শেখ সিরাজুল ইসলাম, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, ইয়ারুল ইসলাম রিপন, মল্লিক আজাদ, জাহিদুর রহমান শোভন, মাসুম বিল্লাহ, শেখ মাহমুদ পারভেজ, গোলাম রসুল, নূরুল ইসলাম খোকা, দিলরুবা মিজান, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, নজরুল ইসলাম, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, মহরম হোসেন, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

 

পাটকেলঘাটায় পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক তালা কলারোয়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে বিজয় নবমীতে পাটকেলঘাটার বিভিন্ন ইউনিয়নের পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন। পাটকেলঘাটার কালীবাড়ি দুর্গা মন্দির পরিদর্শনকালে পূজা কমিটির সভাপতি চিত্র মজুমদারের সভাপতিত্বে বক্তৃতায় তিনি বলেছেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার।
হাবিব আরো বলেন, হিন্দু মুসলমান সকল ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণ বসবাস করার মাধ্যমে মিলেমিশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। কোন ধর্মকে লাঞ্ছিত অপমানিত করে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব তার বক্তৃতা আরো বলেছেন, সরকারের প্রশাসন অত্যন্ত সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরিবেশে তাদের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। আপনাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে কাজ করছে। তিনি আরো বলেছেন, সরকার সকল ধর্মের মানুষকে সম্মান দিয়েছে।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিন্দু বৈদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা সভাপতি মিনাল কান্তি রায়, পূজা কমিটির উপদেষ্টা পুলক কুমার পাল, তালা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ, বিএনপি নেতা ডাক্তার মামুনুর রহমান খান, বিএনপি নেতা আব্দুল আলী, পাটকেলঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, তালা উপজেলা বিএনপি যুবুদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মহানবমীর হোম ও যজ্ঞ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
মহানবমীর হোম ও যজ্ঞ

বিপুল চন্দ্র রায়

 

ঘৃতের আহুতি, বেলপাতা

আর শস্যে ও ধানে—

বামুনের মুখে মন্ত্রোচ্চারণ,

ভক্তরা মায়ের ধ্যানে।

 

নবমী যজ্ঞের পবিত্রতায়

জাগুক পুণ্য ধর্মের বাণী।

সমৃদ্ধি নেমে আসুক ঘরে ঘরে,

ঘুচুক সকল গ্লানি।